SEBA Class-10 Social Science Question Answer|Chapter-11| আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য

SEBA Class-10 Social Science Question Answer|Chapter-11| আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য, প্রশ্নের উত্তর SEBA, এনসিইআরটি ক্লাস 10 সামাজ বিজ্ঞান মৌচাক এবং মুহূর্তগুলির জন্য সমাধান, ক্লাস 10 সামাজ বিজ্ঞান নোটগুলি পরীক্ষায় দক্ষতার জন্য অনেক মূল্যবান হতে পারে। আসাম বোর্ড ক্লাস 10 সামাজ বিজ্ঞান সমাধানে আপনাকে সমস্ত অধ্যায় সম্পর্কে আরও ভাল জ্ঞান দেয়। আপনি মৌলিক এবং উন্নত উভয় স্তরের প্রশ্নের সমাধান পেতে পারেন। আপনার বোর্ড পরীক্ষায় পারদর্শী হওয়ার অন্যতম সেরা উপায় হল অনুশীলন করা।

SEBA Class 10 Solutions

SEBA CLASS 10 (Ass. MEDIUM)

SEBA CLASS 10 (Bangla MEDIUM)

SEBA CLASS 10 (English MEDIUM)

SEBA Class-10 Social Science Question Answer|Chapter-11| আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য

এছাড়াও, আপনি SCERT (CBSE) বইয়ের নির্দেশিকা অনুসারে বিশেষজ্ঞ শিক্ষকদের দ্বারা সমাধান এই বিভাগগুলিতে অনলাইনে SEBA বই পড়তে পারেন৷ এখানে আমরা SEBA Class-10 Social Science Question Answer|Chapter-11| আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য দিয়েছি সব বিষয়ের জন্য বাংলা সমাধান, আপনি এখানে অনুশীলন করতে পারেন।

অধ্যায় ২

শুদ্ধ উত্তরটি বাছিয়া বাহির কর :

প্রশ্ন ১। আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয়ের ন্যায়াধীশের মোট সংখ্যা হলো- 

 (ক) ১১ জন 

 (খ) ১৫জন

 (গ) ৯জন

 (ঘ) ৫জন 

উত্তৰ : ১৫জন

প্রশ্ন ২। কোন দিনটি বিশ্ব মানব অধিকার দিবস হিসাবে পালন করা হয়?

 (ক) ২৪ অক্টোবর

 (খ) ২৭ সেপ্টেম্বর 

 (গ) ৫ জুন

 (ঘ) ১০ ডিসেম্বর

 উত্তৰ : ১০ ডিসেম্বর 

প্রশ্ন ৩। বর্তমান রাষ্ট্রসংঘের সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা কত?

 (ক) ১৯৭-

 (খ) ২০৩

 (গ) ১৯০ 

 (ঘ) ১৯৩ 

উত্তর : ১৯৩ 

প্রশ্ন ৪। রাষ্ট্রসংঘের দিবস কখন পালন করা হয়? 

 (ক) ১২ ডিসেম্বর

 (খ) ১০ নভেম্বর

 (গ) ২৪ অক্টোবর

 (ঘ) ২৪ সেপ্টেম্বর 

উত্তর : ২৪ অক্টোবর 

প্রশ্ন ৫। রাষ্ট্রসংঘের মুখ্য কার্যালয় কোথায় অবস্থিত ?

 (ক) জেনেভা

 (খ) নিউইয়র্ক

 (গ) নেদারল্যাণ্ড 

 (ঘ) ইংল্যাণ্ড 

উত্তর : নিউইয়র্ক 

প্রশ্ন ৬। রাষ্ট্রসংঘ কখন প্রতিষ্ঠিত হইয়াছিল?

(ক) ১৯৩১ সনে 

(খ) ১৯৪০ সনে 

(গ) ১৯৪৫ সনে 

(ঘ) ১৯৪৯ সনে

 উত্তর : ১৯৪৫ সনে 

অতিসংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর 

প্রশ্ন ১। বর্তমানে রাষ্ট্রসংঘের সচিব প্রধানের নাম কি?

 উত্তর : অ্যান্টোনিও গুটেরাস (Antonio Guterres )

প্রশ্ন ২। রাষ্ট্রসংঘের নিরস্ত্রীকরণ আয়োগ (Disarmament Commission) কখন গঠিত হয়?

উত্তর : ১৯৫২ সনের জানুয়ারি মাসে রাষ্ট্রসংঘ নিরস্ত্রীকরণ আয়োগ গঠন করে। 

প্রশ্ন ৩। আন্তঃরাষ্ট্রীয় ক্রিকেট পরিষদ (ICC)র মুখ্য কার্যালয় কোথায় অবস্থিত ?

 উত্তর : ডুবাই।

প্রশ্ন ৪। আন্তঃরাষ্ট্রীয় হকী ফেডারেশনের (IHP) মুখ্য কার্যালয় কোথায় অবস্থিত? 

উত্তর : লৌচেন, সুইজারল্যাণ্ডে। 

প্রশ্ন ৫। (SAARC) দক্ষিণ এশিয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থার মুখ্য কার্যালয় কোথায় অবস্থিত? 

উত্তর : কাঠমাণ্ডুতে।

প্রশ্ন ৬। এমনেষ্ট্রি ইন্টারন্যাচন্যাল (Amnestry International, AI) এর মুখ্য কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?

 উত্তর : লণ্ডনে। 

প্রশ্ন ৭। রাষ্ট্রসংঘ কেন গঠন হইয়াছিল? 

উত্তর : (ক) বিশ্ব হইতে যুদ্ধের বিভীষিকা চিরদিনের জন্য বিদায় দিতে।

(খ) বিশ্ব শান্তি সুনিশ্চিত করিতে রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও সহযোগিতা আগাইয়া আন্তঃরাষ্ট্রীয় ভাতৃত্ববোধ শক্তিশালী করিতে। 

প্রশ্ন ৮। রাষ্ট্রসংঘের তিনটি উদ্দেশ্য লিখ।

উত্তর : (ক) আন্তর্জাতিক শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষা করা। 

(খ) পৃথিবীর জাতিসমূহের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক উন্নয়ন করা। 

(গ) বিশ্বের প্রত্যেকটি ব্যক্তি মৌলিক অধিকার ও মানব অধিকার উপভোগ করিয়া মর্যাদাপূর্ণ উন্নত জীবনযাপন করিতে সাহায্য করা। 

প্রশ্ন ৯। রাষ্ট্রসংঘের অঙ্গের নাম লিখ। 

উত্তর : (ক) সাধারণ সভা (খ) নিরাপত্তা পরিষদ (গ) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ

 (ঘ) ন্যাসরক্ষী পরিষদ (ঙ) আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয় (চ) সচিবালয়।

প্রশ্ন ১০। রাষ্ট্রসংঘের সঙ্গে জড়িত থাকা চারটি অভিকরণের (এজেন্সির) নাম লিখ। 

উত্তর : (ক) আন্তঃরাষ্ট্রীয় শ্রমিক সংঘ (খ) বিশ্ব-স্বাস্থ্য সংস্থা (গ) রাষ্ট্রসংঘের শিশু পুঁজি (ঘ) আন্তঃরাষ্ট্রীয় মুদ্রা নিধি। 

প্রশ্ন ১১। নিরস্ত্রীকরণ সম্পর্কে সম্পাদিত হওয়া দুইটি চুক্তির নাম লিখ। 

উত্তর ঃ (ক) ১৯৬৩ সালের আংশিকভাবে আণবিক অস্ত্রের বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ চুক্তি।

 (খ) ১৯৬৮ সালের পারমাণবিক অস্ত্র সংকোচন চুক্তি।

প্রশ্ন ১২। মানব অধিকার মানে কি বুঝ?

 উত্তর : মানব অধিকার বলিতে সেই অধিকারকে বুঝায় যাহার সাহায্যে সমাজে সভ্য মানুষের মত সকলেই মর্যাদার সহিত এক সুস্থ জীবন-যাপন করিতে সমর্থ হয়। 

প্রশ্ন ১৩। রাষ্ট্রসংঘের সদস্য রাষ্ট্র সাধারণ পরিষদে কতজন সদস্য পাঠাইতে পারে ? 

উত্তর : ৫ জন।

প্রশ্ন ১৪। রাষ্ট্রসংঘের সদস্য রাষ্ট্রসমূহের কয়টি করিয়া ভোট থাকে?

উত্তর : মাত্র একটি ভোট। 

প্রশ্ন ১৫। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর গঠিত হওয়া আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংঘটির নাম কি ছিল? 

উত্তর : জাতিসংঘ। 

প্রশ্ন ১৬। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ কোন সালে আরম্ভ হইয়াছিল?

 উত্তর : ১৯১৪ সালে।

প্রশ্ন ১৭। জাতিসংঘ কোন সালে গঠিত হইয়াছিল?

উত্তর : ১০ জানুয়ারি, ১৯২০ সালে।

প্রশ্ন ১৮। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কোন সালে আরম্ভ হইয়াছিল? 

উত্তর : ১৯৩৯ সালে। 

প্রশ্ন ১৯। কোন দিনটিকে ‘বিশ্ব মানব অধিকার দিবস’ হিসাবে পালন করা হয়? 

উত্তর : ১০ ডিসেম্বর।

প্রশ্ন ২০। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে কোন্ রাষ্ট্র জাপানে আণবিক বোমা নিক্ষেপ করিয়াছিল ?

 উত্তর : আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র।

 প্রশ্ন ২১। প্রতি বৎসর কোন্ দিনটি রাষ্ট্রসংঘ দিবস হিসাবে বিশ্ব পালন করে ? 

উত্তর : ২৪ অক্টোবর। 

প্রশ্ন ২২। রাষ্ট্রসংঘের সনদে মোট কতটি অনুচ্ছেদ আছে? 

উত্তর : ১১১টি। 

প্রশ্ন ২৩। রাষ্ট্রসংঘের অন্তর্গত মানব অধিকার কোন সালে গঠিত হইয়াছিল?

 উত্তর : ১৯৪৬ সালে। 

প্রশ্ন ২৪। সাধারণ সভার অধিবেশন বাৎসরিক কতবার করিয়া অনুষ্ঠিত হয় ?

উত্তর : একবার।

প্রশ্ন ২৫। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র কয়টি? 

উত্তর : ৫টি। 

প্রশ্ন ২৬। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রকয়টির থাকা বিশেষ ক্ষমতাটিকে কি বলিয়া জানা যায় ? 

উত্তর : ‘ভেটো’ (Veto) দেওয়ার ক্ষমতা। 

প্রশ্ন ২৭। রাষ্ট্রসংঘের আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয়ের মোট ন্যায়াধীশের সংখ্যা কত? 

উত্তর : ১৫ জন। 

প্রশ্ন ২৮। রাষ্ট্রসংঘের মোট অঙ্গ কয়টি? 

উত্তর : ৬টি।

প্রশ্ন ২৯। ভারতের মানব অধিকার সুরক্ষা আইনটি করে বলবৎ হয়?

 উত্তর : ১৯৯৩ সালের ৮ জানুয়ারিতে। 

প্রশ্ন ৩০। রাষ্ট্রসংঘের একটি বিশেষ অভিকরণ (এজেন্সি)-র নাম লিখ।

 উত্তর : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (World Health Organization)। –

প্রশ্ন ৩১। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র একটির নাম লিখ। 

উত্তর : ফ্রান্স। 

প্রশ্ন ৩২। WHOএর সম্পূর্ণ অর্থ কি? 

উত্তর : World Health Organisation (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা) 

প্রশ্ন ৩৩। বর্তমান রাষ্ট্রসংঘের সচিব প্রধান কোন দেশের লোক? 

উত্তর : পর্তুগালের। 

সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর 

প্রশ্ন ১। রাষ্ট্রসংঘের সচিব প্রধানকে কীভাবে নিযুক্ত করা হয়? রাষ্ট্রসংঘের প্রথম সচিব প্রধান কে ছিলেন? 

উত্তর : রাষ্ট্রসংঘের সনদের ৯৭নং অনুচ্ছেদ মতে নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদনক্রমে সাধারণ সভা সচিব প্রধানকে নিয়োগ করে। সচিব প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

 রাষ্ট্রসংঘের প্রথম সচিব প্রধান ছিলেন নরওয়ের ট্রাইভহাস্তান লী। 

প্রশ্ন ২। রাষ্ট্রসংঘের দুইটি লক্ষ্য উল্লেখ কর।

উত্তর : (ক) আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষা করা ও (খ) বিশ্বের রাষ্ট্রগুলির মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের উন্নয়ন করা। 

প্রশ্ন ৩। রাষ্ট্রসংঘের দুইটি নীতি উল্লেখ কর। 

উত্তর : (ক) সকল সদস্য রাষ্ট্র সনদে উল্লেখিত কর্তব্য ও দায়িত্ব পালন করা ও (খ) বিশ্বের ছোট বড় সকল রাষ্ট্রকে সমান মর্যাদা দেওয়া। 

প্রশ্ন ৪। সচিবপ্রধানের দুইটি কার্য উল্লেখ কর। 

উত্তর : (ক) রাষ্ট্রসংঘের বিভিন্ন অঙ্গসমূহের কাজ কর্ম সুস্থভাবে পরিচালনা করা ও 

(খ) রাষ্ট্রসংঘের বাৎসরিক বাজেট প্রস্তুত করা। 

প্রশ্ন ৫। আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয়ের দুইটি কার্য উল্লেখ কর। 

উত্তর : (ক) সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে থাকা বিবাদ গুলির বিচার করা ও 

(খ) আন্তর্জাতিক আইন, সন্ধি আদির বিষয়ে ব্যাখ্যা করা। 

প্রশ্ন ৬। মানৰ অধিকারে কি বোঝায়?

 উত্তর : যেসব অধিকারের সাহায্যে মানুষ সমাজে সভ্য জাতি হিসাবে এক মর্যাদাপূর্ণ জীবন-যাপন করিতে পারে তাহাকে মানব অধিকার বলে।

প্রশ্ন ৭। ‘জাতিসংঘ’ স্থাপনের প্রধান উদ্দেশ্য কি ছিল?

উত্তর : (ক) বিশ্বে স্থায়ীভাবে যুদ্ধের বিভীষিকা বন্ধ করা ও (খ) বিশ্বশান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। 

প্রশ্ন ৮। ‘জাতিসংঘে’র প্রধান অঙ্গ কয়টি ও কি কি?

 উত্তর ঃ জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ ৪টি, যেমন—সভা, পরিষদ, আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয় ও সচিবালয়।

প্রশ্ন ৯। রাষ্ট্রসংঘের সদস্য পদ কে পাইতে পারে ? 

উত্তর : বিশ্বশান্তিতে বিশ্বাসী যেসব স্বাধীন রাষ্ট্র রাষ্ট্রসংঘের সনদে উল্লেখিত নীতি মতে চলিতে ইচ্ছুক সেইসব রাষ্ট্রই রাষ্ট্রসংঘের সদস্যপদ পাইতে পারে। 

প্রশ্ন ১০। রাষ্ট্রসংঘের সদস্যপদ হইতে কখন বহিষ্কার করা হয়? 

উত্তর : যেসব রাষ্ট্র রাষ্ট্রসংঘের সনদে উল্লেখিত নীতি-আদর্শগুলি উলংঘা করে অথবা সনদের নীতি-বহির্ভূত কাজে লিপ্ত হয় তাহা হইলে সেই রাষ্ট্রকে রাষ্ট্রসংঘের সদস্যপদ হইতে বহিষ্কার করা হয়। 

প্রশ্ন ১১। প্রয়োজন সাপেক্ষে সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশন কে অনুষ্ঠিত করিতে পারে ?

উত্তর : বিশেষ প্রয়োজন সাপেক্ষে যদি সচিবপ্রধান চায় তাহা হইলে তিনি সাধারণ পরিষদের বিশেষ অধিবেশন আহ্বান করিতে পারে। 

প্রশ্ন ১২। রাষ্ট্রসংঘের সনদের সংশোধনের ক্ষমতা কার হাতে ন্যস্ত থাকে ? 

উত্তর : রাষ্ট্রসংঘের সনদে কিছু সংশোধন করার আবশ্যক হইলে কেবল সেই ক্ষমতা সাধারণ পরিষদের হাতে থাকে। 

প্রশ্ন ১৩। সচিবপ্রধান বাৎসরিক প্রতিবেদন কোথায় দাখিল করিতে হয়?

 উত্তর : সচিবপ্রধান রাষ্ট্রসংঘের বাৎসরিক প্রতিবেদন সাধারণ পরিষদে দাখিল করিতে হয়। 

প্রশ্ন ১৪। রাষ্ট্রসংঘের বাৎসরিক বাজেট কে প্রস্তুত করে? 

উত্তর : সচিবপ্রধানের তত্ত্বাবধানে রাষ্ট্রসংঘের বাৎসরিক বাজেট প্রস্তুত করা হয়। 

প্রশ্ন ১৫। আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয়ের বিচারকসকলকে কে নির্বাচিত করে? 

উত্তর : সাধারণ পরিষদ নিরাপত্তা পরিষদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয়ের ন্যায়াধীশসকলকে নির্বাচিত করে। 

প্রশ্ন ১৬। নিরাপত্তা পরিষদ কতজন স্থায়ী ও কতজন অস্থায়ী সদস্যের দ্বারা গঠিত হয় ?

 উত্তর : নিরাপত্তা পরিষদ ৫ জন স্থায়ী ও ১০ জন অস্থায়ী সদস্যের দ্বারা গঠিত হয়। 

প্রশ্ন ১৭। বিশ্ব শান্তির জন্য রাষ্ট্র সংঘের নেওয়া দুইটি প্রধান পদক্ষেপ উল্লেখ কর। 

উত্তর : বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য রাষ্ট্র সংঘ যে দুইটি প্রধান পদক্ষেপ গ্রহণ করিয়াছে তাহা হইল— 

(ক) বিশ্বের রাষ্ট্রগুলির মধ্যে সন্দেহভাব দূর করিয়া সকলের মধ্যে বন্ধুত্ব, ভাতৃত্ব, সুহৃদয় ভাব গড়িয়া তোলা। 

(খ) কিছু আইন-কানুন রচনা করিয়া বিশ্ব হইতে যুদ্ধের বাতাবরণ নিঃশেষ করি রাষ্ট্রগুলিকে সংযত আচরণ করিতে বাধ্য করা। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের বাতাবরণ হইতে বিশ্বরে মুক্ত করা। 

প্রশ্ন ১৮। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রকয়টির নাম লিখ । 

উত্তর : (ক) আমেরিকা বা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (খ) গ্রেট ব্রিটেইন বা ইংল্যাণ্ড (গ) ফ্রান্স (ঘ) রাশিয়া ও (ঙ) সাম্যবাদী চীন। 

প্রশ্ন ১৯। নিরাপত্তা পরিষদের ১০ জন অস্থায়ী সদস্য কত বৎসরের জন্য নির্বাচিত হয়? 

উত্তর : নিরাপত্তা পরিষদের ১০ জন অস্থায়ী সদস্যকে ২ বৎসরের জন্য নির্বাচিত করে।

 প্রশ্ন ২০। আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয়ের ন্যায়াধীশসকলের অবসরের নিয়ম কি? 

উত্তর ঃ ন্যায়ালয়ের এক-তৃতীয়াংশ সদস্য তিন বৎসর পর পর অবসর গ্রহণ করিতে হয়।

প্রশ্ন ২১। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ সভা কবে মানব অধিকার ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে? মানব অধিকার ঘোষণা পত্রের প্রধান উদ্দেশ্য কী ?

উত্তৰ : রাষ্ট্র সংঘের সাধারণ সভা ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর ৪৮ জন সদস্য রাষ্ট্রের সমর্থনে মানব অধিকার ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে। 

ঘোষণা পত্রের প্রধান উদ্দেশ্য হইল— 

(ক) বিশ্বের জনগণের জন্য প্রয়োজনীয় অধিকারসমূহ ঘোষণাপত্রে সন্নিবিষ্ট করা। 

(খ) উল্লেখিত অধিকারগুলি সদস্য রাষ্ট্রগুলির দ্বারা স্বীকৃতি প্রাপ্ত করা।

Sl. No.Contents
ইতিহাস
Chapter 1বঙ্গ বিভাজন ( ১৯০৫-১৯১১ ) স্বদেশী আন্দোলন এবং ফলাফল
Chapter 2মহাত্মা গান্ধি ও ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রাম
Chapter 3অসমে ব্রিটিশ বিরোধী জাগরণ এবং কৃষক বিদ্রোহ
Chapter 4স্বাধীনতা আন্দোলন ও অসমে জাতীয় জাগরণ
Chapter 5ভারত এবং উত্তর – পূর্বাঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য
ভূগোল
Chapter 6অর্থনৈতিক ভূগোল : বিষয়বস্তু এবং সম্পদ
Chapter 7পরিবেশ এবং পরিবেশের সমস্যা
Chapter 8পৃথিবীর ভূগোল
Chapter 9অসমের ভূগোল
অর্থবিজ্ঞান
Chapter 10ভারতীয় গণতন্ত্র
Chapter 11আন্তর্জাতিক সংস্থা রাষ্ট্রসংঘ এবং অন্যান্য
Chapter 12মুদ্রা এবং ব্যাঙ্ক ব্যবস্থা
Chapter 13অর্থনৈতিক উন্নয়ন

 রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর 

প্রশ্ন ১। রাষ্ট্রসংঘ কখন স্থাপিত হইয়াছিল?]রাষ্ট্রসংঘ গঠনের উদ্দেশ্য ও ইহার নীতি কয়টি আলোচনা কর। 

উত্তর : প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯২০ সালে গঠন হওয়া জাতিসংঘ যেসব উদ্দেশ্য লইয়া গঠিত হইয়াছিল ঠিক একই উদ্দেশ্য পূরণ করিতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯৪৫ সালে রাষ্ট্রসংঘের গঠন হইয়াছিল। 

নীচে রাষ্ট্রসংঘ গঠনের উদ্দেশ্য ও নীতিগুলি আলোচনা করা হইল। উদ্দেশ্য :

(ক) আন্তরাষ্ট্রীয় শাস্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখিতে।

(খ) সম-অধিকার ও আত্মনিয়ন্ত্রণের ভিত্তিতে দেশসমূহের মধ্যে বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠা করিতে। 

(গ) আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহযোগিতার ভিত্তিতে বিভিন্ন রাষ্ট্রে উদ্ভব হওয়া অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমস্যাসমূহ সমাধান করা। 

(ঘ) বিশ্বের প্রত্যেকজন ব্যক্তি মৌলিক অধিকার ও মানব অধিকার উপভোগ করিয়া মর্যাদাপূর্ণ উন্নত জীবন-যাপন করিতে। 

(ঙ) উপরে উল্লেখিত উদ্দেশ্যসমূহ রূপায়ণ করিতে বিভিন্ন সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠা করিতে রাষ্ট্রসংঘ গঠিত হইয়াছিল। 

নীতি :

(ক) রাষ্ট্রসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলির সমান সার্বভৌম নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্রসংঘ প্রতিষ্ঠা হইবে।

(খ) রাষ্ট্রসংঘের সনদে থাকা নিয়মগুলি সকল সদস্য রাষ্ট্রই দায়িত্ব সহকারে পালন করিতে হইবে। 

(গ) আন্তঃরাষ্ট্রীয় শাস্তি, নিরাপত্তা ও ন্যায় বজায় রাখিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলি যেকোন বিবাদ শান্তিপূর্ণভাবে মীমাংসা করিতে হইবে। 

(ঘ) আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্ক রক্ষা করার স্বার্থে কোন সদস্য রাষ্ট্রই শক্তি প্রয়োগ করিতে পারিবে না। 

(ঙ) সনদের নিয়মানুযায়ী রাষ্ট্রসংঘ কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করিলে সদস্য রাষ্ট্রগুলি রাষ্ট্রসংঘকে সহযোগিতা প্রদান করিতে হইবে। 

(চ) রাষ্ট্রসংঘ সদস্য রাষ্ট্রগুলির আভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করিবে না।

প্রশ্ন ২। রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের একটি সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও।

উত্তর : প্রথম বিশ্বযুদ্ধের বিভীষিকায় ত্রস্তমান হইয়া বিশ্ব হইতে চিরদিনের জন্য যুদ্ধকে বিদায় দিতে ১৯২০ সালে জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা হইয়াছিল। কয়েকটি অন্তর্নিহিত অসুবিধার জন্য ১৯৩৯ সালে আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শান্তিকামী বিশ্বতে অশান্তির সৃষ্টি করে। তাই ১৯৪৫ সালে পুনরায় ‘রাষ্ট্রসংঘ’ নামে একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন গড়িয়া তোলা হয়। যাতে বিশ্বে যুদ্ধের পরিবর্তে শান্তি বিরাজ করে। 

বিশ্বে আন্তঃরাষ্ট্রীয় শাস্তি, নিরাপত্তা ও সহযোগিতা বজায় রাখিতে ও বিশ্ব হইতে যুদ্ধকে চিরদিনের জন্য বিদায় দিতেই রাষ্ট্রসংঘের গঠন হইয়াছিল। 

ইহার সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে বন্ধুত্ব ও ভাতৃত্বভাবকে শক্তিশালী করিতে যেকোন বিবাদ শাস্তিপূর্ণভাবে ও সুহৃদয়তারে মীমাংসা করা ইহার একটি প্রধান উদ্দেশ্য। রাষ্ট্রসংঘের সকল রাষ্ট্রই ছোট-বড় নির্বিশেষে সমমর্যাদা পাইবে।

রাষ্ট্রসংঘের কাজ-কর্মগুলি চালাইতে ইহার ৬টি প্রধান অঙ্গ আছে, যেমন- সাধারণ সভা, নিরাপত্তা পরিষদ, অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ, ন্যাসরক্ষী পরিষদ, আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয় ও সচিবালয়। এই ৬টি অঙ্গ বিভিন্ন কাজ-কর্ম করিলেও ইহার ভিতরে নিরাপত্তা। পরিষদ সবচাইতে শক্তিশালী। এখানে ৫টি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র আছে ও প্রত্যেক রাষ্ট্রের ভেটো (Veto) প্রয়োগ করিতে পারার বিশেষ ক্ষমতা আছে। 

রাষ্ট্রসংঘের এই ৬টি অঙ্গ ছাড়াও অন্য কয়েকটি এজেন্সি’ আছে যেগুলি বিশ্ব মানবের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য কাজ করিয়া রাষ্ট্রসংঘের উদ্দেশ্য সফল করিতে অবদান যোগায়। সেইগুলির ভিতরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তঃরাষ্ট্রীয় শ্রমিক সংঘ, রাষ্ট্রসংঘের শিশু পুঁজি, খাদ্য ও কৃষি সংগঠন, রাষ্ট্রসংঘের মানব অধিকার আয়োগ, আন্তঃরাষ্ট্রীয় মুদ্ৰা নিধি, রাষ্ট্রসংঘের শিক্ষা, বৈজ্ঞানিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ইত্যাদি।

প্রশ্ন ৩। বিশ্বশান্তির জন্য রাষ্ট্রসংঘ গ্রহণ করা পদক্ষেপসমূহ আলোচনা কর। অথবা, বিশ্বশান্তিতে রাষ্ট্রসংঘের ভূমিকা সংক্ষেপে আলোচনা কর।

উত্তর : রাষ্ট্রসংঘ গঠনের মূলে ছিল বিশ্বশান্তি স্থায়ী করা। এই বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করিতে রাষ্ট্রসংঘ দুই ধরনের উপায় হাতে লইয়াছে— প্রথমে, বিশ্বের রাষ্ট্রগুলির মধ্যের সন্দেহ ভাব দূর করিয়া সকলের মধ্যে বন্ধুত্ব ও ভাতৃত্ব, সুহৃদয় ভাব, পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির দ্বারা রাষ্ট্রগুলির মধ্যে চাপ (Tension) কমাইতে চেষ্টা করা দেখা যায়। দ্বিতীয়তে, কয়েকটি আইন-কানুন প্রবর্তন করিয়া বিশ্ব হইতে যুদ্ধের বাতাবরণ নিঃশেষ করিয়া রাষ্ট্রগুলিকে সংযত আচরণ করিতে বাধ্য করাইয়াছে। বিশ্বে হইতে পারা অন্য একটি মহাযুদ্ধের বিভীষিকা হইতে বিশ্বের মানবজাতিকে রক্ষা করিতে রাষ্ট্রসংঘ গ্রহণ করা পদক্ষেপ সত্যিই প্রশংসনীয়। বিশেষ করিয়া বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ও বিভিন্ন সময়ে কয়েকটি রাষ্ট্রের মধ্যে সংঘটিত হইতে চাওয়া যুদ্ধসদৃশ পরিবেশ, আলাপ-আলোচনা ও বোঝাপড়ার মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে নিষ্পত্তি করিতে রাষ্ট্রসংঘ বলিষ্ঠ পদক্ষেপ লইয়াছে।

এছাড়াও বিশ্ব হইতে যুদ্ধের পরিবেশ, অবসান করিতে একটি নিরস্ত্রীকরণ আয়োগ গঠন করিয়া তাহার দ্বারা অস্ত্রশস্ত্রের উৎপাদন ও ব্যবহারের উপরে নিষেধাজ্ঞা প্রবর্তন করিয়াছে। অন্যদিকে বর্তমান সময়ে হইতে পারা পারমাণবিক যুদ্ধের ধ্বংসলীলাকে লক্ষ্য করিয়া রাষ্ট্রসংঘ পারমাণরিক অস্ত্র-শস্ত্রের উপরে বেশ কিছু বাধা আরোপ করিয়াছে। এইক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘ সদস্য রাষ্ট্রগুলির সঙ্গে সম্পাদন করা পারমাণবিক চুক্তিগুলির ভিতরে “আংশিকভাবে আণবিক অস্ত্রের বিস্ফোরণ নিষিদ্ধ চুক্তি” (১৯৬৩), “পারমাণবিক অস্ত্র সংকোচন চুক্তি” (১৯৬৮) ও “পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি” বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। 

প্রশ্ন ৪। ভারতবর্ষের রাষ্ট্রীয় মানব অধিকার আয়োগ সম্পর্কে একটি টীকা লিখ। 

উত্তর : রাষ্ট্রসংঘ আন্তঃরাষ্ট্রীয় মানব অধিকার আয়োগ গঠন করার পর ইহার সদস্য রাষ্ট্রগুলিও নিজের রাষ্ট্রে এমন মানব অধিকার স্থাপন করিতে সময়ে সময়ে গুরুত্ব দিয়া আসিয়াছে। বিশেষ করিয়া ১৯৯৩ সালে ভিয়েনাতে হওয়া মানব অধিকার সম্পর্কীয় অধিবেশনে এই বিষয়টির উপরে পুনরায় গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করিয়া সকল রাষ্ট্রকে আহ্বান জনায়। সেই মর্মে ভারতের রাষ্ট্রপতি ১৯৯৩ সালের ২৮ সেপ্টেম্বরে একটি অধ্যাদেশের দ্বারা রাষ্ট্রীয় মানব অধিকার আয়োগ গঠন করে। পরে ১৯৯৪ সালের ৮, জানুয়ারিতে উক্ত বিষয়ের বিলটি আইনের স্বীকৃতি পায়। 

উচ্চতম ন্যায়ালয়ের প্রাক্তন মুখ্য ন্যায়াধীশকে সভাপতি হিসাবে লইয়া এই আয়োগ গঠন করা হইয়াছিল। ইহার অন্য সদস্যের ভিতরে একজন উচ্চতম ন্যায়ালয়ের কার্যরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত ন্যায়াধীশ, অন্য একজন উচ্চ ন্যায়ালয়ের কার্যরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত মুখ্য ন্যায়াধীশ ও দুইজন সদস্য মানব অধিকার সম্পর্কে সমুচিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা থাকা ব্যক্তিও আছে। এছাড়াও রাষ্ট্রীয় সংখ্যালঘু আয়োগের সভাপতি, অনুসূচিত জাতি ও জনজাতির সভাপতি ও রাষ্ট্রীয় মহিলা আয়োগের সভাপতিও এই রাষ্ট্রীয় আয়োগের সদস্য। সদস্যসকলকে ৫ বৎসরের জন্য রাষ্ট্রপতি নিযুক্তি প্রদান করে। 

প্রশ্ন ৫। মানব অধিকার সম্পর্কে রাষ্ট্রসংঘ গ্রহণ করা পদক্ষেপ আলোচনা কর। 

উত্তর : বিশ্বশান্তি স্থায়ীভাবে প্রতিষ্ঠা করিতে যে রাষ্ট্রগুলিকে সম-অধিকার দিয়া সম্ভাব ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করিতে হইবে সেটা রাষ্ট্রসংঘ উপলব্ধি করিয়াছিল। আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহযোগিতা লাভের প্রথম পদক্ষেপই হইল রাষ্ট্রগুলির মধ্যে সম-মর্যাদা ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করা। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে বাস করা প্রতিটি রাষ্ট্রের বাসিন্দাসকলকে মর্যাদাপূর্ণ জীবন- যাপনের জন্য প্রয়োজন হওয়া কয়েকটি অধিকার প্রদান করা। সেইগুলিকে সুরক্ষা দিতে রাষ্ট্রসংঘ ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বরে ৪৮টি সদস্য রাষ্ট্রের সহযোগিতায় মানব অধিকার সম্পৰ্কীয় ঘোষণা-পত্র গ্রহণ করে। তাই বর্তমানও ১০ ডিসেম্বর দিনটি বিশ্ব মানব অধিকার দিবস হিসাবে উদযাপন করা হয়।

 এই ঘোষণা-পত্রে একটি প্রস্তাবনা ও ৩০টি অনুচ্ছেদ আছে। এই মর্মে সদস্য রাষ্ট্রগুলি জনগণের জন্য প্রয়োজন হওয়া মানব অধিকারগুলিকে স্বীকৃতি দিয়া নিজের রাষ্ট্রে সেইগুলি বলবৎ করিয়াছে। নীতিগতভাবে এই মানব অধিকারগুলি রাষ্ট্রের শক্তির অপব্যবহার করিতে না পারার সীমাবদ্ধতা আনিয়া দিয়াছে। সরকার মানব অধিকার উলংঘন করা কোনো আইন বলবৎ করিতে পারে না। মানব অধিকার আয়োগ কোন রাষ্ট্রে কোনো বিশেষ জাতি, সম্প্রদায় বা জনগোষ্ঠী অন্যায় ও বিভেদমূলক নীতির শিকার হইতে দেয় না। তাই রাষ্ট্র মানব অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে পদক্ষেপ লইতে বাধ্য হইয়াছে। ইহা নিঃসন্দেহে রাষ্ট্রসংঘের মানব অধিকার সম্পর্কে অনবদ্য অবদান বলিতেই হইবে।

প্রশ্ন ৬। জাতিসংঘ কেন ও কীভাবে গঠিত হইয়াছিল বিস্তৃতভাবে আলোচনা কর। 

উত্তর : প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলা শান্তিপ্রয়াসী বিশ্ববাসীকে খুব ভীতিগ্রস্ত করিয়া তুলিয়াছিল। বিশ্বের বহু দেশ এই যুদ্ধের জন্যই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হইয়াছিল যার জন্য ভবিষ্যতে যুদ্ধ হইতে পরিত্রাণ পাইবার জন্য চিন্তা-চর্চা করিতে আত্মনিয়োগ করিল। ইহার ফলশ্রুতিতে ১৯২০ সালে ‘জাতিসংঘ’ নামের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন হয় যাহাতে স্থায়ী বিশ্বশান্তি ও বিশ্ব সভ্যতা অটুট রাখিতে সক্রিয় ভূমিকা লইতে পারে। 

সেই মর্মে বিশ্বের শীর্ষ নেতৃবর্গ ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস শহরে শাস্তি আলোচনা তে মিলিত হয়। সকল নেতা এই সম্মিলনে যুদ্ধের বিরুদ্ধে ও শান্তির পক্ষে বলিষ্ঠ পদক্ষেপ লওয়াতে জাতিসংঘের জন্ম হয়। ফলস্বরূপে বেশ কয়েকটি সন্ধি ও চুক্তিতে স্বাক্ষর করা হয়। এই সন্ধি ও চুক্তির দ্বারা যুদ্ধের অবসান ঘটাইয়া স্থায়ী বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করিতে চেষ্টা চালাইয়াছিল। কিন্তু নেতৃবর্গের ভুলের জন্য সেটা সম্ভবপর হইল না।

প্রশ্ন ৭। রাষ্ট্রসংঘ কেন ও কীভাবে গঠিত হইয়াছিল উল্লেখ কর।

উত্তর : জাতিসংঘের অবশ্যম্ভাবী পতন ও দ্বিতীয় মহাসমরের ধ্বংসলীলা শান্তিপ্রয়াসী বিশ্ববাসীকে আবার একবার ভীতিগ্রস্ত করাতে পুনরায় যুদ্ধ হইতে পরিত্রাণ পাইতে যত্নপর হইল। কেননা প্রথম বিশ্বযুদ্ধের মতই দ্বিতীয় মহাসম ও বিধ্বংসী ছিল। সর্বপ্রথমবারের জন্য জাপানে আণবিক বোমা নিক্ষেপ করিয়া হাজার হাজার মানুষকে হত্যা ও চিরদিনের জন্য পঙ্গু করিয়া ফেলিল। 

এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৪১ সালে ইংল্যাণ্ড, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যাণ্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকা ‘লগুন ঘোষণা পত্রে’ স্বাক্ষর করে। ইহার দ্বারা স্থায়ী বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা করিতে সহমত প্রকাশ করে। সেই একই বছরে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী চার্চিল ‘আটলাণ্টিক সনদ’ নামের ঘোষণা-পত্রে স্বাক্ষর করে।তাবার ১৯৪৩ সালে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েট ইউনিয়ন ও ইংল্যাণ্ডের বিদেশ মন্ত্রীসকল মস্কোতে মিলিত হইয়া একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন গঠন করিয়া বিশ্বশান্তি নিশ্চিত করিতে মস্কো ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করে।

 তারপর ১৯৪৪ সালের ২১ আগস্টে আমেরিকার হাবার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাম্বারটন কক্ষে ইংল্যাণ্ড, আমেরিকা, চীন ও সোভিয়েটের সদস্যরা মিলিত হইয়া একটি ‘বিশ্ব সংস্থা’ প্রতিষ্ঠা করিতে প্রস্তাব গ্রহণ করে। এইভাবে ১৯৪৫ সালের ২৬ এপ্রিলে বিশ্বের ৫১টি রাষ্ট্রের ২৩০ জন সদস্য সানফ্রান্সিসকো শহরে মিলিত হইয়া রাষ্ট্রসংঘের সনদে স্বাক্ষর করিয়া ‘রাষ্ট্রসংঘে’র জন্ম দেয়।

প্রশ্ন ৮। সাধারণ পরিষদের ক্ষমতা ও কার্যাবলী উল্লেখ কর। 

উত্তর : রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদটি যেকোন রাষ্ট্রের সংসদের মত একটি সাধারণ সভা যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলি ৫ জন করিয়া সদস্য সাধারণ সভায় পাঠাইতে পারে। অবশ্যে ভোটদানের সময় প্রতিটি রাষ্ট্রের মাত্র একটি করে ভোট থাকে। 

সাধারণ পরিষদের ক্ষমতা ও কার্যাবলী নীচে উল্লেখ করা হইল :

(ক) রাষ্ট্রসংঘের সনদে উল্লেখিত সকল বিষয়ের উপরে সাধারণ পরিষদ আলোচনা করিতে পারে ও নিরাপত্তা পরিষদকে পরামর্শ প্রদান করিতে পারে। 

(খ) রাষ্ট্রসংঘের মূল উদ্দেশ্য ও লক্ষ্যে উপনীত হইতে আবশ্যক হওয়া যেকোন আইন-কানুন সাধারণ পরিষদে নির্ধারণ করে। 

(গ) রাষ্ট্রসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলির মধ্যে ভাতৃত্ব ভাব, সহযোগিতা বৃদ্ধি করিয়া ও যুদ্ধের। প্রতি ঘৃণাভাব প্রকট করিতে বিশ্বে অস্ত্র-শস্ত্র তথ্য বিধ্বংসী মারণান্তে গুলি নাই করিতে উচিত পদক্ষেপ লইবে। 

(ঘ) বিশ্বের প্রান্তে প্রান্তে যেসব রাজনৈতিক ঘটনা সমস্যার সৃষ্টি করিয়া বিশ্ব-শান্তির প্রতি ভাবুকি প্রদান করে সেই গুলি সুহৃদয়তারে নিরাময় করিতে সাধারণ পরিষদে উদ্যোগ লইতে পারে। (ঙ) আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয়ের ন্যায়াধীশসকলকে ও সচিবপ্রধানকে সাধারণ পরিষদ নির্বাচিত করে। 

(চ) রাষ্ট্রসংঘের বাজেট সাধারণ পরিষদে গ্রহণ করে। 

(ছ) রাষ্ট্রসংঘের বিভিন্ন অঙ্গগুলির কাজ-কর্মগুলি সাধারণ পরিষদে তদারক করে।

(জ) রাষ্ট্রসংঘের সনদে উল্লেখিত নিয়ম-নীতির সংশোধনের ক্ষমতাও সাধারণ পরিষদের আছে। 

প্রশ্ন ৯। নিরাপত্তা পরিষদের ক্ষমতা ও কার্যাবলী উল্লেখ কর। 

উত্তর : রাষ্ট্রসংঘের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটিই হইল নিরাপত্তা পরিষদ। ইহা ৫টি স্থায়ী সদস্য ও ১০টি অস্থায়ী সদস্যের দ্বারা গঠিত হয়। নীচে নিরাপত্তা পরিষদের ক্ষমতা ও কার্যাবলী উল্লেখ করা হইল।

(ক) নিরাপত্তা পরিষদের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতাটি হইল ইহার স্থায়ী সদস্যদের প্রদান করা ভেটো (Veto) ক্ষমতা যার জন্য একজন স্থায়ী সদস্য যেকোন সিদ্ধান্ত বন্ধ করিয়া দিতে পারে। 

(খ) সাধারণ পরিষদ ও সচিবপ্রধান বিশ্বশান্তি বিঘ্নিত করিতে পারা কোন বিষয়ের কথা নিরাপত্তা পরিষদকে অবগত করিলে নিরাপত্তা পরিষন সেই ক্ষেত্রে উচিত ব্যবস্থা লইতে পারে। 

(গ) নিরাপত্তা পরিষদ বিবদমান রাষ্ট্রের মধ্যে আলাপ-আলোচনার দ্বারা মতভেদ দূর করিয়া শান্তি প্রতিষ্ঠা করিতে পারে।

(ঘ) যদি বিবদমান কোন রাষ্ট্র শান্তিপূর্ণভাবে মতভেদ দূর করিতে না চায় তাহা হইলে নিরাপত্তা পরিষদ সেই রাষ্ট্রের প্রতি অর্থনৈতিক অবরোধের মত বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারে। 

(ঙ) নিরাপত্তা পরিষদ অর্থনৈতিক অবরোধের পরও যদি বিবদমান রাষ্ট্র শান্তিপূর্ণভাবে বিবাদ নিষ্পত্তি করিতে না চায় তাহা হইলে সেই রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারে।

(চ) নিরাপত্তা পরিষদের অন্য কাজ হইল সচিবপ্রধান ও আন্তর্জাতিক ন্যায়ালয়ের ন্যায়াধীশসকলকে নিযুক্তি দেওয়া।

প্রশ্ন ১০। সচিবপ্রধানের ক্ষমতা ও কার্যাবলী আলোচনা কর। 

উত্তর: সচিবপ্রধানের ক্ষমতা ও কার্যাবলী নীচে উল্লেখ করা হইল : 

(ক) সচিবপ্রধান রাষ্ট্রসংঘের প্রধান অঙ্গসমূহের বৈঠকগুলিতে উপস্থিত থাকিয়া উত্ত অঙ্গসমূহের কাজ-কর্মের তদারক করিতে হয়। 

(খ) সচিবপ্রধান রাষ্ট্রসংঘের বিভিন্ন অঙ্গের মধ্যে সমন্বয় রক্ষা করে। 

(গ) রাষ্ট্রসংঘের বাংসরিক বাজেট প্রস্তুত করিতে তিনি সাহায্য করে। 

(ঘ) রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশন অনুষ্ঠিত করার দিন ও সময় নির্ণয় করে।

(ঙ) রাষ্ট্রসংঘের অঙ্গসমূহের বাৎসরিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করিয়া তিনি সাধারণ পরিষদের সভায় উত্থাপন করে। 

(চ) তাঁহার নীচের বিষয়াবর্গকে নিযুক্তি প্রদান করে। 

(ছ) তিনি সাধারণ পরিষদের সভাতে সভাপতিত্ব করে। 

(জ) তিনি আন্তঃরাষ্ট্রীয় চুক্তিগুলির তত্ত্বাবধায়ক হিসাবে কাজ করে। 

প্রশ্ন ১১। ভারতের রাষ্ট্রীয় মানব অধিকার আয়োগের ক্ষমতা ও কার্যাবলী উল্লেখ কর।

উত্তর : ভারতের রাষ্ট্রীয় মানব অধিকার আযোগের ক্ষমতা ও কার্যাবলী হইল : 

(ক) যদি কোন ব্যক্তি মানব অধিকার লঙ্ঘন করে বা লঙ্ঘন করিতে সাহায্য করে তাহা হইলে তেমন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মানব অধিকার আয়োগে বিচার করে। 

(খ) যদি কোন সরকারি বিষয়া মানব অধিকার লঙ্ঘন করা বিষয়কে অবজ্ঞা করে ও কোন ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহা হইলে মানব অধিকার আয়োগে বিচার করিতে পারে।

(গ) যদি কোন ন্যায়ালয়ে মানব অধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে কোনো বিচার চলিতে থাকে তাহা হইলে ন্যায়ালয়ের অনুমতি লইয়া আয়োগে হস্তক্ষেপ করিতে পারে।

(ঘ) রাজ্যিক কারাগারে বন্দী কয়েদীসকলের পরিদর্শন করার আয়োগের ক্ষমতা আছে। 

(ঙ) মানব অধিকারের রক্ষণাবেক্ষণের পর্যালোচনা করিয়া পরামর্শ নিতে পারে। বিরুদ্ধে সরকার গ্রহণ করা ব্যবস্থার পর্যালোচনা করিতে পারে। 

(চ) সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সরকার গ্রহণ করা ব্যবস্থার পর্যালোচনা করিতে পারে।

(ছ) মানব অধিকার খর্ব করিতে পারা কোন আন্তর্জাতিক সন্ধি বা চুক্তিরও পর্যালোচনা করিতে পারে। 

(জ) কোন বেসরকারি সহা মানব অধিকারের জন্য কাজ করিলে উৎসাহ দিতে পারে।

 সংক্ষিপ্ত টীকা 

(ক) বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা: রাষ্ট্রসংঘের সকল সদস্য-রাষ্ট্রই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদস্য। ইহা হইল রাষ্ট্রসংঘের একটি অভিকরণ। এই সংস্থা বিশ্ববাসীর স্বাস্থ্য সম্পৰ্কীয় কাজ-কর্মগুলি তদারক করে। ইহার একটি ১৮ জনের প্রশাসনিক পরিষদ আছে। বিশ্বে যেসব রোগ ও মহামারী বিশ্ববাসীকে ক্ষতিগ্রস্ত করিতেছে তাহার নির্মূলের জন্য বিস্তৃত পরিকল্পনা প্রস্তুত করিয়া তার সফল রূপায়ণের জন্য বদ্ধপরিকর হয়। বর্তমান বিশ্বে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বহু প্রশংসনীয় পদক্ষেপ লইয়াছে।

 (খ) আন্তঃরাষ্ট্রীয় শ্রমিক সংঘ : ইহা একটি রাষ্ট্রসংঘের উল্লেখযোগ্য অভিকরণ। ইহার দ্বারা বিশ্বের সমূহ শ্রমিক শ্রেণীর সকল প্রকারের কল্যাণার্থে কিছু কাজ করা দেখা যায়। যেমন—শ্রমিকের ন্যায্য মজুরী, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কর্মস্থান আদির সুব্যবস্থার পর্যালোচনা করে। ১ মৌতে ‘বিশ্ব শ্রমিক দিবস’ পালন করা হয়। 

(গ) খাদ্য ও কৃষি সংগঠন : ইহা একটি রাষ্ট্রসংঘের উল্লেখযোগ্য অভিকরণ। বিশ্বে যাহাতে খাদ্যের অভাব না হয় ও কোন রাষ্ট্রে দুর্ভিক্ষে মানুষ যাতে না মরে তার জন্য এই সংস্থা পর্যালোচনা করে। এছাড়াও কৃষির উন্নতির জন্য বিশেষ পরিকল্পনা প্রস্তুত করিয়া সদস্য রাষ্ট্রগুলিকে সাহায্য করে। 

(ঘ) রাষ্ট্রসংঘের শিশু পুঁজি : ইহাও একটি রাষ্ট্রসংঘের অভিকরণ ও ইহা বিশ্বের শিশুদের জন্য, বিশেষ করিয়া বাধাগ্রস্ত শিশু, অনাথ শিশু, দুর্ভাগা শিশুদের মঙ্গলের জন্য বিশেষ পুঁজির যোগান ধরে। 

(ঙ) আন্তর্জাতিক মুদ্রা নিধি : ইহাও একটি রাষ্ট্রসংঘের উল্লেখযোগ্য অভিকরণ। এই নিধির দ্বারা আবশ্যক অনুযায়ী সদস্য রাষ্ট্রগুলিকে সাহায্য প্রদান করে। রাষ্ট্রসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলি এই নিধির পুঁজি বৃদ্ধি করে। এই নিধি হইতে যেকোন রাষ্ট্র ঋণও লইতে পারে।

Leave a Reply