SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Science Economics| Chapter-2| মূল অর্থনৈতিক সমস্যাসমূহ

SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Science Economics| Chapter-2| মূল অর্থনৈতিক সমস্যাসমূহ, প্রশ্নের উত্তর SEBA, এনসিইআরটি ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান মৌচাক এবং মুহূর্তগুলির জন্য সমাধান, ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান নোটগুলি পরীক্ষায় দক্ষতার জন্য অনেক মূল্যবান হতে পারে। আসাম বোর্ড ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান সমাধানে আপনাকে সমস্ত অধ্যায় সম্পর্কে আরও ভাল জ্ঞান দেয়। আপনি মৌলিক এবং উন্নত উভয় স্তরের প্রশ্নের সমাধান পেতে পারেন। আপনার বোর্ড পরীক্ষায় পারদর্শী হওয়ার অন্যতম সেরা উপায় হল অনুশীলন করা।

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (ASSAMESE MEDIUM)

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (BANGLA MEDIUM)

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (ENGLISH MEDIUM)

SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Science Economics| Chapter-2| মূল অর্থনৈতিক সমস্যাসমূহ

এছাড়াও, আপনি SCERT (CBSE) বইয়ের নির্দেশিকা অনুসারে বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা সমাধান এই বিভাগগুলিতে অনলাইনে SEBA বই পড়তে পারেন৷ এখানে আমরা SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Science Economics| Chapter-2| মূল অর্থনৈতিক সমস্যাসমূহ দিয়েছি সব বিষয়ের জন্য বাংলা সমাধান, আপনি এখানে অনুশীলন করতে পারেন।

পাঠ ২

পাঠ্যভিত্তিক প্রশ্নোত্তর 

অতি সংক্ষিপ্ত/সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্ন : 

প্রশ্ন ১। সংজ্ঞা লিখ : 

(ক) দরিদ্রতা : যখন একজন ব্যক্তি তাহার জীবনের মৌলিক প্রয়োজনগুলি, যেমন— অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যের সুবিধা হইতে বঞ্চিত হয় তখন সেই অবস্থাকে দরিদ্রতা বা দারিদ্র্য বলে। 

(খ) বেকারত্ব : রাষ্ট্রের প্রচলিত মজুরিতে উপযুক্ত এবং কর্মক্ষম লোকসকল যদি কাজ করিতে ইচ্ছুক হইয়াও কর্মসংস্থান না পায় তাহা হইলে তাহাকে বেকারত্ব বলে। 

(গ) জনসংখ্যার ঘনত্ব : প্রতি বর্গ কিল’মিটার অঞ্চলে বাস করা লোকসকলের সমষ্টিকে সেই অঞ্চলের জনসংখ্যার ঘনত্ব বলে। উদাহরণস্বরূপে, ২০১১ সালের লোকপিয়ল অনুযায়ী অসমের জনসংখ্যার ঘনত্ব হইল ৩৯৭ জন যেটা ভারতের সর্বমোট জনসংখ্যার ঘনত্ব হইতে অধিক। অসমের সর্বমোট বর্গ কিল মিটার দ্বারা মোট জনসংখ্যাকে ভাগ করিলে যে ভাগফল হয় সেটাই অসমের জনসংখ্যার ঘনত্ব। 

(ঘ) লিঙ্গ অনুপাত : পুরুষের বিপরীতে মহিলার সংখ্যাকে সাধারণত লিঙ্গ অনুপাত বলে। লোকপিয়লের নিয়ম মতে প্রতি হাজার পুরুষের বিপরীতে কতসংখ্যক মহিলা থাকে, তাহাকে লিঙ্গ অনুপাত বলে। ভারতের লিঙ্গ অনুপাত ১০০০ জন পুরুষের বিপরীতে ৯৪০ জন মহিলা। কেরালাতে লিঙ্গ অনুপাত সর্বাধিক। এক হাজার পুরুষের বিপরীতে ১০৮৪ জন মহিলা। হারিয়ানায় লিঙ্গ অনুপাত সর্বনিম্ন, এক হাজার পুরুষের বিপরীতে ৮৭৭ জন মহিলা। 

(ঙ) চরম দরিদ্রতা : দরিদ্রতার সীমারেখা অনুধাবন করা কঠিন, কেননা বিভিন্ন পর্যায়ের দরিদ্রতা থাকিতে পারে। ইহার ভিত্তিতে বলিতে পারা যায় যে, যেসকল ব্যক্তির থাকিবার ঘর নাই, লজ্জা নিবারণ করিবার এক চিলতে কাপোর নাই এবং খাইবার জন্য এক দানা চাউলও নাই, তাহাকেই চরম দরিদ্রতা বলা হয়। 

(চ) আপেক্ষিক দরিদ্রতা : বিভিন্ন পর্যায়ভুক্ত দরিদ্রতার তুলনা করিলে আপেক্ষিক দরিদ্রতা পাইতে পারি। কেননা, দরিদ্র লোকেরও বহুতো শ্রেণি থাকা দেখা যায়। যেমন— ডালদরিদ্র লোকেরা দৈনিক ভিক্ষা করিয়া জীবন ধারণ করিতেছে। তাঁহাদের হইতে কিছু উন্নত অবস্থার দরিদ্রও আছে। এইভাবে তুলনা করিলে বিভিন্ন শ্রেণির আপেক্ষিক দরিদ্রতার উদাহরণ সমাজে দেখিতে পাওয়া যায়। 

(ছ) বহনক্ষম উন্নয়ন : যে উন্নয়নে বর্তমান প্রজন্মের অভাবগুলি দূর করিতে কোন ধরণের আপোস করা হয় না, সেই ধরণের উন্নয়নকেই অবিরত বা বহনক্ষম উন্নয়ন বলে। 

(জ) সবুজ অর্থনীতি ঃ যে অর্থনীতির মূল লক্ষ্য প্রাকৃতিক পরিবেশের প্রতি থাকা ভাবুকি এবং পরিস্থিতি নির্মূল করিয়া এক বহনক্ষম উন্নয়ন লাভ করা, তাহাকেই সবুজ অর্থনীতি বলে। 

প্রশ্ন ২। দরিদ্রতার সীমারেখা কি? গ্রাম অঞ্চল এবং শহর অঞ্চলের দরিদ্রতার সীমারেখা কি? 

উত্তর : সমাজে বাস করা জনসাধারণের মধ্যে যেসকল দরিদ্র লোক বাস করে তাঁহাদের উন্নত মানুষের সঙ্গে পৃথক করিতে যে নিয়ম বা মাপকাঠী কার্যকরী করা হয়। তাহাকেই দরিদ্রতার সীমারেখা বলে। 

ভারতের দরিদ্রতার সীমারেখা নির্ণয় করিতে ভারতের পরিকল্পনা আয়োগে কেলরি ভিত্তিতে গ্রাম এবং শহর অঞ্চলের দরিদ্রতার সীমারেখা নির্ধারণ করিয়াছে। সেই অনুযায়ী, গ্রাম অঞ্চলে দৈনিক জনমুরি ন্যূনতম ২৪০০ লে’রি এবং শহর অঞ্চলে দৈনিক জনমুরি ন্যূনতম ২১০০ কেলরি খাদ্য আহরণ করিতে না পারিলে একজন ব্যক্তিকে দরিদ্র আখ্যা দেওয়া হয়। 

প্রশ্ন ৩। ২০১১ সালের লোকপিয়ল মতে ভারতের এবং অসমের জনসংখ্যা কত ? 

উত্তর : ২০১১ সালের লোকপিয়ল মতে ভারতের জনসংখ্যা ১২১ কোটি এবং অসমের জনসংখ্যা ৩ কোটি ১২ লাখ।

প্রশ্ন ৪। বিশ্বের মাটি কালির কত অংশ ভারতে আছে? 

উত্তর : বিশ্বের মোট মাটি কালির ২.৪ শতাংশ ভারতে আছে। 

প্রশ্ন ৫। ভারতের সর্বাধিক লিঙ্গ অনুপাত থাকা রাজ্য কোনটি এবং কত ? 

উত্তর : ভারতের সর্বাধিক লিঙ্গ অনুপাত থাকা রাজ্য হইল কেরালা যেখানে এক হাজারজন পুরুষের বিপরীতে ১০৮৪ জন মহিলা আছে। 

প্রশ্ন ৬। অসমের জনসংখ্যার ঘনত্ব কত ? 

উত্তর : অসমের জনসংখ্যার ঘনত্ব হইল ৩৯৭ জন।

প্রশ্ন ৭। ছদ্মবেশী বেকার কাহাকে বলে? 

উত্তর : ছদ্মবেশী বেকার বলিতে বিশষ করিয়া কৃষিখণ্ডের সঙ্গে জড়িত বেকারতে বোঝায়। দেখাতে নিয়োজিত থাকিলেও কৃষিখণ্ডের এমন অতিরিক্ত শ্রমিকদের উৎপাদন ক্ষমতা শূন্যের ঘরে। 

প্রশ্ন ৮। মুদ্রাস্ফীতি কি? 

উত্তর : মুদ্রাস্ফীতি বলিলে অবিরতভাবে দ্রব্য এবং সেবার মূল্য বৃদ্ধি এবং মুদ্রার মূল্য কমিয়া যাওয়া অবস্থাকে বোঝায়। 

প্রশ্ন ৯। মুদ্রাস্ফীতির কারণগুলি কি কি? 

উত্তর : (ক) দ্রব্য এবং সেবার চাহিদা বৃদ্ধি অথচ ইহার যোগান বৃদ্ধি না হইলে (খ) মানুষের ক্রয় করার মুদ্রার পরিমাণ অধিক হইলে এবং দ্রব্যের পরিমাণ কম হইলে (গ) দ্রব্য এবং সেবার উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি হইলে (ঘ) শ্রমিকের মজুরী বৃদ্ধি হইলে (ঙ) লাভের পরিমাণ বৃদ্ধি হইলে এবং (5) দ্রব্যের উপরে আরোপ করা করের বোজা বৃদ্ধির জন্য। 

প্রশ্ন ১০। দমিত মুদ্রাস্ফীতি কাহাকে বলে? 

উত্তর : রাষ্ট্র যখন মুদ্রাস্ফীতির দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন সরকার প্রত্যক্ষ ব্যবস্থার দ্বারা রাজহুয়া বিতরণ, সরকারীভাবে দ্রব্যের মূল্য নির্ধারণ আদির দ্বারা মূল্য স্তর নিয়ন্ত্রণ করে যার জন্য মুদ্রাস্ফীতির স্তর বৃদ্ধির পরিমাণ হ্রাস হয়, তাহাকে দমিত মুদ্রাস্ফীতি বলে। 

প্রশ্ন ১১। অবিধিগত খণ্ডে শ্রমিকের সংখ্যা কত থাকে? 

উত্তর : অসংগঠিত খণ্ডকে অবিধিগত খণ্ড বলে। এই রকম খণ্ডে দশজন থেকেও কমসংখ্যক শ্রমিকে কাজ করে।

প্রশ্ন ১২। কর্মী জনসংখ্যা  মোট কর্মী সংখ্যা= x 100 ( সম্পূর্ ___________কর )

উত্তর : মোট জনসংখ্যা। 

প্রশ্ন ১৩। বহনক্ষম উন্নয়নের সংজ্ঞা কোন আয়োগে কবে প্রদান করিয়াছিল? 

উত্তর : বহনক্ষম উন্নয়নের সংজ্ঞা ব্রান্ডিলেও আয়োগে ১৯৮৭ সালে প্রদান করিয়াছিল। 

প্রশ্ন ১৪। পরিবেশ চিন্তাবিদসকলের মূলমন্ত্র কি? 

উত্তর : পরিবেশ চিন্তাবিদসকলের মূলমন্ত্র হইল চিত্তা বিশ্বব্যাপী হোক, কাৰ্যপন্থা স্থানীয় হোক (think globally, Act locally)। 

দীর্ঘ উত্তরের প্রশ্ন : 

প্রশ্ন ১। ভারতবর্ষে জনসংখ্যা বৃদ্ধির সমস্যার মূল কারণগুলি আলোচনা কর। 

উত্তর : বিশ্বের ভিতরে জনসংখ্যার দিক হইতে ভারতবর্ষ দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র হিসাবে চীনের পরেই স্বীকৃতি পাইয়াছে। ভারতের জনসংখ্যা ২০১১ সালের লোকপিয়ল মতে ১২১ কোটি। এই বৃহৎ জনসংখ্যার মূলে নিম্নে দেওয়া কারণগুলি বিশেষভাবে ক্রিয়া করিয়াছে : 

(ক) গ্রীষ্মমণ্ডলের রাষ্ট্র হিসাবে ভারতে সন্তান জন্মের হার অত্যধিক হাওয়া দেখা যায়। ভারতে বাস করা কিছু ধর্মীয় লোক একাধিক পত্নীর দ্বারা অপরিকল্পিতভাবে বহুসংখ্যক সন্তান জন্ম দেয়। 

(খ) ভারতের বৃহৎসংখ্যক লোক এখনও নিরক্ষর। এইসকল লোক শিক্ষার অভাবে উচ্চমানের জীবন-প্রণালীর সঙ্গে অভ্যস্ত নয় এবং অধিক সন্তান জন্ম দেওয়া একটি কর্তব্য এবং কৃতিত্ব বলিয়া গণ্য করে। 

(গ) ভারতের অধিকসংখ্যক লোকই দরিদ্র এবং দারিদ্র্য হইতে পরিত্রাণ পাইতে দরিদ্র লোকেরাই বেশি সন্তানের জন্ম দেয়। 

(ঘ) সামাজিক অজ্ঞতাও ভারতের জনসংখ্যা বৃদ্ধির একটি অন্যতম কারণ। জনসংখ্যার অ-পরিকল্পিত বৃদ্ধিয়ে সমাজের ক্ষিপ্র উন্নয়নক কিভাবে বাধাগ্রস্ত করে তাহা বৃহৎসংখ্যক জনসাধারণ উপলব্ধি করিতে পারে না।

(ঙ) শিক্ষার অভাবের জন্য স্বাস্থ্যখণ্ডে আরম্ভ হওয়া। বৈপ্লৱিক আঁচনি এবং স্বাস্থ্য সম্বন্ধীয় দিহা পরামর্শ এবং সা-সুবিধাগুলি গ্রহণ করিয়া জনসংখ্যা রোধ করিতে সম্ভান জন্ম সীমিত করিতে পারে নাই। 

প্রশ্ন ২। দরিদ্রতা কাহাকে বলে? দারিদ্রের সীমারেখা কিভাবে দরিদ্রতা নিরূপণ করে ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর ঃ যখন একজন ব্যক্তি তাঁহার জীবনের মৌলিক প্রয়োজনগুলি, যেমন- অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্যের সুবিধা হইতে বঞ্চিত হয় তখন সেই অবস্থাকে দরিদ্রতা বা দারিদ্র্য বলে। 

সমাজে বাস করা জনসাধারণের মধ্যে যেসকল দরিদ্র লোক বাস করে তাঁহাদের উন্নত মানুষের সঙ্গে পৃথক করিতে যে নিয়ম বা মাপকাঠী কার্যকরী করা হয় তাহারেই দরিদ্রতার সীমারেখা বলে। 

ভারতের দরিদ্রতার সীমারেখা নির্ণয় করিতে ভারতের পরিকল্পনা আয়োগে কোলরি ভিত্তিতে গ্রাম এবং শহর অঞ্চলের দরিদ্রতার সীমারেখা নির্ধারণ করিয়াচ্ছে। সেই অনুযায়ী, গ্রাম অঞ্চলে দৈনিক জনমুরি ন্যূনতম ২৪০০ কেলরি এবং শহর অঞ্চলে দৈনিক জনমুরি ন্যূনতম ২১০০ কেলরি খাদ্য আহরণ করিতে না পারিলে একজন ব্যক্তিকে। দরিদ্র আখ্যা দেওয়া হয়। 

প্রশ্ন ৩। মুদ্রাস্ফীতি কাহাকে বলে? মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মূল পদ্ধতিগুলি আলোচনা কর। 

উত্তর : মুদ্রাক্ষীতি সম্পর্কে বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ বিভিন্ন সূত্র দিয়াছেন। এই সকল সংজ্ঞার মুদ্রাক্ষীতি বলিতে দ্রব্য এবং সেবার অবিরতভাবে সংঘটিত হওয়া মূল্যবৃদ্ধিকে বুঝায়। 

একটি দেশের মুদ্রাস্ফীতির নিয়ন্ত্রণের জন্য মূলতঃ তিনটি উপায় অবলম্বন করা হয়। নিম্নে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হইল : 

(ক) মুদ্রা সংক্রান্তীয় ব্যবস্থা : এই ব্যবস্থার দ্বারা দেশের ব্যাঙ্কসমূহের মূল নিয়ন্ত্রক কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্ক মুদ্রার যোগান নিয়ন্ত্রণ করিয়া বা দেশের বাণিজ্যিক ব্যাঙ্কসমূহর ঋণ প্রদানের ক্ষমতা হ্রাস করিয়া মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করিতে পারে।

(খ) রাজকোষীয় ব্যবস্থা : সরকার সরকারী ব্যয় হ্রাস করা, করের পরিমাণ বৃদ্ধি করা, জনসাধারণের নিকট হইতে ঋণ গ্রহণের দ্বারা তাহাদের ব্যয় ক্ষমতা হ্রাস করা, চলিত মুদ্রার যোগান হ্রাস করা এবং দেশীয় বাজারে বিদেশী দ্রব্যকে সস্তা করিয়া তোলা ইত্যাদি ব্যবস্থা গ্রহণের দ্বারা মুদ্রাস্ফীতিকে হ্রাস করা যায়। 

(গ) অন্যান্য ব্যবস্থাবলী : অন্যান্য ব্যবস্থাবলীর ভিতরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার পরিমাণ বৃদ্ধি করা, দর নিয়ন্ত্রণ ও উপভোগ্য দ্রব্যের সুবিতরণ করা ইত্যাদি প্রশাসনিক ব্যবস্থার দ্বারা মুদ্রাস্ফীতি রোধ করিতে পারা যায়। এই প্রশাসনিক ব্যবস্থার অন্তর্গত বিষয়গুলি হইল কালা বাজার রোধ করা, কর ফাঁকি রোধ করা ইত্যাদি। 

প্রশ্ন ৪। বেকার সমস্যা কাহাকে বলে? ইহা কত প্রকারের? এই সমস্যার মূল কারণগুলি আলোচনা কর। 

উত্তর : বেকারত্ব বলিতে দেশের প্রচলিত মজুরীতে উপযুক্ত এবং কর্মক্ষম লোকসকল যদি কাজ করিতে ইচ্ছুক হইয়াও কর্ম সংস্থান না পায় সাধারণত এইরূপ অবস্থাকেই বেকারত্ব বলিয়া গণ্য করা হয়। 

এই বিভিন্ন প্রকারের বেকারত্বগুলি হইল- 

(ক) সাধারণ বেকারত্ব : সাধারণ বেকারত্ব বলিতে কাজ করিতে ইচ্ছুক কিন্তু কাজ না পাওয়াকে বুঝায়। 

(খ) অর্ধবেকারত্ব ঃ এই ধরনের বেকারত্বে শ্রমিকের পূর্ণ ক্ষমতার ব্যবহার হয় না। অর্থাৎ একজন চিকিৎসক যদি ফার্মাসিস্টের কাজ করে তাহা হইলে এরূপ অবস্থায় তাহার কর্ম ক্ষমতার পূর্ণ বিকাশ হয় না। 

(গ) ছদ্মবেশী বেকারত্ব : ছদ্মবেশী বেকারত্ব বলিতে বিশেষভাবে কৃষিখণ্ডের সহিত জড়িত বেকারদের বুঝায়। কাজে নিয়োজিত হইয়া থাকিলেও কৃষিখণ্ডের এই অতিরিক্ত শ্রমিকদের উৎপাদন ক্ষমতা শূন্যর সমান। 

(ঘ) ঋতুগত বেকারত্ব : ঋতুগত বেকারত্ব বলিতে বৎসরের নির্দিষ্ট সময়ে বা ঋতুতে নিয়োজিত থাকিয়া বাকী সময়ে অনিয়োজিত হইয়া থাকা বেকার অবস্থাকে ঋতুগত বেকারত্ব বলা হয়।

(ঙ) চক্রাকার বেকার : সাধারণত শিল্প-উদ্যোগে দেশের অর্থব্যবস্থার নিয়মিতভাবে চক্রাকার গতিতে কয়েক বৎসর বস্তুর চাহিদা ও উৎপাদন অধিক হইবার পরে কয়েক বৎসব কম হয়। ইহাকে বাণিজ্য চক্র বলা হয়। এই বাণিজ্য চক্রের চাহিদা ও উৎপাদন হ্রাস পাইবার সময়ে অনেক লোক বেকার হইয়া যায়। ইহাকে চক্রাকার বেকার বলে। 

(চ) গাথনি সংক্রান্ত বেকার : নূতন বস্তুর উদ্ভাবন ও উৎপাদনের জন্য নুতন উদ্যোগ স্থাপিত হইবার সঙ্গে সঙ্গে পুরানো উদ্যোগগুলি লোপ পাইতে থাকে। অর্থ ব্যবস্থার এই পরিবর্তনকে গাঁথনিগত পরিবর্তন বলে এবং ইহার ফলে উদ্ভব হওয়া বেকার অবস্থাকে গাঁথনিগত বেকার অবস্থা বলে। যেমন- ধাতু ও প্রান্তিকের উৎপাদন ও ব্যবহারের ফলে বহু কুমার (কুম্ভকার) বা মৃৎশিল্পী বেকার হয়। 

(ছ) কারিগরী বেকার শিল্প উদ্যোগ ইত্যাদিতে উন্নত যন্ত্রপাতি বা কারিগরী কৌশল এবং কম্পিউটার যন্ত্রের প্রবর্তনের ফলে বহুশ্রমিক সময়ে সময়ে বেকার হয়। এই ধরনের বেকারকে কারিগরী বেকার বলে। 

(জ) শিক্ষিত বেকার : শিক্ষিত লোকদের অধিক সংখ্যক সরকারী বা বেসরকারী খণ্ডের কোন প্রতিষ্ঠান বা কার্যালয়ে নিয়মিত মজুরীতে কাজ করিতে চায়। কিন্তু সেই ধরনের কাজের সুযোগের তুলনায় ঐ ধরনের কাজ চাওয়া শিক্ষিতের সংখ্যা অধিক হইবার জন্য তাহাদের অনেকেই বেকার হইয়া থাকে। এই ধরনের লোককে শিক্ষিত বেকার বলে। 

(ঝ) অশিক্ষিত বেকার : সাধারণত প্রবেশিকা বা হাইস্কুল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া এবং কোন ধরনের কারিগরী প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত লোককে সাধারণ শিক্ষিত বলিয়া গণ্য করা হয়। এই ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকা লোককে অশিক্ষিত বলা হয়। যে সকল অশিক্ষিত লোক বেকার হইয়া থাকে তাহাদিগকে অশিক্ষিত বেকার বলে। 

(ঞ) গ্রাম্যবেকার : গ্রামে বসবাসকারী বেকার লোকদের গ্রাম্য বেকার বলা হয়। তাহাদের অনেকেই ছদ্মবেশী বেকার ও শিক্ষিত বেকার আছে। 

(ট) পৌর বেকার : নগরে যে সকল লোক বাস করে তাহাদিগকে পৌর বেকার বলে। তাহাদের অনেকেই শিক্ষিত বেকার ও অন্য প্রকারের বেকার লোকও আছে। 

বেকার সমস্যার প্রধান কারণগুলি নিম্নে আলোচনা করা হইল :

(ক) অনুন্নত অর্থনীতি ঃ একটি দেশের অনুন্নত অর্থনীতি বেকার সমস্যার এক উল্লেখযোগ্য কারণ। কারণ এই ধরনের অর্থনীতিতে প্রাকৃতিক ও মানব সম্পদের সদ্বব্যবহার হয় না। এই প্রকারের অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক কার্যকলাপের বেশীর ভাগই কৃষিখণ্ডকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। কিন্তু কৃষিখণ্ডকে আধুনিক ঔদ্যোগিক খণ্ডের বিকাশ নিম্ন হইবার ফলে এই খণ্ডকে অধিক নিয়োগের বিশেষ কোন সুবিধা প্রদান করিতে পারে না। 

(খ) পরিকল্পিত নিয়োগ ব্যবস্থার অভাব : পরিকল্পিত নিয়োগ ব্যবস্থার অভাবও বেকার সমস্যা উদ্ভবের জন্য দায়ী। কারণ ভারতবর্ষে চতুর্থ পরিকল্পনার পরে নিয়োগের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হইয়াছে। তদুপরি বিভিন্ন উৎপাদনের মধ্যে মানব সম্পদের প্রয়োজনীয়তা ও যোগানের ভারসাম্যর অভাব। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে অসমানুপাতিক মানব সম্পদের বিতরণ ইত্যাদির জন্যও বেকার সমস্যার সৃষ্টি হইতে পারে। 

(গ) দ্রুত জনসংখ্যা বৃদ্ধি : বেকার সমস্যার জন্য একটি উল্লেখযোগ্য কারণ হইল জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধি। জনসংখ্যার দ্রুত বৃদ্ধির ফলে একদিকে অতিরিক্ত শ্রমের সৃষ্টি করে অন্যদিকে ইহা সম্পদের পরিমাণ হ্রাস করার সঙ্গে সঙ্গে মূলধন গঠনের প্রক্রিয়াও ক্ষতিগ্রস্ত করে। ইহার ফলে বেকার সমস্যা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। 

প্রশ্ন ৫। সংক্ষিপ্ত টীকা লিখ : 

(ক) ঋতুগত বেকারত্ব : ঋতুগত বেকারত্ব বলিতে বৎসরের নির্দিষ্ট সময়ে বা ঋতুতে নিয়োজিত থাকিয়া বাকী সময়ে অনিয়োজিত হইয়া থাকা বেকার অবস্থাকে ঋতুগত বেকারত্ব বলা হয়। 

(খ) চাহিদাজনতি এবং ব্যয়জনিত মুদ্রাস্ফীতি : চাহিদাজনিত মুদ্রাস্ফীতি হইল জনসাধারণের যখন দ্রব্য বা সেবার প্রতি চাহিদা অধিক বৃদ্ধি পায় এবং সেই অনুপাতে দ্রব্য এবং সেবার যোগান বৃদ্ধি না পায়, তাহাকে চাহিদাজনিত মুদ্রাস্ফীতি বলে। এই অবস্থায় মানুষের হাতে অধিক মুদ্রা বা ক্রয়ক্ষমতা থাকে এবং বাজারে উপলব্ধ কম পরিমাণের সামগ্রী বা বস্তু এবং সেবার প্রতি চাহিদা বাঢ়িয়া যায়। ইহার ফলে, দ্রব্য এবং সেবাগুলির মূল্য বৃদ্ধি পায় এবং এমন করিয়া মুদ্রাস্ফীতির সৃষ্টি হয়।

(গ) বহনক্ষম উন্নয়ন : বর্তমান সময়ে বহনক্ষম উন্নয়ন ব্যবস্থা বিশেষ গুরুত্ব পাইয়াছে। যেহেতু বিশ্বের রাষ্ট্রগুলির মধ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য যে অঘোষিত প্রতিযোগিতা চলিয়াছে, সেটা প্রাকৃতিক সত্তলন এবং পরিবেশের ধ্বংসযজ্ঞ চালাইয়াছে। গোলকীয় উষ্ণতা বৃদ্ধি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলিয়া দিয়াছে। জৈব বৈচিত্র্যের ধ্বংস এবং জলবায়ুর সঘন পরিবর্তনে অশনি সংকটের জাননী দিয়াছে। তাই বহনক্ষম উন্নয়নের দ্বারা কোন ধরণের ধ্বংস না করিয়া ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কোন অনিষ্ট না করিয়া উন্নয়নের ধারা বাহাল রাখাটা গ্রহণীয়।. 

(ঘ) সবুজ অর্থনীতি : বহনক্ষম উন্নয়ন যেভাবে প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস না করিয়া এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কোন ধরণের ক্ষতি না করিয়া উন্নয়নমূলক কাজ করিতে বদ্ধপরিকর, ঠিক তেমনি সবুজ অর্থনীতিও অনুরূপ লক্ষ্য সামনে রাখিয়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন চায়। এই ধরণের অর্থনীতিকে সবুজ অর্থনীতি বলে। এই সবুজ অর্থনীতির মূলমন্ত্র হইল Think Globally, but Act Locally | 

(ঙ) মুক্ত এবং দমিত মুদ্রাস্ফীতি : মুদ্রাস্ফীতি দুই ধরণে হইতে পারে, যেমন— মুক্ত এবং দমিত মুদ্রাস্ফীতি। যখন দ্রব্য বা সামগ্রীর মূল্যের উপরে কোনো ধরণের নিয়ন্ত্রণ থাকেনা যার জন্য মূল্য অবাধে এবং অবিরতভাবে বৃদ্ধি হইয়া থাকে তাহাকে মুক্ত মুদ্রাস্ফীতি বলা হয়। 

অন্যদিকে রাষ্ট্র যখন মুদ্রাস্ফীতির দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত হয় তখন সরকার প্রত্যক্ষ ব্যবস্থার দ্বারা রাজহুয়া বিতরণ, সরকারীভাবে দ্রব্যের মূল্য নির্ধারণ আদির দ্বারা মূল্য স্তর নিয়ন্ত্রণ করে যার জন্য মুদ্রাস্ফীতির স্তর বৃদ্ধির পরিমাণ হ্রাস হয়, তাহাকে দমিত মুদ্রাস্ফীতি বলে। | 

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর 

প্রশ্ন ১। একসঙ্গে দরস্তর বৃদ্ধি হওয়া অবস্থাকে কি বলে ? 

উত্তর : একসঙ্গে দরস্তর বৃদ্ধি হওয়া অবস্থাকে মুদ্রাস্ফীতি বলে। 

প্রশ্ন ২। ভারতের সবচাইতে জনবহুল প্রদেশ কোনটি? 

উত্তর : ভারতের সবচাইতে জনবহুল প্রদেশটি হইল উত্তরপ্রদেশ।

প্রশ্ন ৩। মুদ্রাস্ফীতির ফলে সবচাইতে কোন শ্রেণি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ? 

উত্তর : মুদ্রাস্ফীতির ফলে সবচাইতে বেতনভোগী শ্রেণিটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। 

প্রশ্ন ৪। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নয়ন বিঘ্নিত না করিয়া বর্তমান প্রজন্ম যে উন্নয়ন করিতে পারে তাহাকে কি বলে? 

উত্তর : ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নয়ন বিঘ্নিত না করিয়া বর্তমান প্রজন্ম যে উন্নয়ন করিতে পারে তাহাকে বহনক্ষম উন্নয়ন বলে। 

প্রশ্ন ৫। পরিবেশ এবং পরিস্থিতির প্রতি থাকা ভাবুকিসমূহ দূর করিতে বহনক্ষম উন্নয়নে লাভ করিতে চাওয়া অর্থনীতিকে কি বলে? 

উত্তর : পরিবেশ এবং পরিস্থিতির প্রতি থাকা ভাবুকিসমূহ দূর করিতে বহনক্ষম উন্নয়নে লাভ করিতে চাওয়া অর্থনীতিকে সবুজ অর্থনীতি বলে। 

প্রশ্ন ৬। কোন পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় দরিদ্রতা নির্মূলকরণকে ভারত লক্ষ্য  হিসাবে গ্রহণ করিয়াছিল ?

উত্তর : ১৯৭৪-১৯৭৯ সালের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় দরিদ্রতা নির্মূলকরণকে ? ভারত লক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করিয়াছিল। 

প্রশ্ন ৭। দরিদ্রতার উপরে রঙ্গরাজন রাষ্ট্রীয় প্রতিবেদনটি করে দাখিল করা হইয়াছিল ? 

উত্তর : ২০১৪ সালে দরিদ্রতার উপরে রঙ্গরাজন রাষ্ট্রীয় প্রতিবেদনটি দাখিল করা হইয়াছিল। 

প্রশ্ন ৮। শূন্যস্থান পূর্ণ কর : 

(ক) মুদ্রাস্ফীতির ফলে সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় —— সকল। 

উত্তর : মুদ্রাস্ফীতির ফলে সবচাইতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেতনভোগীসকল। 

(খ) ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নয়ন ব্যাহত না করিয়া বর্তমান প্রজন্ম যে উন্নয়ন করে তাহাকে_____ উন্নয়ন বলে। 

উত্তর : ভবিষ্যৎ প্রজন্মের উন্নয়ন ব্যাহত না করিয়া বর্তমান প্রজন্ম যে উন্নয়ন করে। তাহাকে বহনক্ষম উন্নয়ন বলে। 

(গ) গ্রাম অঞ্চলের লোকের দৈনিক জনমূরি নিম্নতম_____ কেল রি হইতে হয়।

উত্তর : গ্রাম অঞ্চলের লোকের দৈনিক জনমূরি নিম্নতম ২৪০০ কেলরি হইতে হয়। 

(ঘ) শহর অঞ্চলের লোকের দৈনিক জনমুরি নিম্নতম ____কেল ‘রি হইতে হয়।

উত্তর : শহর অঞ্চলের লোকের দৈনিক জনমুরি নিম্নতম ২১০০ কেলারি হইতে হয়। 

(ঙ) কেলরির ভিত্তিতে দরিদ্রতার সীমারেখা পদ্ধতিটি ভারতে ____ প্রদান করিয়াছিল। 

উত্তর : কেলরির ভিত্তিতে দরিদ্রতার সীমারেখা পদ্ধতিটি ভারতে পরিকল্পনা আয়োগে প্রদান করিয়াছিল। 

(চ)_____ পরিকল্পনাতে সর্বপ্রথমে ১৯৭৮-৭৯ কালে দরিদ্রতা নির্মূলের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা হইয়াছিল। 

উত্তর : পঞ্চম পরিকল্পনাতে সর্বপ্রথমে ১৯৭৮-৭৯ কালে দরিদ্রতা নির্মূলের জন্য লক্ষ্য নির্ধারণ করা হইয়াছিল। 

(ছ) ২০১১ সালের রঙ্গরাজন সমিতির প্রতিবেদন মতে ভারতের জনসংখ্যার _____লোক দরিদ্র সীমারেখার নীচে আছে। 

উত্তর : ২০১১ সালের রঙ্গরাজন সমিতির প্রতিবেদন মতে ভারতের জনসংখ্যার ২৯.৫ শতাংশ লোক দরিদ্র সীমারেখার নীচে আছে। 

(জ) ২০০৯ সালের টেন্ডুলকার প্রতিবেদন মতে ভারতের জনসংখ্যার ______লোক দরিদ্র সীমারেখার নীচে ছিল। 

উত্তর : ২০০৯ সালের টেন্ডুলকার প্রতিবেদন মতে ভারতের জনসংখ্যার ২৯.৮ শতাংশ লোক দরিদ্র সীমারেখার নীচে ছিল। 

(ঝ) ২০১২ সালের রঙ্গরাজনের প্রতিবেদন মতে অসমের মোট জনসংখ্যার _____শতাংশ লোক দরিদ্র সীমারেখার নীচে আছে। 

উত্তর : ২০১২ সালের রঙ্গরাজনের প্রতিবেদন মতে অসমের মোট জনসংখ্যার ৪০-৯ শতাংশ লোক দরিদ্র সীমারেখার নীচে আছে। 

(ঞ) মোট জনসংখ্যা ৬৪,৪২৯ জনের ভারতের সর্বনিম্ন জনসংখ্যার প্রদেশটি হইল _____।

উত্তর : মোট জনসংখ্যা ৬৪, ৪২১ জনের ভারতের সর্বনিম্ন জনসংখ্যার প্রদেশি হইল লাক্ষাদ্বীপ। 

(ট) প্রতি বর্গ কিল মিটারে ভারতের জনসংখ্যার ঘনত্ব হইল____ জন। 

উত্তর : প্রতি বর্গ কিল মিটারে ভারতের জনসংখ্যার ঘনত্ব হইল  জন। 

(ঠ) লিঙ্গ অনুপাতে কেরালায় _____জন মহিলা সর্বাধিক এবং হারিয়ানায়_____ জন মহিলা সর্বনিম্ন স্তরে আছে। 

উত্তর ঃ লিঙ্গ অনুপাতে কেরালায় ১০৮৪ জন মহিলা সর্বাধিক এবং হারিয়ানায় ৮৭৭ জন মহিলা সর্বনিম্ন স্তরে আছে। 

(ড) অসমের লিঙ্গ অনুপাত হইল ____জন। 

উত্তর : অসমের লিঙ্গ অনুপাত হইল ৯৫৪ জন। 

(ঢ) অ-সংগঠিত বা অ-বিধিবদ্ধ খণ্ডে শ্রমিকের সংখ্যা_____ জন হইতে কম। 

উত্তর : অ-সংগঠিত বা অ-বিধিবদ্ধ খণ্ডে শ্রমিকের সংখ্যা ১০ জন হইতে কম। 

(ণ) ২০১১ সালের লোকপিয়ল মতে ২,১৩,৫২৯ জন লোকের অসমের _______জেলা সবচাইতে সর্বনিম্ন জনসংখ্যা থাকা জেলা। 

উত্তর ঃ ২০১১ সালের লোকপিয়ল মতে ২,১৩,৫২৯ জন লোকের অসমের তিমা হাচাও জেলা সবচাইতে সর্বনিম্ন জনসংখ্যা থাকা জেলা। 

Sl.No.Chapters name
ইতিহাস
Chapter 1ভারতবর্ষে ইউরোপীয়দের আগমন
Chapter 2ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উন্মেষণ
Chapter 3মোয়ামারীয়া গণবিদ্রোহ
Chapter 4মানের অসম আক্ৰমণ
Chapter 5আসামে ব্রিটিশ প্রশাসনের আরম্ভণি
Chapter 6বিয়াল্লিশের শোণিতপুরের শহীদ
ভূগোল
Chapter 1ভূ-পৃষ্ঠের পরিবর্তন
Chapter 2বায়ুমণ্ডল : গঠন, বায়ুর চাপ ও বায়ুপ্রবাহ
Chapter 3ভারতবর্ষের ভূগোল
Chapter 4অসমের ভূগোল
রাজনীতি বিজ্ঞান
Chapter 1ভারতের রাজনৈতিক দল
Chapter 2সরকারের প্রকার বা শ্রেণিবিভাগ
অর্থনীতি বিজ্ঞান
Chapter 1অর্থনীতির মৌলিক বিষয়সমূহ
Chapter 2মূল অর্থনৈতিক সমস্যাসমূহ

প্রশ্ন ৯। শুদ্ধ উত্তরটি বাছিয়া লিখ : 

(ক) Poverty and Un British Rule in India গ্রন্থটির লেখক ছিলেন— 

(ক) মহাত্মা গান্ধী 

(খ) জওয়াহরলাল নেহরু

(গ) দাদাভাই নৌরজী 

(ঘ) লালা লাজপত রায় 

উত্তর : (গ) দাদভাই নৌরজী

(খ) বিশ্বের মোট মাটিকালির কত শতাংশ ভারতে আছে? 

(ক) ২.৪% 

(খ) ২৪%

(গ) ৪.২%

(ঘ) ৪২%

উত্তর : (ক) ২.৪% 

(গ) বিশ্বের মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ ভারতে আছে? 

(ক) 29.5% 

(খ) ১৭.৫% 

(গ) ১৫.৫% 

 (ঘ) ১৮৫%

উত্তর : (খ) ১৭-৫%

(ঘ) অসমের সবচাইতে বেশি জনসংখ্যা থাকা জেলা কোনটি? 

(ক) কামরূপ 

(খ) ধুবড়ী 

(গ) নগাঁও

(ঘ) মরিগাঁও 

উত্তর : (গ) নগাঁও 

(ঙ) ভারতের সবচাইতে বেশি জনসংখ্যার ঘনত্ব থাকা রাজ্য কোনটি? 

(ক) বিহার 

(খ) পশ্চিমবঙ্গ 

(গ) উত্তরপ্রদেশ 

(ঘ) অসম 

উত্তর : (খ) পশ্চিমবঙ্গ 

(চ) অসমের জনসংখ্যার ঘনত্ব কত ? 

(ক) ১০২৯ 

(খ) ৩৯৭ 

(গ) ২০১০ 

(ঘ) ৩৯০ 

উত্তর : ৩৯৭ 

(ছ) অসমের লিঙ্গ অনুপাত কত? 

(ক) ১৪০ 

(খ) ৯৫৪ 

(গ) ১২২ 

(ঘ) ৯৬০ 

উত্তর : (খ) ১৫৪ 

(জ) অসমের জনসংখ্যা অতিপাত বৃদ্ধিতে কোন বিদেশী রাষ্ট্র প্রভাব বিস্তার করিয়াছে? 

(ক) নেপাল 

(খ) ম্যানমার 

(গ) বাংলাদেশ 

(ঘ) পাকিস্থান 

উত্তর : (গ) বাংলাদেশ 

(ঝ) ভারতের সংগঠিত- খণ্ডে নিয়োগ করা শ্রমিকের সংখ্যা কত? 

(ক) ১০ জন হইতে কম 

(খ) ১০ জন বা ততোধিক

(গ) ৫ জন হইতে কম 

(ঘ) ৫ জন বা ততোধিক 

উত্তর : (খ) ১০ জন বা ততোধিক 

(ঞ) মুদ্রাস্ফীতির ফলে কোন শ্রেণির লোক সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়? 

(ক) ব্যবসায়ী 

(খ) বেতনভোগী শ্রেণি 

(গ) বেকার শ্রেণি 

(ঘ) শিক্ষক শ্রেণি 

উত্তর : (খ) বেতনভোগী শ্রেণী 

Leave a Reply