SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Science Economics| Chapter-1| অর্থনীতির মৌলিক বিষয়সমূহ

SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Science Economics| Chapter-1| অর্থনীতির মৌলিক বিষয়সমূহ প্রশ্নের উত্তর SEBA, এনসিইআরটি ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান মৌচাক এবং মুহূর্তগুলির জন্য সমাধান, ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান নোটগুলি পরীক্ষায় দক্ষতার জন্য অনেক মূল্যবান হতে পারে। আসাম বোর্ড ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান সমাধানে আপনাকে সমস্ত অধ্যায় সম্পর্কে আরও ভাল জ্ঞান দেয়। আপনি মৌলিক এবং উন্নত উভয় স্তরের প্রশ্নের সমাধান পেতে পারেন। আপনার বোর্ড পরীক্ষায় পারদর্শী হওয়ার অন্যতম সেরা উপায় হল অনুশীলন করা।

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (ASSAMESE MEDIUM)

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (BANGLA MEDIUM)

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (ENGLISH MEDIUM)

SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Science Economics| Chapter-1| অর্থনীতির মৌলিক বিষয়সমূহ

এছাড়াও, আপনি SCERT (CBSE) বইয়ের নির্দেশিকা অনুসারে বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা সমাধান এই বিভাগগুলিতে অনলাইনে SEBA বই পড়তে পারেন৷ এখানে আমরা SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Science Economics| Chapter-1| অর্থনীতির মৌলিক বিষয়সমূহ দিয়েছি সব বিষয়ের জন্য বাংলা সমাধান, আপনি এখানে অনুশীলন করতে পারেন।

পাঠ ১ 

পাঠ্যভিত্তিক প্রশ্নোত্তর | 

অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্ন 

প্রশ্ন ১। অর্থনীতি শব্দটি কোন ভাষার শব্দ হইতে আনা হইয়াছে? 

উত্তর : অর্থনীতি শব্দটি গ্রিক ভাষার শব্দ হইতে আনা হইয়াছে। 

প্রশ্ন ২। অর্থনীতি শব্দটি কোন শব্দ হইতে লওয়া হইয়াছে? 

উত্তর : অর্থনীতি শব্দটি গ্রিক ভাষার ‘অইকনমিয়া’ শব্দ হইতে লওয়া হইয়াছে। 

প্রশ্ন ৩। অর্থবিজ্ঞানের পিতৃস্বরূপ কে? 

উত্তর : অর্থবিজ্ঞানের পিতৃস্বরূপ হইল এডাম স্মিথ। 

প্রশ্ন ৪। অর্থবিজ্ঞানের সম্পদভিত্তিক সংজ্ঞা কে প্রদান করিয়াছিলেন? 

উত্তর : এডাম স্মিথে অর্থবিজ্ঞানের সম্পদভিত্তিক সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছিলেন। 

প্রশ্ন ৫। অর্থবিজ্ঞানের কল্যাণভিত্তিক সংজ্ঞা কে প্রদান করিয়াছিলেন? 

উত্তর : আলফ্রেড মার্কেল অর্থবিজ্ঞানের কল্যাণভিত্তিক সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছিলেন। 

প্রশ্ন ৬। অর্থবিজ্ঞানের দুষ্প্রাপ্যতার সংজ্ঞাটি কে প্রদান করিয়াছিলেন? 

উত্তৰ : লায়নেল রবিদে অর্থবিজ্ঞানের দুষ্প্রাপ্যতার সংজ্ঞাটি প্রদান করিয়াছিলেন। 

প্রশ্ন ৭। এডাম স্মিথে কোন গ্রন্থে এবং কবে অর্থনীতির সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছিলেন? 

উত্তর : এডাম স্মিথ ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত গ্রন্থ An Enquiry into the Nature and Causes of the Wealth of Nation গ্রন্থে অর্থনীতির সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছিলেন। 

প্রশ্ন ৮। আলফ্রেড মার্ছেল কোন গ্রন্থে এবং কবে অর্থনীতির সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছিলেন? 

উত্তর : আলফ্রেড মার্সেল ১৮৯০ সালে প্রকাশিত Principles of Economics নামের গ্রন্থে অর্থনীতির সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছিলেন। 

প্রশ্ন ৯। লায় নৈল রবিন্স কোন গ্রন্থে এবং কবে অর্থনীতির সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছিলেন? 

উত্তর : লায়নেল রবিন্স ১৯৩২ সালে প্রকাশিত An Eassay on the Nature and Significance of Economic Science নামের গ্রন্থে অর্থনীতির সংজ্ঞা প্র করিয়াছিলেন। 

প্রশ্ন ১০। এডাম স্মিথের সংজ্ঞাটিকে যক্ষের বাণী বলিয়া কে বলিয়াছিলেন? 

উত্তর : এডাম স্মিথের সংজ্ঞাটিতে কালছিল এবং রাজিন যক্ষের বাণী বলিয়া বলিয়াছিলেন। 

প্রশ্ন ১১। দক্ষতার উপরে গুরুত্ব দিয়া কে অর্থনীতির সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছে? 

উত্তর : দক্ষতার উপরে গুরুত্ব দিয়া ছেমুয়েলাছন এবং নর্বহাসে অর্থনীতির সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছে। 

প্রশ্ন ১২। কোনো বস্তুর মানুষের অভাব পূরণ করিতে পারা ক্ষমতাকে কি বলা হয়? 

উত্তর : কোনো বস্তুর মানুষের অভাব পূরণ করিতে পারা ক্ষমতাকে উপযোগিতা বলা হয়। 

প্রশ্ন ১৩। উৎপাদনের উৎপাদিত আহিলাকে কি বলা হয় ? 

উত্তর : উৎপাদনের উৎপাদিত আহিলাকে উৎপানক বস্তু বা অন্তবর্তী সামগ্ৰী বলা হয়। 

প্রশ্ন ১৪। ‘Micros’ এবং ‘Macros’ শব্দ দুইটি কোন দুইটি শব্দ হইতে লওয়া হইয়াছে? 

উত্তর : ‘Micros’ এবং ‘Macros’ এই দুইটি গ্রিক শব্দ হইতে লওয়া হইয়াছে। 

সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্ন: 

প্রশ্ন ১। এডাম স্মিথের অর্থবিজ্ঞানের সংজ্ঞাটি লিখ। 

উত্তর : এডাম স্মিথ অর্থবিজ্ঞানকে ‘সম্পদের বিজ্ঞান’ বলিয়া অভিহিত করিয়াছে। 

প্রশ্ন ২। মার্চেলের অর্থবিজ্ঞানের সংজ্ঞাটি লিখ। 

উত্তর : আলফ্রেড মার্ছেল অর্থবিজ্ঞানকে মানব কল্যাণের আধারে মানব জাতির দৈনন্দিন জীবনের কার্যাবলী অধ্যয়নেই অর্থনীতি’ বলিয়া উল্লেখ করিয়াছে।

প্রশ্ন ৩। রবিন্সের অর্থবিজ্ঞানের সংজ্ঞাটি লিখ । 

উত্তর : লায়নেল রবিন্স অর্থবিজ্ঞানের সংজ্ঞা এই বলিয়া নিয়াছিল যে বিজ্ঞান মানুষের আচরণকে মানুষের অপরিসীম আশা (লক্ষা) এবং ইহার বিপরীতে বিকল্পভাবে ব্যবহার করিতে পারা সীমিত সম্পদের (উপায়) মধ্যের সম্পর্ক হিসাবে অধ্যয়ন করে তাহাকে অর্থনীতি বলে। 

প্রশ্ন ৪। ছেমুয়েলছন এবং নদহাসের অর্থবিজ্ঞানের সংজ্ঞাটি লিখ। 

উত্তর : ছেমুয়েলছন এবং নর্দহাসের মতে অর্থবিজ্ঞান হইল “দুষ্প্রাপাতার বাস্তবিকতাকে স্বীকার করিয়া লইয়া সম্পদরাজির সর্বোত্তম দক্ষতাপূর্ণ ব্যবহারের জন্য সমাজ গঠন করাটাই হইল অর্থনীতির মূল বিষয়”। 

প্রশ্ন ৫। রবিলের অর্থবিজ্ঞানের সংজ্ঞাটির মৌলিক ধারণাকয়টি কি কি? 

উত্তর : লায়নেল রবিন্সের অর্থবিজ্ঞানের সংজ্ঞাটিতে উল্লেখ করা মূল তিনটি ধারণা হইল—(ক) মানুষের অভাব অসীম (খ) অভাব পূরণের উপায় সীমিত এবং (গ) সীমিত সম্পদগুলি বিকল্প ব্যবহারযোগ্য। 

প্রশ্ন ৬। ব্যষ্টিবাদী অর্থবিজ্ঞান কাহাকে বলে ? 

উত্তর : ব্যষ্টিবাদী (Micro) অর্থনীতি বা অর্থবিজ্ঞানে ব্যক্তি বা ব্যক্তিগত প্রতিষ্ঠানের অর্থনৈতিক আচরণগুলি পৃথকভাবে আলোচনা করে। 

প্রশ্ন ৭। সমষ্টিবাদী অর্থবিজ্ঞান কাহাকে বলে ? 

উত্তর : সমষ্টিবাদী অর্থবিজ্ঞান হইল যখন একটি রাষ্ট্রের অর্থনীতির সামগ্রিক আচরণ অর্থাৎ সকল ভোক্তা-উপভোক্তা আদির আচরণের অধ্যয়ন করাকে সমষ্টিবাদী অর্থবিজ্ঞা বলে। 

প্রশ্ন ৮। আর্থিক বস্তু এবং অন্য-আর্থিক বস্তুর পার্থক্য লিখ। 

 উত্তর : আর্থিক বস্তুগুলির যোগান চাহিদা হইতে সীমিত। তাই এইসব বস্তুর নাম বা মূলা থাকে। যেমন—বিদ্যুতের আলোক, খাদ্য, বস্ত্র ইত্যাদি। অন্যদিকে অনা-আর্থিক বা মুক্ত বস্তুগুলি প্রকৃতির মুক্ত দান হিসাবে পাওয়া যায়। যেমন—সূর্যের আলো, বাতাস, বৃষ্টি ইত্যাদি। এই বস্তুগুলি চাহিদা অনুযায়ী পাওয়া যায় জন্য ইহাকে মূল্য দিয়া কিনিবার প্রয়োজন হয় না। 

প্রশ্ন ৯। রাষ্ট্রীয় আয় কাহাকে বলে? 

উত্তর ঃ একটি রাষ্ট্রের একটি নির্দিষ্ট বিত্তীয় বৎসরে যে প্রস্তুত দ্রব্য বা সেবা সামগ্রী উৎপাদন করা হয় তার মুদ্রা মূল্যই হইল রাষ্ট্রীয় আয়।

প্রশ্ন ১০। জনমূরি আয়ের সূত্রটি লিখ। 

উত্তর : একটি রাষ্ট্রের মোট রাষ্ট্রীর আয়কে রাষ্ট্রটির জনসংখ্যার দ্বারা ভাগ করিলে যে মান পাওয়া যায় তাহাকে রাষ্ট্রটির জনমুরি আয় বলা হয়। 

দীর্ঘ উত্তরের প্রশ্ন : 

প্রশ্ন ১। অর্থবিজ্ঞান অধ্যয়নের প্রয়োজনীয়তা উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর : অর্থবিজ্ঞান মানুষের অর্থনৈতিক দিকের কথা আলোচনা করে। রাজনৈতিক দিকের মতোই মানুষের অর্থনৈতিক নিকও সমানেই গুরুত্বপূর্ণ বলিতে পারি। তাই, মানুষের অর্থনৈতিক ধারণা থাকাটা নিতান্তই আবশ্যক। রাষ্ট্রের অর্থনীতির সঙ্গে ব্যক্তিগত মানুষের অর্থনৈতিক দিকটি নিবিড়ভাবে জড়াইয়া আছে। রাষ্ট্র জনসাধারণ হইতে কর-কাটল বসাইয়া রাজহ সংগ্রহ করে এবং সেই রাজহের ধন রাষ্ট্রের উন্নয়নমূলক কাজে এবং জনসাধারণের সুবিধার্থে কতগুলি জনহিতকর কাজে খরচ করে। সুতরাং ইহার খুঁটি-নাটি জনসাধারণ অর্থবিজ্ঞানের ধারা জানিতে পারে। 

এছাড়াও, ক্রেতা এবং বিক্রেতা হিসাবে জনসাধারণ বাজারের আও ভাও জানা প্রয়োজন। বস্তুর চাহিদা, দাম বা মূলা, টাকার মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে বস্তুর উৎপাদনের সম্পর্ক আদি জানাটাও খুব দরকার। বিশেষ করিয়া, বর্তমান সময়ের গোলকীয় অর্থনীতিতে রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক বাজার কিভাবে আন্তঃরাষ্ট্রীয় বাজারের সঙ্গে যুক্ত হইয়া পরিয়াছে সেটা জানাটা খুবই দরকার হইয়া পরিয়াছে। 

অন্যদিকে প্রতিটি ব্যক্তিই উৎপাদনের সঙ্গে জড়িত হওয়াটা যে রাষ্ট্রের অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত জরুরী, সেটা অর্থবিজ্ঞানের শিক্ষার দ্বারা হৃদয়ঙ্গম করিতে পারা যায়। দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত বস্তুগুলির মূল্য কেন বৃদ্ধি হয়, বস্তুর কৃত্রিম অভাব কেন হয় ইত্যাদি কারণগুলির বাস্তবসম্মত কারণ জানিতে অর্থবিজ্ঞানের সম্যক জ্ঞান থাকাটা খুবই আবশ্যক। 

রাষ্ট্রের জনসংখ্যার সঙ্গে উন্নয়নের কি সম্পর্ক, অথবা উৎপাদনমুখী জনসাধারণ কিভাবে রাষ্ট্রের অর্থনীতিতে অবদান যোগাইতে পারে তার জ্ঞান অর্থবিজ্ঞানে পাইতে পারি। রাষ্ট্রের বৃহৎ জনসংখ্যা যদি উৎপাদন কার্যে আত্মনিয়োগ না করিয়া কেবল উপভোক্তাই হইতে চায় তাহা হইলে সেই রাষ্ট্র চিরদিন আন্তর্জাতিক বাজারে চিরন্তণী হইয়া থাকিবে। রাষ্ট্রের মারিরা অথবা উন্নয়নের মূলে রাষ্ট্রের জনসাধারণের অর্থনৈতিক ভূমিকা এবং অর্থনীতি যে জড়িত হইয়া আছে সেটা অর্থবিজ্ঞানৰ শিক্ষা হইতেই লাভ করিতে পারি।

প্রশ্ন ২। অর্থবিজ্ঞানের কোন সংজ্ঞাটি সবচেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য এবং কেন? ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর : অর্থবিজ্ঞান কি তাহা বুঝাইতে গিয়া বিশ্বের বহু অর্থনীতিবিদ ইহার সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছে। প্রতিটি সংজ্ঞাই অর্থনীতি বিজ্ঞানের একটি সম্যক ধারণা দিতে সমর্থ হইয়াছে যদিও কোন একটি বিশেষ সংজ্ঞাকে সবচাইতে বেশি গ্রহণযোগ্য বলিয়া আখ্যা দেওয়া যায় না। এই সংজ্ঞাগুলি অর্থনীতির এক আংশিক ধারণাহে দিতে পারে যে কারণে প্রত্যেকটি সংজ্ঞাই সমালোচনার সম্মুখীন হইয়াছে। উদাহরণস্বরূপে এডাম স্মিথকে অর্থবিজ্ঞানের পিতৃরূপে গণ্য করা হয়। কিন্তু ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত তাহার An Enquiry into the Nature and Causes of the Wealth of Nature নামের গ্রন্থে অর্থবিজ্ঞানক ‘সম্পদের বিজ্ঞান’ (Economics is the science of wealth) বলিয়া যে সংজ্ঞা প্রদান। করা হইয়াছিল পরবর্তী কালের অর্থনীতিবিদ কার্লাইল এবং রাস্কিন তাহাকে ‘যক্ষ বাণী’ বলিয়া কঠোর সমালোচনা করিয়াছে। 

ইহার পর ১৮৯০ সালে প্রকাশিত গ্রন্থ Principles of Economics-এ কেম্ব্রিজের অর্থনীতিবিদ মার্ছেল তাহার অর্থনীতির কল্যাণভিত্তিক সংজ্ঞাটি প্রদান করিয়াছে এবং এই বলিয়া উল্লেখ করিয়াছে যে মানব জাতির দৈনন্দিন জীবনের কার্যাবলীৰ অধ্যয়নেই হৈছে অর্থনীতি। কিন্তু মার্কেলের এই সংজ্ঞাটিও গ্রহণযোগ্যতার আখ্যা পায় নাই। 

১৯৩২ সালে প্রকাশিত প্রসিদ্ধ অর্থনীতিবিদ লায়’নেল রবিন্দ তাহার An Essay on the Nature and Significance of Economic Science-এ অর্থবিজ্ঞানের যে সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছে সেটা বর্তমান পর্যন্ত সবচাইতে গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞা হিসাবে বিবেচিত হইয়াছে। তিনি অর্থবিজ্ঞানের সংজ্ঞা এই বলিয়া দিয়াছিল যে “যি বিজ্ঞান মানুষের আচরণকে মানুষের অপরিসীম আশা (লক্ষ্য) এবং ইহার বিপরীতে বিকল্পভাবে ব্যবহার করিতে পারা সীমিত সম্পদের (উপায়) মধ্যের সম্পর্ক হিসাবে অধ্যয়ন করে তাহাকেই অর্থনীতি বোলে”। লায় নেল রবিন্সের সংজ্ঞাটিতে থাকা নীচের এই তিনটি চিরন্তন সত্যের জন্যই তাঁহার সংজ্ঞাটির গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাইয়াছে বলিতে পারি— 

(ক) মানুষের অভাবের সীমা নাই—এটা চিন্তন সত্য যে, মানুষ সর্বদাই অসন্তুষ্ট যার অভাবের সীমা-সংখ্যা নাই। একটি দূর হইলে অন্য কিছু অভাবে দেখা দেয়। 

(খ) অভাব পূরণের উপায়গুলি সীমিত—মানুষের অভাব পুরণের যেসব উপায় আছে, সেইগুলি সীমিত হওয়া দেখা যায়।

(গ) সীমিত সম্পদগুলির বিকল্প ব্যবহারযোগ্যতা থাকে। সম্পূনগুলির একাধিক ব্যবহারের দ্বারা অভাব পূরণ করিতে পারা যায়। 

প্রশ্ন ৩। অর্থবিজ্ঞানের পরিসর সম্পর্কে লিখ। 

উত্তর : অর্থবিজ্ঞানের পরিসরে মানুষের সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক দিক অর্থাৎ মানুষের বিভিন্ন অর্থনৈতিক কার্য-কলাপ, রাষ্ট্রের অর্থনীতি এবং বিশ্বের অর্থনীতি রাষ্ট্রের উপরে অথবা মানুষের উপরে কি প্রভাব বিস্তার করে এই সকল কথাই বোঝায়। অর্থবিজ্ঞান ইহার পরিসরের ভিতরে সাধারণতঃ নিম্নে আলোচনা করা মানুষের আর্থিক কাম-কাজগুলি ঢুকাইয়া লয় : 

(ক) উপভোক্তা সম্বন্ধীয় (Consumption) মানুষ অভাব দূর করিতে যেগুলি কাজে ব্রতী হয় সেই কাজকে উপভোক্তা সম্বন্ধীয় কাজ বলে। মানুষের প্রধান কার্য-কলাপেই এই উপভোক্তা সম্বন্ধীয় কাজের অন্তর্গত। মানুষ যে কাজেই করুকনা কেন তার লক্ষ্য হইল ভোগ করা অর্থাৎ মানুষ নিজের অভাবগুলি দূর করিতে এবং ভোগ করিবার জন্যই বিভিন্ন অর্থনৈতিক কাজ-কর্মে নিয়োজিত হয়। এই উপভোক্তা সম্বন্ধীয় সকল অর্থনৈতিক কার্য-কলাপ অর্থবিজ্ঞানের পরিসরের অন্তর্গত। 

(খ) উৎপাদন (Production) মানুষের অভাব দূর করিবার জন্যই বিভিন্ন ধরণের উৎপাদন কার্যে ব্রতী হইতে হয়। উৎপাদন অবিহনে মানুষ নিজের অভাগুলি পুরণ করিতে সমর্থ হয় না। উৎপাদন করিতে হইলে অর্থবিজ্ঞানের নিয়ম অনুযায়ী চারিটি উপাদানের পারস্পরিক সহযোগিতা লাগিবে, যেমন—ভূমি, মূলধন, শ্রম এবং সংগঠন। এই চারিটি উপাদানে উৎপাদনে কিভাবে সাহায্য করে তার আলোচনা করাটা অর্থনীতির পরিসরের ভিতরে পরে। 

(গ) বিতরণ (Distribution ) মানুষের অন্য একটি অর্থনৈতিক কাজ হইল বস্তু বা সামগ্রী উৎপাদনের পর সেই সামগ্রী উপভোগের জন্য উপভোক্তার মধ্যে বিতরণ করা। উপভোক্তা সময়মতে এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে উপভোগের জন্য সামগ্রী পাইলেহে উৎপাদনের অর্থ থাকিবে। যেহেতু উপভোগের জন্যই উৎপাদন করা হয়। কিন্তু এক ফলপ্রসূ বিতরণ ব্যবস্থা অবিহনে উপভোক্তা উৎপাদিত সামগ্রী উপভোগ করিতে পারে না। সুতরাং, বিতরণ ব্যবস্থাও অর্থনীতির পরিসরের অন্তর্গত। 

(ঘ) বিনিময় (Exchange) – সকল মানুষ নিজের আবশ্যকীয় সকল সামগ্রী নিজে – উৎপাদন করাটা সম্ভবপর নয়। তাই, নিজে উৎপাদন না করা অথচ নিজের ব্যবহারের

জন্য আবশ্যকীয় সামগ্রী অন্য মানুষের থেকে অথবা অন্য জায়গা থেকে যে প্রথার দ্বারা সংগ্রহ করা হয় তাহাকে বিনিময় বোলে। বস্তুর পরিবর্তে বস্তু বা বস্তুর বিনিময়ে মুদ্রা আদায় দিয়া বস্তুর বিনিময় সম্পূর্ণ করা হয়। এইভাবে, দেশীয় এবং আন্তদেশীয় বিনিময় বাজার গঢ়িয়া উঠিয়াছে। এইকয়টিই অর্থনীতির পরিসরের প্রধান বিষয়বস্তু। 

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর 

প্রশ্ন ১। কোন অর্থনীতিবিদেরা এডাম স্মিথের অর্থনীতির সংজ্ঞাটিকে ‘যক্ষের বাণী’ বলিয়া অভিহিত করিয়াছিল? 

উত্তর : কালাইল এবং রাস্কিন এডাম স্মিথের অর্থনীতির সংজ্ঞাটিকে ‘যক্ষের বাণী’ বলিয়া অভিহিত করিয়াছিল। 

প্রশ্ন ২। আলফ্রেড মার্ছেল অর্থনীতির কোনটি সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছে ? 

উত্তর : আলফ্রেড মার্কেল অর্থনীতির কল্যাণভিত্তিক সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছে। 

প্রশ্ন ৩। এডাম স্মিথের অর্থনীতির সংজ্ঞাটিকে কি বলিয়া আখ্যা দেওয়া হয় ।

উত্তর : এডাম স্মিথের অর্থনীতির সংজ্ঞাটিকে সম্পনভিত্তিক সংজ্ঞা বলিয়া আধ্যা  দেওয়া হয়। 

প্রশ্ন ৪। ‘সম্পদ’ মানব জীবনের মূল লক্ষ্যপ্রাপ্তির একটি আহিলা মাত্র বলে কোন অর্থনীতিবিদ বলি? 

উত্তর : কার্লাইলে এবং রাস্কিন সম্পদ’ মানব জীবনের মূল লক্ষ্যপ্রাপ্তির একটি আহিলা মাত্র বলে বলিয়াছিল। 

প্রশ্ন ৫। ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত এডাম স্মিথের অর্থনীতির গ্রন্থটির নাম কি ছিল ? 

উত্তর : ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত এডাম স্মিথের অর্থনীতির, গ্রন্থটির নাম ছিল An Enquiry into the Nature and Causes of the Wealth of Nations. 

প্রশ্ন ৬। এডাম স্মিথ অর্থবিজ্ঞানকে কি বলিয়াছিল ? 

উত্তৰ : এডাম স্মিথ অর্থবিজ্ঞানকে Economics is the science of Wealth বলিয়াছিল।

প্রশ্ন ৭। ১৯৩২ সালে প্রকাশিত লায় ‘নেল রবিলে অর্থনীতির উপরে লেখা গ্রন্থটির নাম কি ? 

উত্তর : ১৯৩২ সালে প্রকাশিত লায় নেল রবিদে অর্থনীতির উপরে লেখা গ্রন্থটির নাম ছিল An Essay on the Nature and Significance of Economics. 

প্রশ্ন ৮। অর্থনীতির উপরে থাকা সংজ্ঞাগুলির ভিতরে সবচাইতে গ্রহণযোগ্য বলিয়া বিবেচিত হওয়া সংজ্ঞাটি কে প্রদান করিয়াছিল? 

উত্তর : অর্থনীতির উপরে থাকা সংজ্ঞাগুলির ভিতরে সবচাইতে গ্রহণযোগ্য বলিয়া বিবেচিত হওয়া সংজ্ঞাটি লায় নেল রবিন্স প্রদান করিয়াছিল। 

প্রশ্ন ৯। অর্থনীতির ‘দুষ্প্রাপ্যতা (অভাব)’-এর সংজ্ঞাটি কে প্রদান করিয়াছিল? 

উত্তর : অর্থনীতির ‘দুষ্প্রাপ্যতা (অভাব) এর সংজ্ঞাটি লায় নৈল রবিন্স প্রদান করিয়াছিল। 

প্রশ্ন ১০। ছেমুয়েলছন এবং নর্বহাসে লায়নেল রবিলের ‘দুষ্প্রাপ্যতার সংজ্ঞা টির সঙ্গে কি সংযোগ করিয়া নিজের সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছিল ? 

উত্তর : ছেমুয়েলছন এবং নর্বহাসে লায়নেল রবিন্সের ‘দুষ্প্রাপ্যতার সংজ্ঞাটির সঙ্গে দক্ষতা সংযোগ করিয়া নিজের সংজ্ঞা প্রদান করিয়াছিল। 

প্রশ্ন ১১। মানুষের অভাব দূর করা কার্যকে কি বলা হয় ? 

উত্তর : মানুষের অভাব দূর করা কার্যকে উপভোগ বলা হয়। 

প্রশ্ন ১২। মানুষের ভোগের জন্য উপযোগী সামগ্রী বা সেবা সৃষ্টি করাকে কি বলা হয়? 

উত্তর : মানুষের ভোগের জন্য উপযোগী সামগ্রী বা সেবা সৃষ্টি করাকে উৎপাদন বলা হয়। 

প্রশ্ন ১৩। উৎপাদনের কয়টি উপাদান থাকে ? 

উত্তর : উৎপাদনের চারিটি উপাদান থাকে। 

প্রশ্ন ১৪। উৎপাদনের পর উপভোক্তার কাছে সামগ্ৰী পাঠানো কার্যকে অর্থনীতিতে কি বলিয়া জানা যায় ? 

উত্তর : উৎপাদনের পর উপভোক্তার কাছে সামগ্রী পাঠানো কার্যকে অর্থনীতিতে বিতরণ বলিয়া জানা যায়। 

প্রশ্ন ১৫। সামগ্ৰী বা বস্তু ভোগের জন্য টাকার পরিবর্তে এবং বস্তুর পরিবর্তে সংগ্রহ করা কার্যকে অর্থনীতিতে কি বলা হয়?

উত্তর : সামগ্রী বা বস্তু ভোগের জন্য টাকার পরিবর্তে এবং বস্তুর পরিবর্তে সংগ্রহ করা কার্যকে অর্থনীতিতে বিনিময় বলা হয়। 

প্রশ্ন ১৬। বস্তুর পরিবর্তে বস্তুর বিনিময় প্রথা অসমের কোন মেলায় দেখা যায়? 

উত্তর : বস্তুর পরিবর্তে বস্তুর বিনিময় প্রথা ভোগালী বিহুর সময় অসমের মরিগাঁও জেলার ‘জোনবিল মেলা’য় দেখা যায়। 

প্রশ্ন ১৭। বস্তুর বিনিময়ে কার্যতঃ কিসের প্রচলনে সুবিধা আনিয়া দিয়াছে? 

উত্তর : বস্তুর বিনিময়ে কার্যতঃ মুদ্রার প্রচলনে সুবিধা আনিয়া দিয়াছে। 

প্রশ্ন ১৮। সরকারী আয়, ব্যয়, ঋণ আদির আলোচনা করা অর্থনীতিকে কি বলিয়া অভিহিত করা হয় ? 

উত্তর : সরকারী আয়, ব্যয়, ঋণ আদির আলোচনা করা অর্থনীতিকে রাজস্ব বিভবিজ্ঞান বলিয়া অভিহিত করা হয়। 

প্রশ্ন ১৯। অর্থনীতি মতে একটি ভৌতিক বস্তুর উদাহরণ দাও। 

উত্তর : অর্থনীতি মতে একটি ভৌতিক বস্তুর উদাহরণ হইল ঘর-দুয়ার। 

প্রশ্ন ২০। অর্থনীতি মতে একটি অভৌতিক বস্তুর উদাহরণ দাও। 

উত্তর : অর্থনীতি মতে একটি অভৌতিক বস্তুর উদাহরণ হইল শিক্ষক অথবা চিকিৎসকের চিকিৎসা সেবা। 

প্রশ্ন ২১। শূন্যস্থান পূর্ণ কর : 

(ক) ভারত আয়তনে বিশ্বের ___ বৃহত্তম রাষ্ট্র। 

উত্তর : ভারত আয়তনে বিশ্বের সপ্তম বৃহত্তম রাষ্ট্র। 

(খ) ____অধিক জনসংখ্যার ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল রাষ্ট্র। 

উত্তর : ১২ বিলিয়নতকৈ অধিক জনসংখ্যার ভারত বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনবহুল রাষ্ট্র। 

(গ) ভারত বিশ্বের ____গণতন্ত্র। 

উত্তর : ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র। 

(ঘ) ২০১৩ সালে ভারতের মোট জনমূরি রাষ্ট্রীয় আয় ছিল_____ ডলার।

উত্তর : ২০১৩ সালে ভারতের মোট জনমুরি রাষ্ট্রীয় আয় ছিল ৫৩৫০ পি. পি. পি. ডলার। 

(ঙ) ২০১৩ সালে ভারতের মোট ঘরোয়া উৎপাদন (জি.ডি.পি.) ছিল ____ ডলার। 

উত্তর : ২০১৩ সালে ভারতের মোট ঘরোয়া উৎপাদন (জি.ডি.পি.) ছিল ১.৮৭৭ ব্রিলিয়ন ডলার। 

(চ) ২০১৩ সালে ভারতের মোট জনমুরি ঘরোয়া উৎপাদন ছিল _____ডলার। 

উত্তর : ২০১৩ সালে ভারতের মোট জনমুরি ঘরোয়া উৎপাদন ছিল ১,৪৯৮৮৭ ডলার। 

(ছ) ব্যক্তিবাদী অর্থনীতি শব্দটি ____ভাষার শব্দ ____হইতে আসা। 

উত্তর : বাস্তিবাদী অর্থনীতি শব্দটি গ্রিক ভাষার শব্দ Mikros হইতে আসা। 

(জ) Mikros শব্দের অর্থ হইল ____।

উত্তর : Mikros শব্দের অর্থ হইল ছোট। 

Sl.No.Chapters name
ইতিহাস
Chapter 1ভারতবর্ষে ইউরোপীয়দের আগমন
Chapter 2ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উন্মেষণ
Chapter 3মোয়ামারীয়া গণবিদ্রোহ
Chapter 4মানের অসম আক্ৰমণ
Chapter 5আসামে ব্রিটিশ প্রশাসনের আরম্ভণি
Chapter 6বিয়াল্লিশের শোণিতপুরের শহীদ
ভূগোল
Chapter 1ভূ-পৃষ্ঠের পরিবর্তন
Chapter 2বায়ুমণ্ডল : গঠন, বায়ুর চাপ ও বায়ুপ্রবাহ
Chapter 3ভারতবর্ষের ভূগোল
Chapter 4অসমের ভূগোল
রাজনীতি বিজ্ঞান
Chapter 1ভারতের রাজনৈতিক দল
Chapter 2সরকারের প্রকার বা শ্রেণিবিভাগ
অর্থনীতি বিজ্ঞান
Chapter 1অর্থনীতির মৌলিক বিষয়সমূহ
Chapter 2মূল অর্থনৈতিক সমস্যাসমূহ

(ফ) সমষ্টিবাদী অর্থনীতি শব্দটি গ্রীক শব্দ _____ হইতে আসা। 

উত্তর : সমষ্টিবাদী অর্থনীতি শব্দটি গ্রীক শব্দ Markos হইতে আসা। 

(ঞ) ব্যক্তিবাদী বা সুক্ষ্ম অর্থনীতিকে ইংরাজীতে _____অর্থনীতি বলে। 

উত্তর : ব্যপ্তিবাদী বা সূক্ষ্ম অর্থনীতিকে ইংরাজীতে Micro অর্থনীতি বলে। 

(ট) সমষ্টিবাদী বা স্কুল অর্থনীতিকে ইংরাজীতে _____অর্থনীতি বলে। 

উত্তর : সমষ্টিবাদী বা স্থূল অর্থনীতিকে ইংরাজীতে Macro অর্থনীতি বলে। 

(ঠ) গ্রীক শব্দ Oikos-এর অর্থ হইল _____।

উত্তর : গ্রীক শব্দ Oikos-এর অর্থ হইল পরিবার। 

(ড) গ্রীক শব্দ Nomos-এর অর্থ হইল _____।

উত্তর : গ্রীক শব্দ Nomos-এর অর্থ হইল নিয়ম। 

(চ) অর্থনীতির সম্পদভিত্তিক সংজ্ঞাটি ______প্রদান করিয়াছিল। 

উত্তর : অর্থনীতির সম্পদভিত্তিক সংজ্ঞাটি এডাম স্মিথ প্রদান করিয়াছিল। 

(ণ) এডাম স্মিথের An Enquiry into the nature and Causes of the Wealth of Nations নামের গ্রন্থটি_____ সালে প্রকাশিত হইয়াছিল। 

উত্তর : এডাম স্মিথের An Enquiry into the nature and Causes of the Wealth of Nations নামের গ্রন্থটি ১৭৭৬ সালে প্রকাশিত হইয়াছিল।

(ত) অর্থনীতিকে____ Economics is the Scince of Wealth বলিয়াছিল। 

উত্তর : অর্থনীতিকে এডাম স্মিথ Economics is the Scince of Wealth বলিয়াছিল। 

(গ) ১৮৯০ সালে প্রকাশিত Principles of Economics গ্রন্থটি_____ লিখিয়াছিল। 

উল্লেঃ ১৮৯০ সালে প্রকাশিত Principles of Economics গ্রন্থটি আলফ্রেড মার্সেল লিখিয়াছিল। 

(দ) অর্থনীতির সংজ্ঞা হিসাবে সবচাইতে গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞাটি____ প্রদান করিয়াছিল।

 উত্তর : অর্থনীতির সংজ্ঞা হিসাবে সবচাইতে গ্রহণযোগ্য সংজ্ঞাটি লায়ন রবিন্স প্রা করিয়াছিল। 

(ধ) লায়নেল রবিলের অর্থনীতির সংজ্ঞাটিকে _____সংজ্ঞা বলিয়াও জানা যায়। 

উত্তর : লায়নেল রবিন্সের অর্থনীতির সংজ্ঞাটিকে দুষ্প্রাপ্যতা বা অভাবের সংজ্ঞা বলিয়াও জানা যায়। 

(ন) মানুষের অভাব দূর করা কার্যকে ____বলা হয়। 

উত্তর : মানুষের অভাব দূর করা কার্যতে উপভোগ বলা হয়। 

(প) ভূমি, মূলধন,_____ এবং সংগঠনের সাহায্যে উৎপাদন কার্য সম্ভব হয়। 

উত্তর : ভূমি, মূলধন, শ্রম এবং সংগঠনের সাহায্যে উৎপাদন কার্য সম্ভব হয়। 

(ফ) দেশ-বিদেশের মধ্যে গঢ়িয়া উঠা ব্যবসা-বাণিজ্যকে _____বাণিজ্য বলা হয়। 

উত্তর : দেশ-বিদেশের মধ্যে গঢ়িয়া উঠা ব্যবসা-বাণিজ্যকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বলা হয়।

(ব) ____ব্যবহারে বর্তমান সামগ্রী কেনা-বেচায় সাহায্য করিতেছে। 

উত্তর : মুদ্রার ব্যবহারে বর্তমান সামগ্রী কেনা-বেচায় সাহায্য করিতেছে। 

(ভ) কোন একটি বস্তু বা সামগ্রী সম্পদ হইতে ইহার উপযোগিতা, দুর্লভতা, অহস্তান্তরযোগ্যতা এবং _____বৈশিষ্ট্য বা গুণ থাকিতে হয়। 

উত্তর : কোন একটি বস্তু বা সামগ্রী সম্পদ হইতে ইহার উপযোগিতা, দুর্লভতা, অহস্তান্তরযোগ্যতা এবং বাহ্যিকতা বৈশিষ্ট্য বা গুণ থাকিতে হয়।

সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্ন : 

প্রশ্ন ১। ভোগ F, কাহাকে বলে ? 

উত্তর : মানুষ অভাব দূর করিতে যে কাজ করে তাহাকে ভোগ করা বলে। মানুষের অর্থনৈতিক কাজগুলির মূলে আছে তাহাদের কিছু অভাব পূরণের জন্য ভোগ করার ইচ্ছা বা লালসা। মানুষের ভোগকেন্দ্রিক কাজ-কর্মগুলিই অর্থনৈতিক কাজ। 

প্রশ্ন ২। উৎপাদ F, কাহাকে বলে? 

উত্তৰ : মানুষ ভোগ করিতে চাওয়া বস্তুর সৃষ্টিকার্যকেই উৎপাদন বলে। অর্থাৎ মানুষ নিজের অভাব দূর করিতে অথবা কোন বস্তু একটি ভোগ করিতে সেই বস্তুটি হাতে পাইতেও হবে। সুতরাং ভোগা বস্তু একটির চাহিদা থাকিলেই হইবে না, সেইটি থাকিতেও হইবে। তাই, তার নিশ্চিতি প্রদান করা কার্যকে উৎপাদন বলে। 

প্রশ্ন ৩। উৎপাদনের সামগ্রীগুলির পরিচয় দাও। 

উত্তর : উৎপাদনের মোট আহিলা চারিটি ভূমি, মূলধন, শ্রম এবং সংগঠন। অর্থাৎ এই চারিটি সামগ্রীর একত্রিত অবদানের দ্বারা কোন এটা বস্তুর উৎপাদন সম্ভব হয়। উদাহরণস্বরূপে কৃষিকর্মকে ধরা যাক। চাষ করিতে প্রথমে ভূমি লাগিবে, যাবতীয় খরচ। বহন করিতে মূলধন, শস্যক্ষেত্রে কাজ করিতে শ্রমিকের শ্রম এবং কৃষিকার্যের সঙ্গে জড়িত সকল কাজ চালাইয়া নিতে একটি সংগঠনের বা পরিচালনার দরকার।

প্রশ্ন ৪। বিতরণ F, ব্যবস্থা কি? 

উত্তর : বস্তু একটির উৎপাদন হওয়ার পর তার চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো ব্যবস্থাকে বিতরণ বলা হয়। এই বিতরণ ব্যবস্থার চাহিদা বেশি, তাই পর্যাপ্ত পরিমাণের বস্তু নিয়মমাফিক যোগান ধরিতে হইবে। তাহা না হইলে বিতরণ ব্যবস্থার দোষ থাকিলে বস্তুর মূল্য বৃদ্ধি নাইবা বস্তুর অপচয় হইতে পারে। 

প্রশ্ন ৫। বিনিময় F, ব্যবস্থা কি? 

উত্তর : প্রত্যেক মানুষ অথবা প্রত্যেক অঞ্চল বা রাষ্ট্র নিজের প্রয়োজনীয় অভাব দূর করিবার জন্য প্রয়োজনীয় সকল সামগ্রী উৎপাদন করিতে পারেনা। একজনের যে সামগ্রী নাই সেই সামগ্রী অন্যের থেকে সংগ্রহ করা প্রথাটিকে অর্থনীতিতে বিনিময় ব্যবস্থা বলে। যেমন—ভারত মধ্যপ্রাচ্য হইতে খারুয়া তেল আমদানি করে এবং মধ্যপ্রাচ্য ভারতের থেকে অন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী যেগুলি মধ্যপ্রাচ্যে সচরাচর উৎপাদন করা হয়না সেইগুলি এই বিনিময় ব্যবস্থার দ্বারা আহরণ করে। সামগ্রীর মূল্য নির্ধারণ করিয়া মুদ্রার সাহায্যে অথবা সামগ্রীর পরিবর্তে সামগ্রী দিয়া বিনিময় ব্যবস্থা চালানো হয়। 

প্রশ্ন ৬ । মুদ্রা F, ব্যবস্থা কি? 

উত্তর : মুদ্রা হইল ধাতুর দ্বারা বা উন্নত মানের কাগজের দ্বারা নির্মিত টাকা। সামগ্রী কিনিতে বা বেচা-কিনা করিতে এই মুদ্রা ব্যবহার করা হয়। মুদ্রার অভাবে আগে সামগ্রীর পরিবর্তন করিয়া নিজের প্রয়োজনীয় সামগ্রী সংগ্রহ করিয়াছিল। সামগ্রীর পরিবর্তে সামগ্রীর বিনিময় প্রথা অতীতে থাকার মত বর্তমানেও মরিগাঁও জেলায় ভোগালী বিহুর সময় অনুষ্ঠিত ‘জোনবিল মেলায় দেখিতে পাওয়া যায়। মুদ্রার প্রচলনে সামগ্রীর বিনিময় প্রথা বেশি সুবিধাজনক হইয়াছে। 

প্রশ্ন ৭। জনমূরি আয় মানে কি? 

উত্তর : একটি রাষ্ট্রের মোট রাষ্ট্রীয় আমাকে রাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করিলে যে মান পাওয়া যায়, তাহাকে সেই রাষ্ট্রটির জনমুরি আয় বলা হয়।

Leave a Reply