SEBA Class-9 Social Science Question Answer| History| Chapter-2| ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উন্মেষণ

SEBA Class-9 Social Science Question Answer| History| Chapter-2| ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উন্মেষণ, প্রশ্নের উত্তর SEBA, এনসিইআরটি ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান মৌচাক এবং মুহূর্তগুলির জন্য সমাধান, ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান নোটগুলি পরীক্ষায় দক্ষতার জন্য অনেক মূল্যবান হতে পারে। আসাম বোর্ড ক্লাস 9 সামাজ বিজ্ঞান সমাধানে আপনাকে সমস্ত অধ্যায় সম্পর্কে আরও ভাল জ্ঞান দেয়। আপনি মৌলিক এবং উন্নত উভয় স্তরের প্রশ্নের সমাধান পেতে পারেন। আপনার বোর্ড পরীক্ষায় পারদর্শী হওয়ার অন্যতম সেরা উপায় হল অনুশীলন করা।

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (ASSAMESE MEDIUM)

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (BANGLA MEDIUM)

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (ENGLISH MEDIUM)

SEBA Class-9 Social Science Question Answer| History| Chapter-2| ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উন্মেষণ

এছাড়াও, আপনি SCERT (CBSE) বইয়ের নির্দেশিকা অনুসারে বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা সমাধান এই বিভাগগুলিতে অনলাইনে SEBA বই পড়তে পারেন৷ এখানে আমরা SEBA Class-9 Social Science Question Answer| History| Chapter-2| ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উন্মেষণ দিয়েছি সব বিষয়ের জন্য বাংলা সমাধান, আপনি এখানে অনুশীলন করতে পারেন।

পাঠ 2

পাঠ্যভিত্তিক প্রশ্নোত্তর

অতি সংক্ষিপ্ত ও সংক্ষিপ্ত উত্তরের প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উন্মেষণের প্রথম (প্রধান) কারকটি কি? সময় উল্লেখ করিয়া লিখ ।

উত্তর : ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উন্মেষণের প্রথম (প্রধান) কারকটি হইল ঊনবিংশ শতিকার প্রথমার্ধে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাব।

প্রশ্ন ২। ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?

উত্তর : ‘আনন্দমঠ’ উপন্যাসের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

প্রশ্ন ৩। স্যারে জাহাছে আচ্ছা…’ গীতের গীতিকার কে?

উত্তর ঃ স্যারে জাহাছে আচ্ছা….’ গীতের গীতিকার কবি ইকবাল। 

প্রশ্ন ৪। ভারতে সর্বপ্রথম রেল যাতায়াত করে এবং কোথায় সূচনা হইয়াছিল?

উত্তর : ১৯৫৩ সালে বোম্বাই এবং থানের মধ্যে ২১ কি.মি. দৈর্ঘ্যের রেল

যাতায়াতের সূচনা হইয়াছিল।

প্রশ্ন ৫। ভারতে সর্বপ্রথম টেলিগ্রাফ ব্যবস্থা কোথায় এবং কবে সূচনা হইয়াছিল?

উত্তর : ১৮৩৯ খৃষ্টাব্দে কলিকাতা এবং ডায়মণ্ড হারবারের মধ্যে। 

প্রশ্ন ৬। ভারতে সর্বপ্রথম ছাপাশাল কোথায় এবং কবে স্থাপন হইয়াছিল?

উত্তর ঃ ১৭৯৭ খৃষ্টাব্দে ইউরোপীয় মিশ্যনেরিরা প্রথমে শ্রীরামপুরে প্রথমটি ছাপাশাল স্থাপন হইয়াছিল।

প্রশ্ন ৭। কলিকাতার প্রেছিডেন্সি কলেজ প্রথমে কি নামে প্রতিষ্ঠা হইয়াছিল? 

উত্তর ঃ কলিকাতা প্রেছিডেন্সি কলেজ প্রথমে হিন্দু কলেজ নামে প্রতিষ্ঠা হইয়াছিল।

প্রশ্ন ৮। লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের দুইটি উল্লেখযোগ্য সমাজ সংস্কারের বিষয়ে লিখ।

উত্তর ঃ লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের দুইটি উল্লেখযোগ্য সমাজ সংস্কারের নাম হইল— সতীদাহ প্রথা বন্ধ এবং ঠগ দমন।

প্রশ্ন ৯। ভারতীয় সংবাদ পত্রের ইতিহাসের ইংরাজি ভাষার প্রথম সংবাদপত্রটির নাম কি?

উত্তর : ভারতীয় সংবাদ পত্রের ইতিহাসের ইংরাজি ভাষার প্রথম সংবাদ পত্রটির নাম হইল বেংগল গেজেট।

সংক্ষিপ্ত ও দীর্ঘ উত্তরের প্রশ্ন

প্রশ্ন ১। সিপাহী বিদ্রোহে কিভাবে ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটাইয়াছিল। সংক্ষেপে লিখ।

উত্তর : ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহকে একপ্রকারের ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের সূচনা বলে অভিহিত করিতে পারা যায়। সিপাহীগণ তাহাদের ব্রিটিশ বিষয়ার সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে বহু মানুষ কাটা মারা করিয়াছিল। সিপাহীদের বহুতেই সৈনিক ছাউনি ছাড়িয়া গ্রামে-গঞ্জে ঢুকিয়া পড়িয়াছিল এবং ইংরাজ রাজশক্তিকে অসুবিধায় ফেলিয়াছিল। তাঁহারা দিল্লীতে বাহাদুর শাহকে হিন্দুস্থানের সম্রাট বলিয়া ঘোষণা করিয়াছিল। সিপাহীদের মধ্যে ইংরাজের বিরুদ্ধে জাতীয় চেতনা জাগৃত হইয়াছিল।

প্রশ্ন ২। উডের প্রেরণ-পত্র’-এর মূল উদ্দেশ্য কি কি ছিল লিখ। 

উত্তর : (ক) পাশ্চাত্য সাহিত্য-সংস্কৃতির সম্প্রসারণ।

(খ) প্রাথমিক স্তর হইতে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত দেশীয় এবং ইংরাজি ভাষার দ্বারা শিক্ষিতের হার বৃদ্ধি।

(গ) সরকারি চাকুরির জন্য উপযুক্ত শিক্ষিত লোক গঢ়িয়া তোলা। 

প্রশ্ন ৩। ভারতীয় জাতীয় জাগরণ গঢ়িয়া তোলায় মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করা ৬টি কারকের বিষয়ে লিখ।

উত্তর : ভারতীয় জাতীয় জাগরণ গঢ়িয়া তোলায় মুখ্য ভূমিকা গ্রহণ করা কারকগুলি হইল—

(ক) পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাব,

(খ) যাতায়াতের উন্নতি,

(গ) ধর্ম এবং সমাজ সংস্কার আন্দোলন,

(ঘ) সংবাদ পত্রের ভূমিকা,

(ঙ) জাতীয় অনুষ্ঠান গঠনের প্রস্তুতি এবং 

(চ) ভারতীয় জাতীয় কংগ্ৰেছ।

প্রশ্ন ৪। ভারতীয় জাতীয় জাগরণ গঢ়ি তোলায় পাশ্চাত্য শিক্ষার চারিটি প্রভাবের বিষয়ে লিখ।

উত্তর : (ক) ইংরাজি ভাষার মাধ্যমে পাশ্চাত্য শিক্ষা ব্যবস্থার প্রবর্তন, 

(খ) পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রভাবে ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা আধুনিকতার দিকে অগ্রসর হওয়া, 

(গ) আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার জন্য বিভিন্ন অনুষ্ঠান গঢ়িয়া উঠা এবং

(ঘ) চাকুরির জন্য শিক্ষিত লোক গঢ়িয়া তোলা । 

প্রশ্ন ৫। ভারতীয় জাতীয় জাগরণ গড়িয়া তোলায় যাতায়াতের উন্নতি কিভাবে প্রভাব ফেলিয়াছিল লিখ।

উত্তর : ব্রিটিশ শাসনকালে সংগঠিত হওয়া আধুনিক পরিবহন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভারতবর্ষে জাতীয়তাবোধ গড়িয়া তুলিতে এক সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করিয়াছিল। কারণ এই ব্যবস্থা প্রবর্তনের পূর্বে ভারতবর্ষ ছিল একপ্রকার গ্রামের সমষ্টি। ব্রিটিশের স্বারা প্রবর্তন করা পরিবহন এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা ভারতীয় সমাজের গোড়ামী, ধর্মান্ধতা এবং জাতিভেদ প্রথার আংশিক অবসান ঘটাইয়া জাতীয় চেতনা বিকাশে ইন্ধন যোগাইয়াছিল। রেল চলাচলের জন্য রেল লাইন বসানো এবং মোটর গাড়ী চলার জন্য রাস্তাঘাট নির্মাণের মত কাজ দ্রুত পরিবর্তনের সূচনা করার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন প্রান্তে ভাষিক এবং ধর্মীয় চেতনায় বিভাজিত হইয়া থাকা ভারতীয়দের মধ্যে জাতীয়তাবোধের বীজ বপন করা হইয়াছিল ।

রেল এবং বাসে বিভিন্ন জাতি, বর্ণ এবং ধর্মের লোকদের একসঙ্গে আসা-যাওয়া আরম্ভ হওয়ার ফলে তাঁহাদের মধ্যে ধর্মীয় গোড়ামী এবং জাতিভেদ প্রথার অবসানের পথ প্রশস্ত হইয়াছিল এবং মানুষের মনে সামাজিক সংকীর্ণতা এবং ধর্মীয়বোধ ক্রমাগতভাবে হ্রাস পাইয়াছিল। অপরপক্ষে, এই আধুনিক পরিবহন এবং যাতায়াত ব্যবস্থা ভারতের বিভিন্ন প্রান্তে পৃথক পৃথক ভাগ হইয়া থাকা বিভিন্ন ভাষা-ভাষীর মধ্যে জাতীয়তাবোধ গড়িয়া তুলিয়াছিল। এইক্ষেত্রে একজন ঐতিহাসিকের মন্তব্য ছিল এইরূপ—“যেভাবে লক্ষ লক্ষ ইঁদুর দেশে প্লেগ, মহামারীর বীজাণু ছড়াইয়া দেয় ঠিক সেইভাবে গ্রাম হইতে শহর পর্যন্ত এবং শহর হইতে গ্রাম পর্যন্ত আসা যাওয়া করা যাত্রীতে ভর্তি লক্ষ লক্ষ বাস দেশে আধুনিকতার বার্তা বহন করিয়া ঘুরিতেছে। “উক্ত আলোচনা হইতে আমরা বলিতে পারি যে, আধুনিক পরিবহন ও যাতায়াত ব্যবস্থা একদিকে ব্রিটিশ শাসনকে যেভাবে শক্তিশালী করিয়াছিল ঠিক সেইভাবে ভারতীয় লোকের মধ্যে সর্বভারতীয় সংগঠন এবং আন্দোলন গড়িয়া তোলায় ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী ঢেউ এবং সর্বভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের মূলে এই আধুনিক যাতায়াত এবং পরিবহন ব্যবস্থা যথেষ্ট অবদান যোগাইয়াছিল।

প্রশ্ন ৬। ভারতীয় জাতীয় জাগরণ গঢ়িয়া তোলায় রাজা রামমোহন রায়ের অবদানের বিষয়ে লিখ।

উত্তর : ভারতীয় জাতীয় জাগরণ গঢ়িয়া তোলা প্রথম ব্যক্তি হইল রাজা রামমোহন রায়। তিনি বংগদেশের বর্ধমান জেলার একটি রক্ষণশীল পরিবারে জন্মগ্রহণ করিয়াছিল। তিনি একজন সংস্কারক, শিক্ষা, ধর্ম, রাজনীতি আদি সকল বিষয়েই নবজাগরণের ভাব গঢ়িয়া তুলিয়াছিল। ১৮৩৩ খৃষ্টাব্দে তিনি ব্রিটিশ হাউস্ অব কমন্সে বাছনি কমিটির সভায় ভারতীয়দের পক্ষে সাক্ষ্য দিতে লণ্ডনে উপস্থিত হইয়াছিল। তিনি ভারতীয়দের জন্য নতুন সনদ চাহিয়াছিল। তিনি কৃষকের আর্থিক অবস্থার উন্নতির জন্য বর্ধিত ভূমি কর উঠাইয়া দিতে ব্রিটিশ সরকারকে আহ্বান করিয়াছিল। রাজা রামমোহন রায় ছিল। আধুনিক ভারতের জন্মদাতা।

প্রশ্ন ৭। ভারতীয় জাতীয় জাগরণ গঢ়িয়া তোলায় দয়ানন্দ সরস্বতীর অবদানের বিষয়ে লিখ।

 উত্তর : ভারতীয় জাতীয় জাগরণ গঢ়িয়া তোলায় স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতীর বিশেষ ভূমিকা ছিল। তিনি ইসলাম এবং খৃষ্টান ধর্মের অগ্রগতি রোধ করিয়া একটি প্রগতিশীল সমাজ গঢ়ার জন্য অগ্রণী ভূমিকা নিয়াছিল। তিনি আর্য সমাজ প্রতিষ্ঠা করিয়াছিল। তিনি প্রথম ধর্মান্তরকরণ ব্যবস্থাটি প্রবর্তন করিয়া অন্য ধর্মীয় লোককে ইচ্ছানুসারে হিন্দু ধর্ম গ্রহণে অনুমতি প্রদান করিয়াছিল। স্বামী দয়ানন্দ স্বরস্বতী আর্য সমাজের শাখা ভারতের বিভিন্ন জায়গায় স্থাপন করিয়া ভারতে হিন্দু জাতীয়তাবাদ গঢ়িয়া তুলিয়াছিল।

প্রশ্ন ৯। ভারতীয় জাতীয় জাগরণ গঢ়িয়া তোলায় কেশব চন্দ্র সেনের অবদানের বিষয়ে লিখ।

উত্তর : ব্রাহ্ম সমাজের আর্হিতে কেশবচন্দ্র সেন মহারাষ্ট্রে ১৮৬৭ খৃষ্টাব্দে প্রার্থনা সমাজ প্রতিষ্ঠা করিয়াছিল। দক্ষিণ ভারতে এই অনুষ্ঠান সংস্কারমুখী একটি প্রবল আলোড়নের সৃষ্টি করিয়াছিল এবং দক্ষিণ ভারতের জনতার অন্তরে জাতীয়তাবাদী ভাবধারার গভীর প্রেরণার সঞ্চার করিয়াছিল।

প্রশ্ন ১০। ভারতীয় জাতীয় জাগরণ গঢ়িয়া তোলায় রামকৃষ্ণ পরমহংসের অবদানের বিষয়ে লিখ।

উত্তর : রামকৃষ্ণ পরমহংস একজন সহজ-সরল ব্যক্তি ছিলেন। তাঁহার মতবাদকে কেন্দ্র করিয়াই রামকৃষ্ণ মিশন গঢ়িয়া উঠিয়াছিল। তিনি অতি সুন্দর উপমার দ্বারা ধর্ম বিশ্লেষণ করিয়া অনুগামীদের মুগ্ধ করিয়াছিল। স্বামী বিবেকানন্দ তাঁহার শিষ্য ছিলেন।

প্রশ্ন ১১। ভারতীয় জাতীয় জাগরণ গঢ়িয়া তোলায় এনি বেছাণ্টের অবদানের বিষয়ে লিখ।

উত্তর : এনি বেছাণ্ট একজন বিচক্ষণ সমাজ সেবক ছিলেন। তিনি সমাজ সেবার মধ্য দিয়া ভারতীয় সভ্যতা এবং সংস্কৃতি পুনরুদ্ধারের জন্য মনোনিবেশ করিয়াছিল। ১৯০৭ সালে এনি বেছাণ্ট বারানসীতে ‘সেন্ট্রেল হিন্দু স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করিয়াছিল। অবশেষে সেইটিই ১৯১৫ খৃষ্টাব্দে বারানসী বিশ্ববিদ্যালয় হয়। তিনি ১৯১৭ খৃষ্টাব্দে জাতীয় কংগ্রেছের সভাপতি হয়।

প্রশ্ন ১২। আলিগড় আন্দোলন কি? এই আন্দোলন মুসলমানদের কিভাবে আধুনিক চিন্তা-চর্চার পথ দেখাইয়াছিল লিখ।

উত্তর : ভারতীয় মুসলমান সমাজকে আলিগড় শিক্ষানুষ্ঠানের মধ্য দিয়া শিক্ষিত করিয়া তাঁহাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী ভাব-চিন্তাৰ সঞ্চার করাকে আলিগড় আন্দোলন বলা হয়। মুসলমান সমাজকে আধুনিক চিন্তা-চর্চার দ্বারা উজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে স্যার সৈয়দ আহমেদ খানের অবদান উল্লেখনীয়। তিনি মুসলমান লোকের শিক্ষার জন্য ১৮৮৪ খৃষ্টাব্দে গাজীপুরণ নামে একটি ইংরাজি আদর্শ বিদ্যালয় স্থাপন করে। ১৮৭৫ খৃষ্টাব্দে তিনি আলিগড় মহম্মদান এংলো ইণ্ডিয়ান কলেজ স্থাপন করে। ১৯২০ খৃষ্টাব্দে এই কলেজটিই আলিগড় মুছলিম বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়। এই শিক্ষানুষ্ঠানেৰ শিক্ষিত লোকই অবশেষে জাতীয় কংগ্রেছ প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর অন্য একটি জাতীয় অনুষ্ঠান গঢ়িয়া তোলার ক্ষেত্রে বিশেষ অরিহণা যোগাইয়াছিল।

প্রশ্ন ১৩। ‘সংবাদ-পত্র’-এর জন্মই কিভাবে ভারতীয়দের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চিন্তার উদ্রেক ঘটাইয়াছিল বর্ণনা কর।

উত্তর : ভারতবর্ষে সংবাদ-পত্রে ভারতীয়দের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চিন্তার উদ্রেক ঘটাইয়াছিল। সংবাদ-পত্রগুলি ছিল জাতীয় ভাবধারার দ্বারা পরিপুষ্ট। জাতীয়তাবাদী নেতারা প্রকাশ করা এই সংবাদপত্রগুলির মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল সমাজ সংস্কার করা এবং অন্যটিা হইল ভারতীয়দের মধ্যে জাতীয়তাবোধ গঢ়িয়া তোলা। তাহাদের এই চেষ্টার ফলশ্রুতিতে ভারতবর্ষে জাতীয়তাবাদী মতাদর্শ বিশেষ প্রসারতা লাভ করিয়াছিল এবং সংবাদ-পত্রের সংখ্যাও বাঢ়িয়াছিল। এইভাবে সংবাদ পত্র বৃদ্ধি পাওয়ার মূলে ছিল। পাঠকের সংখ্যাবৃদ্ধি। তাই সংবাদ-পত্রের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্রিটিশ প্রশাসনের মধ্যে একটি চিন্তার বিষয় হইয়া পরিয়াছিল। ফলস্বরূপে লর্ড লিটন ভারতীয় দেশীয় সংবাদ-পত্রের উপরে ভার্নাকুলার এক্ট পাশ করিয়াছিল এবং সংবাদপত্রের উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করিয়াছিল। তৎসত্বেও ভারতীয়দের মধ্যে জাতীয়তাবাদী চেতনা এবং আন্দোলন অধিক সম্প্রসারিত হইয়াছিল। 

প্রশ্ন ১৪। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছের জন্মের ইতিহাস সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লিখ।

উত্তর : ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জন্ম সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে ঊনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধ হইতে ভারতবর্ষে প্রাথমিক ভিত্তিতে গড়িয়া উঠা নাগরিকসভার ভূমিকা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই নাগরিকসভাসমূহ প্রায় অর্ধশতক ধরিয়া রাজনৈতিক কাজ কর্মের মাধ্যমে ভারতীয় জনতার মনে এক সর্বভারতীয় মনোভাব গড়িয়া উঠে। এইরূপ এক জাগরণের ফলশ্রুতিতে অবসরপ্রাপ্ত ব্রিটিশ আই. সি. এস. উচ্চপদস্থ কর্মচারী এলেন অক্টোভিয়ান হিউমের প্রচেষ্টায় ১৮৮৫ সনের ডিসেম্বর মাসে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের জন্ম হইয়াছিল।

এখানে মনে রাখিতে হইবে যে, এলেন অক্টোভিয়াম হিউম ১৮৫৭ সনের বিদ্রোহের সময়ে ভারতের কৃষিসচিব হিসাবে দায়িত্ব নির্বাহ করার সময়ে সমগ্র ভারতের কৃষকদের মধ্যে থাকা ইংরেজদের বিরুদ্ধে অসন্তোষের ইঙ্গিত পাইয়াছিলেন এবং ১৮৫৭ সনের বিদ্রোহ অপেক্ষা আরও ভয়ঙ্কর বিদ্রোহ হইবে বলিয়া বুঝিতে পারিয়াছিলেন। ফলে সম্ভাব্য এইরূপ বিদ্রোহের বিকল্প প্রতিষেধক হিসাবে তিনি দেশের উদীয়মান শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীকে ব্রিটিশ অনুরাগী রাজনৈতিক শক্তি হিসাবে গড়িয়া তোলার এক পরিকল্পনা হাতে নিয়াছিলেন। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠা করার মূলে হিউম ভারতীয় শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর হাতে দেশের রাজনৈতিক ঘটনাবলী নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা অর্পণ করার দ্বারা ব্রিটিশ শাসনকে নিরাপত্তা দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়াছিলেন। হিউমের এই নিরাপদ সুড়ঙ্গ-এর পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতিতেই ১৮৮৫ সনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের সৃষ্টি হয়।

প্রশ্ন ১৫। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের কার্যাবলী এবং বিকাশ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত টীকা লিখ।

উত্তর : ১৮৮৫ খৃষ্টাব্দে ইংরাজের অবসরপ্রাপ্ত বিষয়া এলেন অক্টোভিয়ান হিউমের প্রচেষ্টায় জন্মলাভ করা ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছে ভারতীয়দের মনে জাতীয়তাবাদী ভাব অধিক সক্রিয় করিয়া তুলিয়াছিল। ভারতীয় জাতীয় স্বার্থে গঢ়ে উঠা এই জাতীয় অনুষ্ঠানটির দ্বারা দেশমাতৃর জন্য ঝাপাইয়া পরিতে দেশবাসীক আহ্বান করিয়াছিল। এই অনুষ্ঠানটির প্রথম সভাপতি ছিল কলিকাতার ব্যারিষ্টার উমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়। ভারতের সকল জাতি-জনগোষ্ঠী, সম্প্রদায়ের জনমতের প্রতি সন্মান জানাইয়া কংগ্রেছে কর্মপন্থা হাতে নিয়ে আগাইয়া গিয়াছিল।

এই অনুষ্ঠানটি প্রথম অবস্থায় ইংরাজ সরকারকে আবেদনের দ্বারা সমস্যাগুলি সমাধান করার জন্য আহ্বান করিয়াছিল যদিও একদলে চরমপন্থী পন্থা অবলম্বন করিয়াছিল। তাঁহাদের মতে বৃটিশের বিরুদ্ধে সকলেই সষ্টম হওয়া উচিত। বিপিনচন্দ্র পালের মত ব্রিটিশ-বিরোধী নেতা অনুনয়-বিনয় ত্যাগ করিয়া স্বদেশী কার্যসূচীকে গুরুত্ব দিয়া আগাইয়া যাইতে কংগ্ৰেছকে আহ্বান জানাইয়াছিল।

১৯০৬ সালে কলিকাতায় স্বদেশী আন্দোলনের কার্যসূচী গ্রহণ করায় পরিস্থিতির কিছু উন্নতি হইয়াছিল যদিও ১৯০৭ সালে চরমপন্থী এবং নরমপন্থী নামে দুইটি দলে কংগ্ৰেছ বিভক্ত হয়। লালা লাজপত রায়, বিপিনচন্দ্র পাল এবং বাল গংগাধর তিলক। ছিল অন্যতম। তাঁহারা স্বদেশী, স্বরাজ এবং জাতীয় শিক্ষা আদি বিষয়গুলির উপরে আস্থা রাখিয়া ভারতীয়দের মধ্যে রাজনৈতিক জাতীয়তাবাদের গতি বজায় রাখিয়াছিল।

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১। পলাশির যুদ্ধ কার কার মধ্যে হইয়াছিল ?

উত্তর : পলাশির যুদ্ধ রবার্ট ক্লাইভ এবং বঙ্গের নবাব সিরাজউদ্দোল্লার মধ্যে হইয়াছিল। 

প্রশ্ন ২। ‘বন্দে মাতরম’ গীতটির রচক কে ?

উত্তর : বিন্দে মাতরম’ গীতটির রচক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

প্রশ্ন ৩। মিছেছ এনি বেছাণ্ট কোন দেশের মহিলা ছিলেন?

উত্তর : মিছেছ এনি বেছাণ্ট আয়ারল্যাণ্ডের মহিলা ছিলেন। 

প্রশ্ন ৪। ‘আলিগড় মুছলিম বিশ্ববিদ্যালয়’-এর পূর্বের নাম কি ছিল?

উত্তর : ‘আলিগড় মুছলিম বিশ্ববিদ্যালয়’-এর পূর্বের নাম ছিল আলিগড় মহম্মদান

এংলো ইণ্ডিয়ান কলেজ।

প্রশ্ন ৫। অস্ত্র আইন নিষেধ কে জারি করিয়াছিল ?

উত্তর : অস্ত্র আইন নিষেধ জারি করিয়াছিল গভর্ণর জেনেরেল লর্ড লিটন। 

প্রশ্ন ৬। ইণ্ডিয়ান এসোসিয়েসনের প্রতিষ্ঠাপক কে ?

উত্তর : ইণ্ডিয়ান এসোসিয়েসনের প্রতিষ্ঠাপক সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়। 

প্রশ্ন ৭। ইংরাজ শাসিত ভারতের প্রথম প্রতিনিধিমূলক সভা কোনটি?

উত্তর ঃ ইংরাজ শাসিত ভারতের প্রথম প্রতিনিধিমূলক সভা ইণ্ডিয়ান এসোসিয়েসনে আয়োজন করা ‘জাতীয় সন্মিলন’।

প্রশ্ন ৮। ‘ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেছ’ কে গঠন করিয়াছিল ? 

উত্তর : ‘ভারতীয় জাতীয় কংগ্ৰেছ’ গঠন করিয়াছিল ইংরাজের অবসরপ্রাপ্ত বিষয়া এলেন অক্টোভিয়ান হিউম। 

প্রশ্ন ৯। ‘আর্য সমাজ’ কে প্রতিষ্ঠা করিয়াছিল ?

উত্তর : ‘আর্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠা করিয়াছিল স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী। 

প্রশ্ন ১০। কাশী বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বের নাম কি ছিল?

উত্তর : কাশী বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্বের নাম ছিল সেন্ট্রেল হিন্দু স্কুল। 

প্রশ্ন ১১। ইংল্যাণ্ডের ব্রিটিশ কমন্স সভার প্রথম ভারতীয় সদস্য   কে?

উত্তর : ইংল্যাণ্ডের ব্রিটিশ কমন্স সভার প্রথম ভারতীয় সদস্য দাদাভাই নৌরজী।

প্রশ্ন ১২। লাল-বাল-পাল বলিতে কি বুঝ ?

উত্তর : লালা লাজপত রায়, বাল গঙ্গাধর তিলক এবং বিপিনচন্দ্র পাল।

প্রশ্ন ১৩। স্বামী বিবেকানন্দের প্রকৃত নাম কি ছিল?

উত্তর : স্বামী বিবেকানন্দের প্রকৃত নাম ছিল নরেন্দ্রনাথ দত্ত।

প্রশ্ন ১৪। “স্বরাজ আমার জন্মস্বত্ব’ কে বলিয়াছিলেন?

উত্তর : দাদাভাই নৌরজী বলিয়াছিলেন ‘স্বরাজ আমার জন্মস্বত্ব”।

প্রশ্ন ১৫। অবসরের পূর্বে অক্টোভিয়ান হিউম কি পদে কার্যনির্বাহ করিয়াছিলেন? 

উত্তর : অবসরের পূর্বে অক্টোভিয়ান হিউম কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি সচিব পদে কার্যনির্বাহ করিয়াছিলেন।

Sl.No.Chapters name
ইতিহাস
Chapter 1ভারতবর্ষে ইউরোপীয়দের আগমন
Chapter 2ভারতীয় জাতীয়তাবাদের উন্মেষণ
Chapter 3মোয়ামারীয়া গণবিদ্রোহ
Chapter 4মানের অসম আক্ৰমণ
Chapter 5আসামে ব্রিটিশ প্রশাসনের আরম্ভণি
Chapter 6বিয়াল্লিশের শোণিতপুরের শহীদ
ভূগোল
Chapter 1ভূ-পৃষ্ঠের পরিবর্তন
Chapter 2বায়ুমণ্ডল : গঠন, বায়ুর চাপ ও বায়ুপ্রবাহ
Chapter 3ভারতবর্ষের ভূগোল
Chapter 4অসমের ভূগোল
রাজনীতি বিজ্ঞান
Chapter 1ভারতের রাজনৈতিক দল
Chapter 2সরকারের প্রকার বা শ্রেণিবিভাগ
অর্থনীতি বিজ্ঞান
Chapter 1অর্থনীতির মৌলিক বিষয়সমূহ
Chapter 2মূল অর্থনৈতিক সমস্যাসমূহ

বহুবিকল্পী প্রশ্নোত্তর

প্রশ্ন ১। পলাশির যুদ্ধ হইয়াছিল—

(ক) ১৮৫৭ সালে 

(খ) ১৮৫৩ সালে

(গ) ১৯০৩ সালে 

(ঘ) ১৭৫৭ সালে

উত্তর : (ঘ) ১৭৫৭ সালে

প্রশ্ন ২। বংগ-ভঙ্গ আঁচনি কার্যকরী হইয়াছিল

(ক) ১৯০৩ সালে

(গ) ১৯০৭ সালে

(খ) ১৯০৫ সালে

(ঘ) ১৯১০ সালে

উত্তর : (ঘ) ১৯০৫ সালে

প্রশ্ন ৩। আলিগড় মুছলিম বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হৈছিল

(ক) ১৭৮০ সালে

(খ) ১৮৭৮ সালে

(গ) ১৭৫৭ সালে

(ঘ) ১৯২০ সালে

উত্তর : (ঘ) দয়ানন্দ সরস্বতী

প্রশ্ন ৪। ‘আর্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠা করিয়াছিল—

(ক) দয়ানন্দ সরস্বতী

(খ) বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

(গ) স্বামী বিবেকানন্দ

(ঘ) রাজা রামমোহন রায়

উত্তর : (ঘ) দয়ানন্দ সরস্বতী

প্রশ্ন ৫। ‘সতীদাহ প্রথা’ বন্ধ করিয়াছিল—

(ক) লর্ড লিটন

(খ) লর্ড রিপণ

(গ) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক 

(ঘ) লর্ড ডেলহাউচি

উত্তর : (ঘ) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক

প্রশ্ন ৬। সংবাদ-পত্রের উপরে বাধা নিষেধ প্রয়োগ করিয়াছিল—

(ক) লর্ড ওয়েলেচলি

(খ) লর্ড কার্জন

(ঘ) স্যার জন ছোৱ

(গ) লর্ড লিটন

উত্তর : (ঘ) লর্ড ওয়েলেচলি

সংক্ষিপ্ত টীকা

(ক) এলেন অক্টেভিয়ান হিউম : এলেন অক্টোভিয়ান হিউম ছিলেন ব্রিটিশ শাসনাধীন ভারতের একজন আই. সি. এস. উচ্চপদস্থ কর্মচারী এবং তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষি সচিবরূপে কার্যনির্বাহ করিয়া অবসর গ্রহণ করিয়াছিলেন। চাকুরীতে থাকাকালীন কৃষকদের সংস্পর্শে থাকিয়া ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাবের আভাস পাইয়া

পরবর্তী সময়ে অবসরের পর ভারতীয় মধ্যবিত্ত শিক্ষিত শ্রেণীর দ্বারা এক ব্রিটিশ অনুরাগী রাজনৈতিক শক্তি গড়িয়া তোলার প্রচেষ্টা হাতে নিয়াছিলেন। হিউমের এই প্রচেষ্টায় ভারতবর্ষের সর্ব ভারতীয় কংগ্রেসের মত সংগঠনটি গড়িয়া উঠিয়াছিল। এই সংগঠনের মাধ্যমে তিনি দেশের রাজনৈতিক আশা-আকাঙ্ক্ষা ব্রিটিশের জন্য সংঘর্ষের পরিত্রাণ পাওয়ার একমাত্র সুড়ঙ্গ হিসাবে ১৮৮৪ সনে জাতীয় কংগ্রেসের জন্ম দিয়াছিলেন। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে তিনিই ছিলেন জাতীয় কংগ্রেসের প্রথম সম্পাদক।

(খ) অস্ত্র আইন : ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড লিটন অস্ত্র আইন প্রণয়ন করিয়াছিলেন। ভারতবর্ষে এই আইন প্রয়োগ করার মূল কারণ ছিল ব্রিটিশদের রুশভীতি অন্যদিকে রুশদের ভয়ে ভারতীয়রা সম্ভাব্য রুশ আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য নিজের চেষ্টায় অস্ত্র শিক্ষা গ্রহণ করিয়াছিল। এই পরিস্থিতিতে লর্ড লিটন ভারতীয় লোককে অস্ত্র শিক্ষা করিতে দেওয়া ভয়ানক বলিয়া ভাবিয়াছিল কারণ ভারতীয়রা প্রয়োজন সাপেক্ষে এই অস্ত্র ইংরেজের প্রতিও প্রয়োগ করিতে পারে। সেইজন্য তিনি ১৮৭৮ সনে অস্ত্র আইন বলবৎ করিয়া ভারতীয় লোকদের অস্ত্র রাখা এবং অস্ত্র ব্যবহার করা নিষিদ্ধ করা হইয়াছিল।

Leave a Reply