SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Political Science| Chapter-1| ভারতের রাজনৈতিক দল

SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Political Science| Chapter-1| ভারতের রাজনৈতিক দল, প্রশ্নের উত্তর SEBA, এনসিইআরটি ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান মৌচাক এবং মুহূর্তগুলির জন্য সমাধান, ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান নোটগুলি পরীক্ষায় দক্ষতার জন্য অনেক মূল্যবান হতে পারে। আসাম বোর্ড ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান সমাধানে আপনাকে সমস্ত অধ্যায় সম্পর্কে আরও ভাল জ্ঞান দেয়। আপনি মৌলিক এবং উন্নত উভয় স্তরের প্রশ্নের সমাধান পেতে পারেন। আপনার বোর্ড পরীক্ষায় পারদর্শী হওয়ার অন্যতম সেরা উপায় হল অনুশীলন করা।

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (ASSAMESE MEDIUM)

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (BANGLA MEDIUM)

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (ENGLISH MEDIUM)

SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Political Science| Chapter-1| ভারতের রাজনৈতিক দল

এছাড়াও, আপনি SCERT (CBSE) বইয়ের নির্দেশিকা অনুসারে বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা সমাধান এই বিভাগগুলিতে অনলাইনে SEBA বই পড়তে পারেন৷ এখানে আমরা SEBA Class-9 Social Science Question Answer| Political Science| Chapter-1| ভারতের রাজনৈতিক দল দিয়েছি সব বিষয়ের জন্য বাংলা সমাধান, আপনি এখানে অনুশীলন করতে পারেন।

পাঠ ১

পাঠ্যভিত্তিক প্রশ্নোত্তর 

অতি সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্ন : 

প্রশ্ন ১। একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থাকা একটি দেশের নাম লিখ। 

উত্তর : একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থাকা একটি দেশের নাম হইল চীন। 

প্রশ্ন ২। আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে থাকা দলীয় ব্যবস্থাটি কি? 

উত্তর : আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে থাকা দলীয় ব্যবস্থাটি হইল দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা। 

প্রশ্ন ৩। রাজনৈতিক দলের দুইটি বৈশিষ্ট্য লিখ। 

উত্তর : রাজনৈতিক দলের দুইটি বৈশিষ্ট্য হইল – (ক) দলীয় সংগঠন (খ) নীতি- আদর্শ এবং আঁচনি । 

প্রশ্ন ৪। রাজনৈতিক দলের একটি প্রধান কার্য উল্লেখ কর। 

উত্তর : রাজনৈতিক দলের একটি প্রধান কার্য হইল জনমত গঠন করা। 

প্রশ্ন ৫। অসমের একটি আঞ্চলিক দলের নাম লিখ। 

উত্তর : অসমের একটি আঞ্চলিক দলের নাম হইল অসম গণ পরিষদ । 

প্রশ্ন ৬। ঝারখণ্ডের মুখ্য আঞ্চলিক দলটি কি? 

উত্তর : ঝারখণ্ডের মুখ্য আঞ্চলিক দলটি ঝারখণ্ড মুক্তি মৰ্চা। 

প্রশ্ন ৭। ইউ.পি.এ. (UPA)-এর সম্পূর্ণ অর্থ লিখ । 

উত্তর ঃ সংযুক্ত গণতান্ত্রিক মৰ্চা বা ইউনাইটেড প্রগ্রেসিভ এলায়েন্স (F)।

প্রশ্ন ৮। ভারতবর্ষের প্রথম রাজনৈতিক দল কোনটি? 

উত্তর : ভারতবর্ষের প্রথম রাজনৈতিক দল ভারতীয় জাতীয় কংগ্ৰেছ। 

প্রশ্ন ৯। কার নেতৃত্বে ‘দি ইণ্ডিয়ান এসোসিয়েসন’ গঠন হইয়াছিল ? 

উত্তর : সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীর নেতৃত্বে ‘দি ইণ্ডিয়ান এসোসিয়েসন’ গঠন হইয়াছিল। 

প্রশ্ন ১০। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছের প্রথম সভাপতি কে ছিলেন? 

উত্তর : ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছের প্রথম সভাপতি ছিলেন উমেশচন্দ্র ব্যানার্জী। 

সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্ন 

প্রশ্ন ১। ভারতবর্ষের দলীয় ব্যবস্থাটির প্রধান বৈশিষ্ট্য কি? 

উত্তর : (ক) ভারতীয় দলীয় ব্যবস্থাটি প্রথম অবস্থা হইতেই বহুদলীয় হওয়া দেখা যায়। ১৯৫২ সালের প্রথম সাধারণ নির্বাচনে ৫০-এরও অধিক রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করিয়াছিল। 

(খ) ভারতে বহুদলীয় ব্যবস্থা থাকিলেও কার্যতঃ ১৯৭৭ সালে যখন জনতা দল সর্বপ্রথমবারের জন্য কেন্দ্রে সরকার গঠন করিয়াছিল তখন পর্যন্ত কংগ্ৰেছ দলের একদলীয় শাসন ব্যবস্থা থাকা পরিলক্ষিত হইয়াছিল। 

(গ) ভারতে ভারতীয় জনতা দলের উত্থান এবং এই দলের কেন্দ্রে সরকার গঠনে কংগ্রেছের প্রাধান্য যথেষ্ট কমাইল। 

(ঘ) ভারতে সর্বভারতীয় রাষ্ট্রীয় দলগুলি থাকা অবস্থাতেই আঞ্চলিক দলগুলির জন্ম নিঃসন্দেহে একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। 

(ঙ) একাধিক রাষ্ট্রীয় দল কেন্দ্রে নিরংকুশভাবে সরকার গঠনে অপারগ হইয়া আঞ্চলিক দলগুলির সমর্থনে মর্চা সরকার গঠন করতে হওয়া একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। 

প্রশ্ন ২। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র একটির জন্য কি দলীয় ব্যবস্থা বিশেষভাবে উপযোগী ? 

উত্তর : একদলীয় ব্যবস্থা থাকা রাষ্ট্রে গণতন্ত্র সম্ভব নয় বলিয়া বলা হয়। কিন্তু ভারতের মত বৃহৎ রাষ্ট্র একটিতে বহুদলীয় ব্যবস্থার জন্য গণতন্ত্র অধিক সফল হইতে পারে বলে বলা হয়। কারণ, একদলীয় ব্যবস্থায় সকল নাগরিক অংশগ্রহণ করার সুবিধা না পাওয়ার বিপরীতে বহুদলীয় ব্যবস্থায় সকলেই অংশগ্রহণ করিতে পারে। কিন্তু দ্বিদলীয় ব্যবস্থাটিকে গণতন্ত্রে অধিক উপযোগী বলে ভাবা হয়। যিহেতু নাগরিকেরা নির্দিষ্ট নীতি, আদর্শের ভিত্তিতে নিজের মনের পছন্দ অনুযায়ী একটি দলকে সরকার গঠন করিতে সমর্থন জানাইতে পারে। হিদলীয় ব্যবস্থা (আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এবং ইংলেণ্ডে) থাকা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র অধিক সুস্থির এবং সবল হওয়া দেখা যায়। বিপরীতে বহুদলীয় ব্যবস্থায় সঘনে রাজনৈতিক সংকট এবং অস্থিরতা গণতন্ত্রকে দুর্বল করে। 

প্রশ্ন ৩। রাজনৈতিক দলের প্রধান বৈশিষ্ট্য চারিটি উল্লেখ করা। 

উত্তর : (ক) রাজনৈতিক দলের সংগঠন সুসংগঠিত এবং শক্তিশালী হইতে হয়। 

(খ) রাজনৈতিক দলের সময়োপযোগী এবং প্রগতিশীল নীতি-আদর্শ এবং কর্ম উপযোগী আঁচনি থাকিতে হয়। 

(গ) রাজনৈতিক দলের চূড়ান্ত আকাংক্ষা হিসাবে সরকার গঠন করিতে নিজেকে প্রস্তুত করিয়া তুলিতে হয়। 

(ঘ) রাষ্ট্রের প্রতি সেবা এবং জাতীয় স্বার্থ অটুট রাখা রাজনৈতিক দলের প্রধান বৈশিষ্ট্য। 

প্রশ্ন ৪। পাঁচটি আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের নাম লিখ। 

উত্তর : (ক) ১৯৮৫ সালে জন্ম পাওয়া অসমের অসম গণ পরিষদ। 

(খ) তামিলনাডুতে থাকা করুণানিধির দ্রাবিড় মুন্নেট্রা কাজাগাম। 

(গ) অন্ধ্রপ্রদেশের চন্দ্রবাবু নাইডুর তেলুগু দেশম। 

(ঘ) মহারাষ্ট্রের বাল ঠাকরে প্রতিষ্ঠিত শিব সেনা দল। 

(ঙ) জন্মু-কাশ্মীরের ফারুখ আব্দুল্লা প্রতিষ্ঠা করা নেশানেল কনফারেন্স দল। 

প্রশ্ন ৫। মর্চা সরকার বলিতে কি বুঝ? 

উত্তর : মর্চা সরকার মানে কয়েকটি রাজনৈতিক দল একত্রে গঠন করা একটি সরকার। যখন সাধারণ নির্বাচনে সরকার গঠন করিতে পারা করে কোন একটি রাজনৈতিক দলেও নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (দুই-তৃতীয়াংশ) না পায়, তখন মতাদর্শের মিল থাকা দুই বা ততোধিক রাজনৈতিক দল একত্রে বোঝাপড়ার মধ্যে একটি সন্মিলিত সরকার গঠন করে। এই ধরণে গঠন হওয়া সরকারকে মর্চা সরকার বলে। মর্চা সরকারের গঠনে রাষ্ট্রটির পুননির্বাচন পাতার খরচ হইতে সরকারি ধনের অপচয় রোধ করিতে পারা যায়।

প্রশ্ন ১। সংযুক্ত সরকার বলিতে কি বুঝ? সংযুক্ত সরকার কি পরিস্থিতিতে গঠিত হয় ? 

উত্তর ঃ কোন রাজনৈতিক দল নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করিতে না। পারিলে দুই বা ততোধিক রাজনৈতিক দল আনুষ্ঠানিক বোঝাপড়ার মাধ্যমে একত্রিত হইয়া গঠন করা সরকারকে সংযুক্ত সরকার বলা হয়। উদাহরণ : বর্তমান এন.ডি.এ. সরকারের মন্ত্রীসভা কার্য করিতেছে। 

ইতিমধ্যে বলা হইয়াছে যে নির্বাচনে কোন একটি রাজনৈতিক দলও একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাইলে মর্চা বা সংযুক্ত সরকার গঠনের পরিবেশ এবং পরিস্থিতির উদ্ভব হয়। কিন্তু একটি সরকার চলিয়া থাকা সময় মাঝে-মধ্যে সংযুক্ত সরকার গঠনের পরিস্থিতির উদ্ভব হইতে পারে। বিশেষ করিয়া, যখন শাসনাধিষ্ঠ দলটির একাংশ দল ত্যাগ করিয়া সরকারটি সংখ্যালঘুতে পরিণত করে তখন সরকারটি বজায় রাখার স্বার্থে শাসনাধিষ্ঠ দলের সদস্যগণ অন্য অন্য দলের সঙ্গে আলোচনা করিয়া সরকারটি বাঁচাইতে সমর্থন চায় এবং সফল হইলে এই দলগুলিকে লইয়া সংযুক্ত সরকার গঠন করে। অথবা শাসনাধিষ্ঠ দলটি ত্যাগ করা সদস্যগণও অন্য অন্য দলের সহযোগিতায় সংযুক্ত সরকার গঠন করিতে পারে। এই ধরণের সংযুক্ত সরকার গঠনের পরিস্থিতির উদ্ভব হইলে রাষ্ট্রে রাজনৈতিক বিশৃংখলতা এবং অস্বাস্থ্যকর পরিস্থিতি বিরাজ করে। 

প্রশ্ন ২। সংযুক্ত অথবা মর্চা সরকারের দুইটি গুণ এবং দুইটি দোষ আলোচনা কর। 

উত্তর : সংযুক্ত বা মর্চা সরকারের দুইটি গুণ হইল—(ক) সম্মিলিত সরকারের একাধিক রাজনৈতিক দল সরকারে অংশগ্রহণ করার জন্য কোন একটি বিশেষ দল নিজের দলের প্রাধান্য বিস্তার করিতে পারে না বা সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে কোন ধরনের স্বেচ্ছাচারিতা অবলম্বন করিতে পারে না। 

(খ) সম্মিলিত সরকার অপব্যয় হইতে রাষ্ট্রকে রক্ষা করে। কারণ সাধারণ নির্বাচনে কোন দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাইলে সরকার গঠন করিতে পারে না এবং বার বার নির্বাচন অনুষ্ঠিত করিতে হয়। কিন্তু সম্মিলিত সরকার গঠন করিলে সেই সমস্যা হইতে রক্ষা পাওয়া যায়।

সংযুক্ত বা মর্চা সরকারের দুইটি দোষ হইল— 

(ক) যে সকল রাজনৈতিক দল নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর পারস্পরিক বুঝা-বুঝি এবং মিত্রতার মাধ্যমে সম্মিলিত সরকার গঠন করে সেই দলগুলি। আদর্শগত এবং অন্যান্য কারণে বুঝা-বুঝি বজায় রাখিতে না পারিলে সম্মিলিত সরকারটির পতন শীঘ্রই ঘটে। 

(খ) সম্মিলিত সরকারের দুর্বলতা থাকে। কারণ যে কয়টি রাজনৈতিক দল মিলিয়া-মিশিয়া সরকার গঠন করে সেই দলগুলির প্রত্যেকেই নিজের দলের প্রাধান্য চাহিয়া চাপ সৃষ্টি করে যাহার ফলে একতা নষ্ট হয় এবং ঐক্যের অভাবে সরকারী দুর্বল হয়। 

প্রশ্ন ৩। গণতন্ত্রে বিরোধী রাজনৈতিক দলের ভূমিকা আলোচনা কর। 

উত্তর : বিরোধী দল গণতন্ত্রের একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থনপুষ্ট দল সরকার গঠন করে ও অন্যান্য দল বিরোধী দল হিসাবে কাজ করে। 

সরকারী নীতির সমালোচনা করাই বিরোধী দলের একমাত্র কাজ নহে। গঠনমূলক সমালোচনা করিয়া বিরোধী দল সুস্থ ও পরিচ্ছন্ন প্রশাসন চালাইতে সরকারকে সাহায্য করিতে পার। বর্তমানের বিরোধী দল ভবিষ্যতে সরকার গঠন করিয়ে পারে। সেইজন্য সরকারকে সমালোচনা করার সময় বিরোধী দলের যথেষ্ট সংযম প্রদর্শন করা উচিত। সংবাদপত্র, সভা-সমিতি ইত্যাদি প্রচার মাধ্যমের সাহায্যে বিরোধী দল দেশের সমস্যার প্রকৃত রূপ ও সেই সকল সমস্যা সমাধানের উপায়গুলি সম্বন্ধে জনসাধারণকে সচেতন করিয়া তুলিতে পারে। বিরোধী দলকে নিজের সপক্ষে জনমত সৃষ্টি করার জন্য সচেষ্ট হইতে হয়। দলীয় আদর্শ, কর্মপন্থা ইত্যাদি জনসাধারণের মধ্যে প্রচার করিয়া ও গ্রাম ভিত্তিতে দলীয় সংগঠনের ব্যবস্থা করিয়া দলকে নিজের স্থিতি সুদৃঢ় করিবার চেষ্টা করিতে হয়। বিরোধী দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করিয়া সরকার গঠন করিতে চেষ্টা করে ও সরকার গঠনের সুযোগ পাইলে দলীয় আদর্শ ও নীতি কার্যকরী করিতে চেষ্টা করে। 

সরকারের গৃহীত নীতি ও কাজের দোষগুলি দেখাইয়া দিয়া বিরোধী দল সরকারকে স্বেচ্ছাচারী হইয়া উঠা হইতে বিরত রাখিতে পারে। বিরোধী দলের অভাবে গণতন্ত্রের নামে দলীয় একনায়কত্ববাদের সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। সরকারের দোষ-ত্রুটি দেখাইয়া নিয়া ও সরকারী নীতির গঠনমূলক সমালোচনা করিয়া সুস্থ প্রশাসন চালাইতে বিরোধী দল উল্লেখযোগ্য ভূমিকা গ্রহণ করিতে পারে। 

প্রশ্ন ৪। আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের জন্মের মূল কারণগুলি আলোচনা কর। 

উত্তর : গত শতিকার ৬০-এর দশকে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ এম করুণানিধি তামিলনাডুতে প্রাবিড় মুন্নেটা কাজাগাম (ডি.এম.কে.) নামের একটি আঞ্চলিক দল গঠন করার পর হইতেই ভারতে অন্য বহু আঞ্চলিক দল বিভিন্ন প্রদেশে গঠিত হইয়াছিল। যেসব কারণে তামিলনাড়ুতে একদিন ডি.এম. কে. দলটি স্বাপিত হইয়াছিল সেইসব কারণেই ভারতের সর্বদিকেই এমন আঞ্চলিক দলো গড়িয়া উঠিয়াছিল। নীচে কয়েকটি কারণ আলোচনা করা হইল : 

১। ভারতের সর্বভারতীয় রাষ্ট্রীয় দলগুলি পক্ষপাত এবং বৈষম্যমূলকভাবে কাজ করার জন্য বিভিন্ন অঞ্চলগুলিতে ক্ষোভের উদগীরণ হয়। 

২। বৃহৎ ভারতে বাস করা বিভিন্ন ধরণের ভাষিক, ধার্মিক, সাংস্কৃতিক জাতি- উপজাতি, জনগোষ্ঠীর মানুষ রাষ্ট্রীয় দলগুলিকে বিশ্বাস করিতে কঠিন হইয়াছে। তাই সেই জনগোষ্ঠীগুলি নিজের স্বার্থ বজায় রাখতে আঞ্চলিক দলের জন্ম দিয়াছে। 

৩। ভারতে বাস করা সংখ্যালঘু লোকেরাও রাষ্ট্রীয় দলের সামনে নিজের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিয়াছে জন্য আঞ্চলিক দল খুলিয়া নিজ স্বার্থের নিরাপত্তা চাহিয়াছে। 

৪। কেন্দ্রীয় সরকারের সকল ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ করিয়া প্রদেশ গুলির উন্নতিতে বাধা দেওয়ায় বিভিন্ন প্রদেশে কেন্দ্রবিরোধী মনোভাবের জন্যও এমন বহুত আঞ্চলিক দল গঠিত হইয়াছে। 

৫। কেন্দ্রীয় সরকার একদিকে প্রদেশগুলির প্রাকৃতিক সম্পদের উপরে নিজের অধিকার এবং কর্তৃত্ব খাটাইয়াছে এবং প্রদেশগুলিকে প্রাপ্য লাভালাভ কেন্দ্রের শোষণ নীতি চালাইয়া বঞ্চিত করিয়াছে। 

৬। কেন্দ্রীয় সরকার এমনকি অন্য রাষ্ট্রীয় দলগুলি সকলো প্রদেশকে সমভাবে দেখে না অথবা সকল প্রদেশের সমভাবে উন্নয়ন করায় মনোনিবেশ করা দেখা যায় না ।

৭। প্রদেশগুলিতে যেগুলি রাষ্ট্রীয় দলের নেতা আছে সেই নেতারাও নিজের প্রদেশের আশু উন্নতির জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে এবং অন্য অন্য রাষ্ট্রায় দলগুলির কাছে দাবী উত্থাপন করিতে সমর্থ হয় না। 

এইসব কারণেই আঞ্চলিক দলগুলির জন্ম হওয়া দেখা যায়। 

প্রশ্ন ৫। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক দলের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সংক্ষেপে লিখ। 

উত্তর : গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় একাধিক রাজনৈতিক দল অপরিহার্য। ইহার অবিহনে গণতান্ত্রিক শাসন চালানো সম্ভব নয়। কেননা গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলেহে নির্বাচনের দ্বারা সরকার গঠন করিয়া শাসনকার্য চলায়। রাজনৈতিক দল অবিহনে সরকার গঠন করিতে পারা যায় না। ফলে সরকার অবিহনে শাসনকার্যও চালানো সম্ভব হয় না। তাই রাজনৈতিক দল এবং গণতান্ত্রিক সরকার একটি মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। গণতন্ত্রের আরম্ভ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইহার চালিকাশক্তি হিসাবে রাজনৈতিক দলগুলির জন্ম হয়। 

রাজনৈতিক দল কেবল সরকার গঠন করিয়া শাসন চালানোর জন্য নয়। ইহা ছাড়াও ইহার অন্য প্রয়োজনীয়তা দেখিতে পাওয়া যায়। 

১। গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করা ছাড়াও জনসাধারণকে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় অংশ নিয়া গণতন্ত্রের যোগ্য অংশীদার হিসাবে নিজেকে গঢ়িয়া তুলিতে সাহায্য করে। 

২। জনসাধারণের অভাব-অভিযোগগুলি দূর করিতে এবং আশা-আকাংক্ষাগুলি সরকারের কাছে এই দলগুলিই উত্থাপন করিতে অগ্রণী ভূমিকা নেয়। 

৩। রাজনৈতিক দলে সভা, মিটিং এবং কর্মশালা, আলোচনা-চক্র আদি পাতিয়া জটিল সমস্যাগুলির উপরে জনমত গঠন করে এবং এই জনমতের ভিত্তিতে সরকারকে কাজ করিতে পরামর্শ প্রদান করে। 

৪। সরকারের কাম-কাজের উপরে অতন্ত্র প্রহরীরূপে রাজনৈতিক দলগুলি সূক্ষ্ম নজর রাখা প্রয়োজন। 

৫। সরকারে করা কাজগুলির জন্য রাজনৈতিক দলগুলি দায়বদ্ধ এবং জবাবদিহি করিতে হয়।

প্রশ্ন ৬। রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য এবং কার্যাবলী উল্লেখ কর। 

উত্তর ঃ প্রয়োজনীয়তার খাতিরে গণতন্ত্রকে কার্যক্ষম করিতে একদিন এই রাজনৈতিক দলের শুভারম্ভ হইয়াছিল। বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের রাজনৈতিক দলগুলির স্বকীয় অস্তিত্ব থাকিলেও গঠনের দিক হইতে সকলেরই বৈশিষ্ট্য প্রায় একই হওয়া দেখা যায়। 

১। রাজনৈতিক দল একটি সক্রিয় সংগঠন হিসাবে ইহাকে সুসংগঠিত রূপে গঢ়িয়া তুলিতে হইবে। 

২। রাজনৈতিক দল জনসাধারণের সেবার জন্য নিয়োজিত হয় এবং সেইজন্য নির্দিষ্ট নীতি-আদর্শ এবং উপযোগী আঁচনি গ্রহণ করিতে হয়। 

৩। প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মুখ্য লক্ষ্য এবং আকাংক্ষা হইল সময়ে শাসনের গাদী দখলের জন্য সরকার গঠনের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করা। 

৪। রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় স্বার্থের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে এবং সতর্ক থাকে। 

৫। রাজনৈতিক দলের নিজের সাংগঠনিক নির্বাচনের দ্বারা দলের বিষয়ববীয়াদের গণতান্ত্রিক পদ্ধতি নিয়া বাহিয়া লয় এবং দলের শক্তি বৃদ্ধির জন্য নতুন নতুন সদ ভর্তি করে। 

এই রাজনৈতিক দলের বিভিন্ন কার্যাবলী হইল নিম্নলিখিত ধরণের 

১। গণতন্ত্রের উচ্চ প্রমূলাগুলির উপলব্ধি এবং বাস্তবায়িত করিতে রাজনৈতিক দলে জনসাধারণকে আবশ্যকীয় শিক্ষা প্রদান করে। 

২। রাজনৈতিক দলে জনসাধারণকে সরকারের কাছে লইয়া যায় এবং বিভিন্ন কাৰ্যসূচী রূপায়ণ করিয়া সরকার এবং জনতার মধ্যের ব্যবধান মুছিয়া দেয়। 

৩। রাজনৈতিক দলে সরকারের কাম-কাজের মূল্যায়ন করিয়া সুস্থ-সবল জনমত গঠনে আত্মনিয়োগ করে। 

৪। প্রতিটি রাজনৈতিক দলে জনসাধারণের সমর্থন আদায় করিয়া নির্বাচনের কারা জয়ী হইয়া সরকার গঠন করিতে নিজেকে প্রস্তুত করিয়া তুলিতে হয়। 

৫। শাসনের গাদীতে থাকা রাজনৈতিক দলের সরকারটি যদি জনস্বার্থের পরিপন্থী কার্য-কলাপে লিপ্ত হয় তাহা হইলে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার দ্বারা সেই জনসাধারণবিরোধী সরকারের পতন ঘটাইয়া অন্য একটি উপযুক্ত সরকার গঠন করিয়া জনসাধারণকে উপহার প্রদান করা প্রতিটি রাজনৈতিক দলের কর্তব্য বলিয়া বিবেচিত হয়।

প্রশ্ন ৭। সংযুক্ত সরকারের ব্যবস্থাটি বর্তমান সময়ে বিশেষ গুরুত্ব লাভ করার কারণগুলি আলোচনা কর। 

উত্তর : বর্তমান সময়ে বহু গণতান্ত্রিক দেশে সম্মিলিত সরকারের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়া দেখা গিয়াছে। তাহার মূল কারণ হইল—সে সকল ছোট ছোট আঞ্চলিক রাজনৈতিক দল গড়িয়া উঠিয়াছে সেই ছোট ছোট দলগুলিও সম্মিলিত সরকারে যোগ দিয়া শাসন কার্যে অংশগ্রহণ করিতে পারে। সম্মিলিত সরকার গঠন না করিলে এই ছোট ছোট রাজনৈতিক দলগুলি কখনো সরকারে অংশগ্রহণ করার সুযোগ পাইত না। 

দ্বিতীয়ত, দেশে বসবাস করা জাতিগোষ্ঠী, সম্প্রদায়ের লোক সরকারের অংশ গ্রহণ করিতে চায়। এইরূপ জাতি, গোষ্ঠী বা সম্প্রদায়ের পক্ষে নিজেদের দ্বারা সরকার গঠন করা সম্ভবপর হয় না। সেইজনা সম্মিলিত সরকারের মাধ্যমে সেই জনগোষ্ঠীও সরকারের ক্ষমতায় অংশ গ্রহণ করিতে পারে। 

Sl.No.Chapters name
ইতিহাস
Chapter 1ভারতবর্ষে ইউরোপীয়দের আগমন
Chapter 2ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উন্মেষণ
Chapter 3মোয়ামারীয়া গণবিদ্রোহ
Chapter 4মানের অসম আক্ৰমণ
Chapter 5আসামে ব্রিটিশ প্রশাসনের আরম্ভণি
Chapter 6বিয়াল্লিশের শোণিতপুরের শহীদ
ভূগোল
Chapter 1ভূ-পৃষ্ঠের পরিবর্তন
Chapter 2বায়ুমণ্ডল : গঠন, বায়ুর চাপ ও বায়ুপ্রবাহ
Chapter 3ভারতবর্ষের ভূগোল
Chapter 4অসমের ভূগোল
রাজনীতি বিজ্ঞান
Chapter 1ভারতের রাজনৈতিক দল
Chapter 2সরকারের প্রকার বা শ্রেণিবিভাগ
অর্থনীতি বিজ্ঞান
Chapter 1অর্থনীতির মৌলিক বিষয়সমূহ
Chapter 2মূল অর্থনৈতিক সমস্যাসমূহ

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

শুদ্ধ উত্তরটি বাছিয়া লিখ : 

প্রশ্ন ১। এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা আছে— 

(ক) আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে 

(খ) পাকিস্থানে 

(গ) ভারতে 

(ঘ) চীন এবং রাশিয়ায় 

উত্তর : (ঘ) চীন এবং রাশিয়ায় 

প্রশ্ন ২। কোন রাষ্ট্রে দ্বি-দলীয় শাসন ব্যৱস্থা আছে? 

(ক) বাংলাদেশে 

(খ) ফ্রান্সে 

(গ) চীনে 

(ঘ) ইংলেণ্ড এবং আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে 

উত্তর : (ঘ) ইংলেণ্ড এবং আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে 

প্রশ্ন ৩। কোন রাষ্ট্রে বহুদলীয় শাসন ব্যবস্থা আছে— 

(ক) চীনে 

(খ) ইংলেণ্ডে 

(গ) আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রে 

(ঘ) ভারতে 

উত্তর : ভারতে

প্রশ্ন ৪। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছের প্রতিষ্ঠাপক ছিল- 

(ক) উমেশচন্দ্র ব্যানাজী 

(গ) এলেন অক্টেভিয়ান হিউম 

(খ) সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী 

(ঘ) মহাত্মা গান্ধী 

উত্তর : (গ) এলেন অক্টোভিয়ান হিউম 

প্রশ্ন ৫। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছের জন্ম হইয়াছিল— 

(ক) ১৮৮৫ সালে 

(গ) ১৯০৫ সালে 

(খ) ১৮৭৬ সালে 

(ঘ) ১৯২০ সালে 

উত্তর : (ক) ১৮৮৫ সালে 

প্রশ্ন ৬। ভারতীয় মুছলিম লীগের জন্ম হইয়াছিল- 

(খ) ১৯০৬ সালে 

(ঘ) ১৯১৭ সালে 

(ক) ১৯১৬ সালে 

(গ) ১৮৯০ সালে 

উত্তর : (খ) ১৯০৬ সালে 

প্রশ্ন ৭। হিন্দু মহাসভা স্থাপন হইয়াছিল— 

(ক) ১৯৪৭ সালে 

(খ) ১৯২২ সালে 

(গ) ১৯১৬ সালে।

(ঘ) ১৮৮৫ সালে ।

উত্তর : (গ) ১৯১৬ সালে।

প্রশ্ন ৮। শিবসেনা দল কোন প্রদেশের দল- 

(ক) পাঞ্জাবের 

(খ) ছত্তিশগড়ের 

(গ) তেলেংগানার 

(ঘ) মহারাষ্ট্রের 

উত্তর : (ঘ) মহারাষ্ট্রের 

প্রশ্ন ৯। নেশ্যনেল কনফারেন্স দল- 

(ক) পাঞ্জাবের 

(খ) মিজোরামের 

(গ) ঝাড়খণ্ডের

(ঘ) জম্মু এবং কাশ্মীরের 

উত্তর : (ঘ) জন্ম এবং কাশ্মীরের 

প্রশ্ন ১০। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছের সর্বপ্রথম অধিবেশন হইয়াছিল— 

(ক) কলকাতায় 

(খ) নতুন দিল্লীতে

(গ) নাগপুরে 

(ঘ) মুম্বাইতে 

উত্তর : (ঘ) মুম্বাইত

শূন্যস্থান পূর্ণ কর :

প্রশ্ন ১। রাজতন্ত্রে______ ছিল একচ্ছত্রী শাসক। 

উত্তর : রাজতন্ত্রে রাজাই ছিল একজরী শাসক। 

প্রশ্ন ২। রাজার মুখের কথাই ছিল ____।

উত্তর : রাজার মুখের কথাই ছিল আইন। 

প্রশ্ন ৩। —— এবং রাজনৈতিক দল দুটিই একটি অন্যটির পরিপূরক। 

উত্তর ঃ গণতন্ত্র এবং রাজনৈতিক দল দুটিই একটি অন্যটির পরিপুরক। 

প্রশ্ন ৪। চীন এবং রাশিয়ায় থাকা রাজনৈতিক দলটির নাম ____।

উত্তর : চীন এবং রাশিয়ায় থাকা রাজনৈতিক দলটির নাম সাম্যবাদী বা কমিউনিষ্ট দল । 

প্রশ্ন ৫। রাষ্ট্রে থাকা পারি। দলীয় ব্যবস্থাকে প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বলিতে 

উত্তর : রাষ্ট্রে থাকা বহুদলীয় ব্যবস্থাকে প্রকৃত গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বলিতে পারি। 

প্রশ্ন ৬। দ্বিন্দলীয় ব্যবস্থা থাকা গণতন্ত্রকে অধিক সুস্থির এবং বলা হয়। 

উত্তর : দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা থাকা গণতন্ত্রকে অধিক সুস্থির এবং সরল বলা হয়। 

প্রশ্ন ৭। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র একটির শাসনে______ অতি প্রয়োজন। 

উত্তর : গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র একটির শাসনে রাজনৈতিক দলের অতি প্রয়োজন। 

প্রশ্ন ৮। রাজনৈতিক দলে জনগণের মধ্যে _____ বৃদ্ধি করে। 

উত্তর ঃ রাজনৈতিক দলে জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক সজাগতা বৃদ্ধি করে। 

প্রশ্ন ৯।_____ রাজনৈতিক শিক্ষাদানের দ্বারা জনসাধারণের মধ্যে জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করে। 

উত্তর : রাজনৈতিক দলে রাজনৈতিক শিক্ষাদানের দ্বারা জনসাধারণের মধ্যে জনমত গঠনে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করে। 

প্রশ্ন ১০।_____ সালে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানাজীয়ে দ্য ইণ্ডিয়ান এছোচিয়েশান গঠন করে।

উত্তর : ১৮৭৬ সালে সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জীয়ে বা ইণ্ডিয়ান এছোচিয়েশান গঠন করে।

বাওঁদিকের বাক্যাংশের সঙ্গে ডানদিকের বাক্যাংশ মিলাইয়া শুদ্ধ উত্তরগুলি লিখঃ

(ক) প্রথম সাধারণ নির্বাচনে ১৯৫২ সালে— 
(খ) ছ’চিয়েলিষ্ট ফ’রামে কৃষক মজদুর —
(গ) স্বরাজ দলটি ১৯২২ সালে ভারতের— 
(ঘ) জাতীয় কংগ্রেছের পর ১৯০৬ সালে— 
(ঙ) ১৯১৬ সালে জন্ম হওয়া হিন্দু মহাসভা–
(ক) চতুর্থ রাজনৈতিক দল হিসাবে গঠন করা হইয়াছিল। 
(খ) মুছলিম লীগ নামের ভারতের দ্বিতীয় রাজনৈতিক দলের জন্ম হইয়াছিল । 
(গ) ভারতের তৃতীয় রাজনৈতিক দল ছিল। 
(ঘ) পঞ্চাশেরো অধিক রাজনৈতিক দলে অংশগ্রহণ করিয়াছিল। 
(ঙ) পার্টির সঙ্গে যোগ দিয়া প্রজা ছ’চিয়েলিষ্ট পার্টির জন্ম দিয়াছিল।

উত্তর : (ক) এবং (ঘ), (খ) এবং (ঙ), (গ) এবং (ক), (খ) এবং (ঘ), (ঙ) এবং 

সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্ন 

প্রশ্ন ১। ভারতের রাজনীতিতে কিছুদিন আগে প্রবেশ করা রাজনৈতিক দল দুইটি কি কি? 

উত্তর : ভারতের রাজনীতিতে কিছুদিন আগে প্রবেশ করা রাজনৈতিক দল দুইটি হইল তৃণমূল কংগ্রেছ এবং আম আদমী পার্টি। 

প্রশ্ন ২। ভারতের প্রথম আঞ্চলিক দলটির নাম কি ? 

উত্তর : ভারতের প্রথম আঞ্চলিক দলটির নাম হইল তামিলনাড়ুর দ্রাবিড় মুন্নেটা কাজাগাম (ডি.এম.কে.)। 

প্রশ্ন ৩। গত শতিকার কোন দশকটিকে ভারতে আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের সোণালী দশক বলা হয় ? 

উত্তর : গত শতিকার আশীর দশকটিকে ভারতে আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলের সোনালী দশক বলা হয়।

প্রশ্ন ৪। ভারতের কোন নির্বাচনের পর আঞ্চলিকতাবাদী চিন্তাধারা বেশি প্রকট। হইয়াছিল ? 

উত্তর : ভারতের ১৯৬৭ সালের চতুর্থ সাধারণ নির্বাচনের পর আঞ্চলিকতাবাদী চিন্তাধারা বেশি প্রকট হইয়াছিল। 

প্রশ্ন ৫। মিজোরামের আঞ্চলিক দলটির নাম কি ? 

উত্তর : মিজোরামের আঞ্চলিক দলটির নাম হইল মিজো নেশ্যনেল ফ্রন্ট। 

প্রশ্ন ৬। পাঞ্জাবের আঞ্চলিক দলটির নাম কি? 

উত্তর : পাঞ্জাবের আঞ্চলিক দলটির নাম হইল শিরোমণি আকালি দল। 

প্রশ্ন ৭। নাগালেণ্ডের আঞ্চলিক দলটির নাম কি ? 

উত্তর : নাগালেণ্ডের আঞ্চলিক দলটির নাম হইল নাগালেণ্ড পিপল্‌ছ কনফারেন্স। 

প্রশ্ন ৮। ভারতের রাজনীতিতে আঞ্চলিক দলের জন্ম কাহাকে প্রত্যাহ্বান জানাইয়াছিল? 

উত্তর : ভারতের রাজনীতিতে আঞ্চলিক দলের জন্ম একক দলের (কংগ্রেছের) প্রাধান্যকে প্রত্যাহ্বান জানাইয়াছিল। 

প্রশ্ন ৯। পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলিতে কাহাকে বুঝায়? 

উত্তর : পৃথিবীর সর্ববৃহৎ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বলিতে ভারতকে বুঝায়। 

প্রশ্ন ১০। আঞ্চলিক দলগুলির জন্ম ভারতের কোন পর্যায়ে জনসাধারণের অংশগ্রহণে সাহায্য করিয়াছিল ? 

উত্তর : আঞ্চলিক দলগুলির জন্ম ভারতের তথণমূল পর্যায়ে জনসাধারণের অংশগ্রহণে সাহায্য করিযাছিল। 

সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্ন 

প্রশ্ন ১। ভারতের কয়েকটি রাষ্ট্রীয় দলের নাম লিখ। 

উত্তর : ভারতীয় জাতীয় কংগ্ৰেছ, ভারতীয় জনতা পার্টি, ভারতীয় সাম্যবাদী দল, ভারতীয় সাম্যবাদী দল (মাটি), জনতা দল (ইউ), বহুজন সমাজবাদী পার্টি, সমাজবাদী পার্টি ইত্যাদি। 

প্রশ্ন ২। ভারতে কবে এবং কোন দল প্রথমে অকংগ্ৰেছী মৰ্চা বা সংযুক্ত সরকার গঠন করিয়াছিল ?

উত্তর : ১৯৭৭ সালে প্রধানমন্ত্রী মোরারজী দেশাইর নেতৃত্বে ভারতে সর্বপ্রথমবারের জন্য জনতা দল কেন্দ্রে মর্চা বা সংযুক্ত সরকার গঠন করিয়াছিল। 

প্রশ্ন ৩। দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা থাকা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক দল দুইটির নাম কি ? 

উত্তর : দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা থাকা আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক দল দুইটির নাম। লে ডেমক্রেটিক পার্টি এবং রিপাব্লিকান পার্টি ।

প্রশ্ন ৪। দ্বিদলীয় ব্যবস্থা থাকা ইংলেন্ডের রাজনৈতিক দল দুইটির নাম কি? 

উত্তর: দ্বি-দলীয় ব্যবস্থা থাকা ইংলেন্ডের রাজনৈতিক দল দুইটির নাম হইল লেবার বা শ্রমিক দল এবং কনজারভেটিভ বা রক্ষণশীল দল। 

প্রশ্ন ৫। সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় কোন রাজনৈতিক দল সরকার গঠন করিতে পারে? 

উত্তর : নির্বাচনে যে রাজনৈতিক দলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা বা দুই-তৃতীয়াংশ আসন লাভ করে সেই দলই সরকার গঠন করিতে পারে। 

প্রশ্ন ৬। শতবর্ষ (১০০ বৎসর) পার করা ভারতের রাজনৈতিক দলটির নাম কি? 

উত্তর : শতবর্ষ (১০০ বৎসর) পার করা ভারতের রাজনৈতিক দলটির নাম হইল। ১৮৮৫ সালে গঠিত ভারতীয় জাতীয় কংগ্ৰেছ। 

প্রশ্ন ৭। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছের প্রথম সভাপতি কে ছিলেন? 

উত্তর : ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছের প্রথম সভাপতি ছিলেন উমেশচন্দ্র ব্যানার্জী। 

প্রশ্ন ৮। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছের একমাত্র অসমিয়া সভাপতি কে ছিলেন? 

উত্তর : ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছের একমাত্র অসমিয়া সভাপতি ছিলেন দেবকান্ত বরয়া। 

প্রশ্ন ৯। তামিলনাড়ুর কোন আঞ্চলিক দল বর্তমান শাসন চালাইতেছে? 

উত্তর : তামিলনাড়ুর আম্মা জয়াললিতা নেতৃত্বাধীন এ.আই.ইউ.ডি.এম. কে. আঞ্চলিক দল বর্তমান শাসন চালাইতেছে। 

প্রশ্ন ১০। অসম গণ পরিষদ দল কত সালে গঠিত হইয়াছিল ? 

উত্তর : অসম গণ পরিষদ দল ১৯৮৫ সালে গঠিত হইয়াছিল। 

প্রশ্ন ১১। অসম গণ পরিষদের (অগপ) প্রথম সভাপতি কে ছিলেন? 

উত্তর : অসম গণ পরিষদের (অগপ) প্রথম সভাপতি ছিলেন প্রযুগ্ম কুমার মহস্ত। 

প্রশ্ন ১২। অসমের আঞ্চলিক দল এ.আই.ইউ.ডি.এফ. এর প্রতিষ্ঠাপক কে? 

উত্তর : অসমের আঞ্চলিক দল এ.আই.ইউ.ডি.এফ. এর প্রতিষ্ঠাপক বদরুদ্দিন আজমল।

প্রশ্ন ১৩। বড়োলেণ্ড (বি.টি.চি.)-তে শাসন চালানো আঞ্চলিক দলটির নাম কি? 

উত্তর : বড়োলেণ্ড (বি.টি.চি.)-তে শাসন চালানো আঞ্চলিক দলটির নাম হইল বি.পি.এফ. (বড়োলেও পিপ’লছ। 

প্রশ্ন ১৪। বি.পি.এফ.-এর সভাপতি কে? 

উত্তর: বি.পি.এফ.এর সভাপতি হাগ্ৰামা মহিলারী। 

প্রশ্ন ১৫। তরুণ গগৈ নেতৃত্বাধীন অসমের কংগ্রেছ সরকারটিতে কোন আঞ্চলিক দলে সহযোগী দল হিসাবে যোগদান করিয়াছিল ? 

উত্তর : তরুণ গগৈ নেতৃত্বাধীন অসমের কংগ্রেছ সরকারটিতে হাগ্রামা মহিলারী নেতৃত্বাধীন বি.পি.এফ. আঞ্চলিক দলে সহযোগী দল হিসাবে যোগদান করিয়াছিল। 

দীর্ঘ উত্তরের প্রশ্ন : 

প্রশ্ন ১। অসমে বিরোধী দলগুলির ভূমিকা কি আলোচনা কর। 

উত্তর : ১২৬ জনের অসম বিধানসভায় শাসকীয় কংগ্ৰেছ দলে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করিয়া ২০০১ সাল হইতে বর্তমান পর্যন্ত সরকার চালাইতেছে। মধ্যে বড়োলেতের বি.পি.এফ. দলও গগৈ নেতৃত্বাধীন সরকারটিতে অংশগ্রহণ করিয়াছিল যদিও মন্ত্রীত্ব পদ ইস্তফা দেওয়ায় বর্তমান বিরোধীর আসনে বসিয়াছে। বি.পি.এফ. ছাড়াও অসম বিধানসভায় থাকা অন্য প্রধান বিরোধী দলগুলি হইল— অসম গণ পরিষদ, ভারতীয় জনতা দল এবং এ.আই.ইউ.ডি.এফ. দল। এই দলগুলির কোন একটি দলও সংবিধানসন্মতভাবে বিরোধী দলের মর্যাদা লাভ করিতে পারে নাই যদিও বিধানসভায় প্রতিটি বিরোধী দলে নিজের নিজের পতাকার নীচে বিরোধী দলের কার্য চালানো দেখা যায়। 

অসমের এই বিরোধী দলগুলি সদনে শাসনে থাকা সরকারটিকে সমালোচনা করিলেও সকলে একত্রিতভাবে বিরোধীর কাম-কাজ চালানো দেখা যায় না। পৃথকে পৃথকেহে সদনে তাঁহাদের বক্তব্য রাখা দেখা যায়। একতার অভাবে অসমের বিরোধী শিবির যথেষ্ট দুর্বল হওয়া দেখা যায়।

Leave a Reply