Class-9 Bangla Question Answer| Chapter-9| পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম

Class-9 Bangla Question Answer| Chapter-9| পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম প্রতিটি অধ্যায়ের উত্তর তালিকায় প্রদান করা হয়েছে যাতে আপনি সহজেই বিভিন্ন অধ্যায় জুড়ে ব্রাউজ করতে পারেন এবং আপনার প্রয়োজন Class-9 Bangla Question Answer| Chapter-9| পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম এমন একটি নির্বাচন করতে পারেন।

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (Ass. MEDIUM)

SUBJECTSLink
EnglishClick Here
অসমীয়াClick Here
বাংলাClick Here
বিজ্ঞানClick Here
সমাজ বিজ্ঞানClick Here
हिंदी ( Elective )Click Here
ভূগোল (Elective)Click Here
বুৰঞ্জী (Elective)Click Here

Class-9 Bangla Question Answer| Chapter-9| পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম

Also, you can read the SCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. These solutions are part of SCERT All Subject Solutions From above Links . Here we have given Class-9 Bangla Question Answer| Chapter-9| পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম Solutions for All Subjects, You can practice these here.

পাঠ ৯

-জ্যোতিপ্রসাদ বুড়াগোহাঞি

(ক) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর :

প্রশ্ন ১। রাজস্থানের রাজধানীর নাম কি?

উত্তর : জয়পুর। *

প্রশ্ন ২। পিপলান্তি গ্রাম জয়পুর হইতে কত কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ?

উত্তর : ৩৫০ কিলোমিটার।

প্রশ্ন ৩। পিপলান্ত্রি গ্রামটি রাজস্থানের কোন জেলার অন্তর্গত?

উত্তর : রাজসমন্দ ।

প্রশ্ন ৪। পিপলান্তি গ্রামের নাম ‘গিনিজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’ কেন উঠেছিল?

উত্তর : মার্বেল পাথরের উৎপাদনের জন্য।

প্রশ্ন ৫। গ্রামটি পুনরুজ্জীবিত করিয়া তুলিতে কে প্রধান ভূমিকা পালন করিয়াছেন? 

উত্তর : শ্যামসুন্দর পালিওয়াল নামক একজন গ্রাম প্রধান।

প্রশ্ন ৬। পৃথিবীর কোন দেশের পাঠ্যক্রমে পিপলাস্ত্রি গ্রামের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হইয়াছে?

উত্তর : ডেনমার্কের প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ্যক্রমে।

প্রশ্ন ৭। আর্জেন্টিনার একটি দল ভারতে এসে এই গ্রামটিকে নিয়ে যে সিনেমা নির্মাণ করেছে সেই সিনেমাটির নাম কি?

উত্তর : Tree Sister

প্রশ্ন ৮। শ্যামসুন্দর পালিওয়াল কত সালে গ্রামের কোন দায়িত্ব লাভ করেন? 

উত্তর : ২০০৫ সালে গ্রাম প্রধানের দায়িত্ব লাভ করিয়াছিলেন। 

প্রশ্ন ৯। শ্যামসুন্দর পালিওয়ালের কন্যার নাম কি ছিল?

উত্তর : কিরণ পালিওয়াল।

 প্রশ্ন ১০। কন্যা সন্তানের জন্ম হলে গ্রামে কতটা গাছ লাগাতে হয় ?

উত্তর : ১১১টি।

প্রশ্ন ১১। রাখিবন্ধনের দিন গ্রামের মানুষ কি করেন?

উত্তর : রাখিবন্ধনের দিন গ্রামের কন্যা এবং মহিলারা গাছে রশি বাঁধিয়া গাছ ও মানুষের সম্পর্ককে গভীর করিয়া তোলেন।

প্রশ্ন ১২। ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অব ইণ্ডিয়া গ্রামের ছেলে-মেয়েদের পড়াশুনার জন্য কত টাকা প্রদান করেছে ?

উত্তর : ৬০ লক্ষ টাকা। 

(খ) সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও :

প্রশ্ন ১। পিপলাস্ত্রি গ্রামের পরিবেশ দূষণের ফলে কি হয়েছিল?

অথবা, 

পিপলান্তি গ্রামে মার্বেল খনিগুলির কিরূপ প্রভাব পড়িয়াছিল বর্ণনা করো।

উত্তর : মার্বেল খনিগুলিতে দিনরাত কাজ চলিত বলিয়া পিপ্‌লাস্ত্রি গ্রামের জল বাতাস দূষিত হইয়া পড়ে। সামান্য বিশুদ্ধ বাতাসের জন্য গ্রামের মধ্যে হাহাকার পড়িয়া যায়। জলের অভাবে গাছপালার সংখ্যাও হ্রাস পাইতে থাকে। গাছপালা কমিয়া যাইবার ফলে বৃষ্টিপাতও হ্রাস পায়। বৃষ্টির পরিমাণ হ্রাস পাইবার ফলে কৃষিকাজ বন্ধ হইবার উপক্রম ঘটে। মার্বেল খনির জন্যে নদী-পুকুর ইত্যাদি জলাশয়ের জল দূষিত হইয়া পড়ে। নিরুপায় মানুষ সেই দূষিত জল ব্যবহার করিত বলিয়া নানারকম রোগে ভুগিতে থাকে। কৃষিজমির

উর্বরা শক্তি হ্রাস পায়। এমনকি পাখি-পাখালি, জীব-জন্তুর সংখ্যাও দ্রুত কমিয়া গেল। 

প্রশ্ন ২। পিপলাস্ত্রি গ্রামে কেন পরিবেশ দূষণ দেখা দিয়াছিল?

অথবা, 

পিপলান্তি গ্রাম দুষিত হইবার কারণ কি? 

উত্তর : পিপলাথি গ্রামে বড় বড় শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীরা বিশাল বিশাল মার্কেল পাথরের খনি খনন শুরু করে। ইহার ফলে প্রকৃতির ধ্বংসাবস্থা ঘনাইয়া আসে। প্রাকৃতিক সম্পদগুলির মালিকানা ব্যবসায়ীদের হাতে চলিয়া যায়। মার্বেল পাথর সংগ্রহ করিবার জন্য খনিগুলিতে দিনরাত কাজ চলিত বলিয়া পিপলাস্ত্রি গ্রামের পরিবেশ দূষিত হইয়া পড়ে। 

প্রশ্ন ৩। পিপলান্ত্রি গ্রামকে নিয়ে কোথায় কোথায় কি কি কাজ হয়েছে লেখো। অথবা, পিপলারি গ্রামের কথা যেভাবে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করিয়াছে তাহার বিবরণ দাও।

উত্তর : পিপলাস্ত্রি গ্রামকে দেখিবার জন্য সারাবছর বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লোকজন আসিয়া থাকে। ইতিমধ্যে ডেনমার্ক দেশের প্রাথমিক শিক্ষার পাঠক্রমে পিপলান্তি গ্রামের কথা অন্তর্ভুক্ত হইয়াছে। সেইখানে পিপলাদ্রি গ্রামের মানুষের কথা দিয়ে ছাত্র-ছাত্রীদের অনুপ্রাণিত করিবার চেষ্টা করা হইয়াছে, যাহাতে তাহারাও দেশের পরিবেশ দূষণের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করিতে অনুপ্রাণিত হয়। আর্জেন্টিনার একটি দল ভারতে আসিয়া ট্রি সিস্টার নামক একটি সিনেমা নির্মাণ করিয়াছে। অধিকন্তু এই গ্রামকে লইয়া শতাধিক তথ্যচিত্রও নির্মিত হইয়াছে। রাজস্থান সরকার পিপলাস্ত্রি গ্রামের কথা সপ্তম এবং অষ্টম শ্রেণীর পাঠ্যক্রমে অন্তর্গত করিয়াছে। হিন্দি ভাষায় ‘পিপলান্তি’ নামক একটি চলচ্চিত্র নির্মিত হইয়াছে।

প্রশ্ন ৪। অকালপ্রয়াত কন্যার জন্য শ্যামসুন্দর কি করেছিলেন?

উত্তর : একটি চারাগাছ রোপণ করিয়াছিলেন। 

প্রশ্ন ৫। শ্যামসুন্দর গ্রামের প্রতিটি মানুষকে কয়টি দায়িত্ব অর্জন করেন এবং কি কি? 

অথবা, 

শ্যামসুন্দর গ্রামের লোককে কি কি দায়িত্ব অর্পণ করিয়াছেন?

উত্তর : শ্যামসুন্দর গ্রামের লোককে চারটি দায়িত্ব অর্পণ করিয়াছিলেন—

(ক) কন্যা সন্তানকে পুত্র সন্তানের মতো প্রতিপালন করিতে হইবে।

(খ) জল সংরক্ষণ করিতে হইবে।

(গ) গাছপালা রোপণ ও প্রতিপালন করিতে হইবে।

(ঘ) কৃষিকাজের মাধ্যমে নিজেদের প্রয়োজন পূরণ করিতে হইবে।

প্রশ্ন ৬। কন্যা সন্তানের প্রতি সাধারণভাবে আমাদের দৃষ্টি ভঙ্গি কি? শ্যামসুন্দর এতে কি পরিবর্তন এনেছিলেন?

উত্তর : আমাদের দেশে বিভিন্ন রাজ্যে কন্যা সন্তানের প্রতি বৈষম্য করা হয়। অনেকে কন্যা সন্তানকে ফেলিয়া দিতে চায়। অথবা গর্ভস্থায় হত্যা করিতে চায়। এই ভ্রূণ হত্যা অতিশয় গুরুতর অপরাধ। বহু মানুষ গোপনে গর্ভসস্তানের লিঙ্গ পরীক্ষা করিয়া দেখে। পরীক্ষার পর কন্যা সন্তান জানিতে পারিলে গর্ভপাত করিয়া ফেলে। যার ফলে বহু রাজ্যে কন্যা সন্তান অত্যাধিক হারে কমিয়া গিয়াছে।

শ্যামসুন্দর পালিওয়াল কন্যা সন্তানের সুরক্ষার জন্য গ্রামে কতগুলি নিয়মের প্রচলন করিয়াছিলেন। কন্যা সন্তান জন্ম হইলে তাহার নামে গ্রামে ১১১টি চারাগাছ রোপণ করা হয়। তিনি নিয়ম করিয়া দিয়াছিলেন, গ্রামে কেহই কন্যা ভ্রূণ হত্যা করিতে পারিবেন না। কন্যা সন্তানকে যেভাবে আদর যত্ন করা হইবে ঠিক একই ভাবে ১১১টি চারাগাছের যত্ন লইতে হইবে। কোনো কন্যা সন্তানকে শিক্ষার আলো হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না। কোনো পরিস্থিতি কন্যার বাল্য বিবাহ দেওয়া যাইবে না। কন্যার নামে ব্যাঙ্কে ৩১০০০টাকা জমা করিতে হইবে এবং সেই টাকা কন্যার শিক্ষা ও বিবাহের কাজে খরচ করিতে হইবে। কন্যার নামে রোপিত গাছগুলি গ্রামের সম্পত্তি স্বরূপ বিবেচিত হইবে। এই সমস্ত শর্ত স্ট্যাম্প পেপারে লিপিবদ্ধ করিয়া স্বাক্ষর করিতে হইবে। কন্যা সন্তান রক্ষার জন্য গ্রামের কাছে প্রতিশ্রুতি দিতে হইবে। এইভাবে শ্যামসুন্দর গ্রামের মানুষের কন্যা সন্তান সম্পর্কে ভুল ধারণা তথা মানসিকতার পরিবর্তন সাধন করিয়াছিলেন।

প্রশ্ন ৭। কন্যা সন্তানের জন্ম হলে গ্রামবাসীরা কিভাবে টাকা জমান এবং সেই টাকা পরে কিভাবে কাজে লাগানো হয়?”

উত্তর : কন্যা সন্তানের জন্ম হইলে পিতা-মাতা ১০০০০ টাকা কন্যার নামে জমা করেন। এবং গ্রামবাসীরা ২১০০০ টাকা জমা করেন। কন্যার নামে মোট ৩১০০০ টাকা ফিক্সড ডিপোজিট করা হয়। এই টাকা মেয়ের পড়াশুনা, শিক্ষা-দীক্ষা এবং বিবাহের কাজে ব্যয় করা হয়। এই জমা টাকা কন্যার বিবাহের সময় লক্ষাধিক টাকায় পরিণত হয়।

প্রশ্ন ৮। শ্যামসুন্দরের এই উদ্যোগের ফলে গ্রামে বর্তমানে কি কি পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়?

অথবা, 

পিপলাস্ত্রি গ্রামে সুখ-সমৃদ্ধি পুনরায় কিভাবে ফিরিয়া আসিল বর্ণনা করো।. 

উত্তর : পিপলাস্ত্রি গ্রামে মার্বেলের খনি ও কারখানার প্রদূষণের ফলে বসবাস করা অসম্ভব হইয়া পড়িয়াছিল। জলাভাব দেখিয়া লোকজন গ্রাম ছাড়িয়া অন্যত্র চলিয়া যাইতে লাগিল। ২০০৫ সালে শ্যামসুন্দর পালিওয়াল গ্রামপ্রধান হইবার পর কিছু নিয়ম প্রবর্তন করিলেন। কন্যা সন্তানের জন্ম হইলে ১১১টি চারাগাছ সকলকে রোপণ করিতে হইত। কন্যার জন্য ৩১০০০ টাকা ব্যাঙ্কে জমা করিতে হইত। এইভাবে গ্রামে সুদিন দেখা দিয়াছিল। ধীরে ধীরে গ্রামটি সবুজ হইয়া উঠিল। গাছ-গাছালির সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় পাখি- পাখালি, জীব-জন্তুর আগমন ঘটিল। দুষিত বায়ু কমিয়া বিশুদ্ধ বায়ু প্রবাহিত হইল। সময়মতো বৃষ্টিপাত হইতে লাগিল। ফলে ভূগর্ভের জল উপরে উঠিয়া আসিল। পুকুর জলাশয় জলে ভরিয়া গেল। কৃষিকাজের জন্য জলের অভাব দূর হইয়া গেল। এইভাবে পিপলান্ত্রিক গ্রামে সুখ সমৃদ্ধি আবারও ফিরিয়া আসিল। 

প্রশ্ন ৯। কত সালে কে পিপলাস্ত্রি গ্রামকে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রদান করেন? 

উত্তর : ২০০৭ সালে ড° এ.পি.জে. আব্দুল কালাম।

(গ) দীর্ঘ উত্তর লেখো :

প্রশ্ন ১। পিপলান্তি গ্রামে যে ভাস্কর পরিবেশ দূষণ দেখা দিয়াছিল সে সম্পর্কে আলোচনা করো।

উত্তর : উত্তরের জন্য সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের ২নং এবং ১নং প্রশ্নের উত্তর দেখো। 

প্রশ্ন ২। পিপলান্তি গ্রামের পুনরুজ্জীবনে শ্যামসুন্দর পালিওয়ালের অবদান আলোচনা করা।

উত্তর : উত্তরের জন্য সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের ৮নং প্রশ্নের উত্তর দেখো।

প্রশ্ন ৩। কিরণ নিধি যোজনা কি? সে সম্পর্কে বিস্তৃত লেখ।

উত্তর : শ্যামসুন্দর পালিওয়াল তাঁর কন্যা কিরণের মৃত্যুতে ম্রিয়মান হইয়া পড়িলেন এবং কন্যার স্মৃতিতে একটি চারাগাছ রোপণ করিলেন। সেইদিন হইতে তিনি একটি নিয়ম গ্রামে প্রবর্তন করিলেন যে গ্রামে জন্ম নেওয়া প্রতিটি কন্যার নামে ১১১টি চারাগাছ রোপণ করিতে হইবে। এইভাবে ‘কিরণ নিবি যোজনা’র সূত্রপাত ঘটিয়াছিল।

তিনি গ্রামের প্রতিটি লোককে চারিটি দায়িত্ব অর্পণ করিয়াছিলেন। প্রথমটি হইল কন্যা সন্তানকে পুত্রের ন্যায় পালন করিতে হইবে। দ্বিতীয়টি, জল সংরক্ষণ করিতে হইবে।

তৃতিয়টি, গাছপালা রোপণ ও প্রতিপালন করিতে হইবে। চতুর্থটি, কৃষিকাজ করিয়া নিজের প্রয়োজনীয় অভাব পূরণ করিতে হইবে। তাছাড়া গ্রামে কন্যা শিশুর জন্ম হইলে কন্যার নামে ব্যাঙ্কে ৩১০০০ টাকা জমা করিতে হইবে। ওই টাকা দিয়ে কন্যার শিক্ষা-দীক্ষা এবং বিবাহ সম্পন্ন হইবে।

প্রশ্ন ৪। শ্যামসুন্দর পালিওয়াল গ্রামে যে ছয়টি নিয়ম প্রবর্তন করিয়াছিলেন সেইগুলি উল্লেখ করো।

উত্তর : শ্যামসুন্দর পালিওয়াল কন্যা সন্তানের প্রতি গ্রামের মানুষের মানসিকতার পরিবর্তন ঘটাইতে সফল হইয়াছিলেন। তিনি নিয়ম করিয়া দিয়াছিলেন যে গ্রামের কেহই কন্যা ভ্রুণ হত্যা করিতে পারিবেন না। দ্বিতীয়ত কন্যা সন্তানকে আদর যত্ন করিয়া বড় করিতে হইবে, ঠিক একই ভাবে স্নেহ মমতা এবং যত্ন সহকারে ১১১টি চারাগাছকে প্রতিপালন করিতে হইবে। তৃতীয়ত কোনো কন্যাকে শিক্ষার সুযোগ হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না। চতুর্থত কোনো পরিস্থিতিতে কন্যার বাল্য বিবাহ দেওয়া যাইবে না। পঞ্চমত কন্যার নামে ব্যাঙ্কে জমা করা ৩১০০০ টাকা কন্যার শিক্ষা বা বিবাহের কাজে খরচ করিতে হইবে। পরিশেষে কন্যার জন্মের সময় রোপণ করা গাছগুলি গ্রামের সম্পত্তি হিসাবে বিবেচিত হইবে। একটি স্টাম্প পেপারে স্বাক্ষর করিয়া এই নিয়মের সম্মতি ও প্রতিশ্রুতি গ্রামবাসীকে দিতে হইবে।

প্রশ্ন ৫। শ্যামসুন্দরের গ্রহণ করা উদ্যোগের ফলে গ্রামে বর্তমান পরিবেশ কিভাবে সজীব হয়ে উঠেছে তা আলোচনা কর।

উত্তর : উত্তরের জন্য সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের ৮নং প্রশ্নের উত্তর দেখো।

প্রশ্ন ৬। পিপলাক্সি গ্রাম কিভাবে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য সহ সারা পৃথিবীকে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলনে অনুপ্রাণিত করিয়াছে সে সম্পর্কে লেখো।

উত্তর : উত্তরের জন্য সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের ৩নং প্রশ্নের উত্তর দেখো।

অতিরিক্ত প্রশ্নাবলী

প্রশ্ন ১। এক বিখ্যাত রাজপুত বীরের নাম বল।

উত্তর : মহারাণা প্রতাপ।

প্রশ্ন ২। মহারাণা প্রতাপের জন্মস্থান কোথায় ?

উত্তর : উদয়পুরে।

প্রশ্ন ৩। উদয়পুর থেকে পিপলাস্ত্রি গ্রামের দূরত্ব কত? 

উত্তর : ৭ কিলোমিটার।

প্রশ্ন ৪। মানুষের সকল কাজ করার জন্য কিসের প্রয়োজন? 

উত্তর : সঠিক পরিকল্পনা এবং হাতে-কলমে কাজগুলি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সহিচ্ছা।

প্রশ্ন ৫। একটা অসম্ভব কাজও কি উপায়ে সম্ভব করা যায় ?

উত্তর : ধৈর্য, একাগ্রতা, সাহস এবং নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে আমরা সকলে যদি একসঙ্গে হাত মিলাইয়া কাজ করি তাহা হইলে অসম্ভব কাজও সম্ভব করিয়া তোলা যায়। আর থাকিতে হইবে সঠিক পরিকল্পনা।

প্রশ্ন ৬। পিপলান্তি গ্রামে কিসের অভাব দেখা দিয়েছিল?

উত্তর : পিপলাস্ত্রি গ্রামে পরিবেশ দূষণের ফলে কৃষিকাজের জন্যে জলসেচের অভাব দেখা দিয়াছিল।

প্রশ্ন ৭। পিপলাগ্নি গ্রামের অবস্থা শোচনীয় হইবার আদি কারণ কি?

উত্তর : জলের অভাবে পিপলাগ্নি গ্রামের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয় হইয়া পড়িয়াছিল।

প্রশ্ন ৮। পিপলান্তি গ্রাম কেন ‘গিনিজ বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’ এ স্থান লাভ করিয়াছিল?

 উত্তর : মার্বেল পাথরের উৎপাদনের জন্য।

প্রশ্ন ৯। পিপলান্তি গ্রামকে পুনরুজ্জীবিত করিবার ক্ষেত্রে কাহার অবদান অন্যতম ?

উত্তর : শ্যামসুন্দর পালিওয়াল। 

প্রশ্ন ১০। কোন দেশের পাঠ্যক্রমে পিপলান্ত্রিক গ্রামের কথা অন্তর্ভুক্ত হইয়াছে?

উত্তর : ডেনমার্কের প্রাথমিক শিক্ষার পাঠ্যক্রমে।

প্রশ্ন ১১। পিপলান্তি গ্রাম লইয়া কোন দেশে সিনেমা নির্মিত হইয়াছে? সিনেমাটির নাম কি?

উত্তর : আর্জেন্টিনায় সিনেমা নির্মিত হইয়াছে। সিনেমাটির নাম ‘ট্রি সিস্টার’ (Tree Sister)।

প্রশ্ন ১২। রাজস্থানের সরকার কোন ক্লাসে পিপলাস্ত্রি গ্রামের বিষয় পাঠ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করিয়াছে?

উত্তর : সপ্তম এবং অষ্টম শ্রেণীতে।

প্রশ্ন ১৩। পিপলান্ত্রি গ্রাম নিয়ে নির্মিত হিন্দি সিনেমাটির নাম কি?

উত্তর : পিপলান্তি।

প্রশ্ন ১৪। কত বছর বয়সে শ্যামসুন্দর তার মা’কে হারাইয়াছিল? 

উত্তর : ছয় বছর বয়সে।

প্রশ্ন ১৫। পিপলান্তি গ্রামে ভূগর্ভের জল কত নীচে নামিয়া গিয়াছিল?

উত্তর : ৮০০ ফুট।

প্রশ্ন ১৬। শ্যামসুন্দর পালিওয়ালের গ্রামের নাম কি? 

উত্তর : পিপলাগ্নি।

প্রশ্ন ১৭। কত সালে শ্যামসুন্দর পালিওয়াল গ্রাম প্রধানের দায়িত্ব লাভ করেন ?

উত্তর : ২০০৫ সালে।

প্রশ্ন ১৮। শ্যামসুন্দর পালিওয়াল গ্রামে কি নিয়ম প্রবর্তন করিয়াছিলেন? 

উত্তর : গ্রামে জন্ম লওয়া প্রতিটি কন্যার নামে ১১১টি চারাগাছ রোপণ করিতে হইবে।এইভাবে ‘কিরণ নিধি’ যোজনার অধীনে কাজ শুরু হয়। 

প্রশ্ন ১৯। শ্যামসুন্দরের কন্যার নাম কি ছিল?

উত্তর : কিরণ পালিওয়াল।

প্রশ্ন ২০। গাছপালা কিভাবে আমাদের সাহায্য করিয়া থাকে?

উত্তর : গাছপালা একটি শুকনো অঞ্চলকে সবুজ করিয়া তোলে। শুধু তাহাই নয় মাটিকেও সজীব করিয়া তোলে এবং ভূগর্ভের জলের স্তরকে উপরে তুলিয়া আনিতে সাহায্য করে। ফলে তাহা কৃষিকাজের জন্য সমৃদ্ধশালী হইয়া উঠে।

প্রশ্ন ২১। পিপলান্তি গ্রামের জনসংখ্যা কত?

উত্তর : ৮০০০ জন।

প্রশ্ন ২২। কন্যা সন্তানের জন্ম হইলে কত টাকা চাঁদা সংগ্রহ করা হইয়া থাকে ?

 উত্তর : ২১০০০ টাকা।

প্রশ্ন ২৩। কন্যা সন্তানের জন্ম হইলে পিতা-মাতা কত টাকা জমা করিয়া থাকেন?

উত্তর : ১০০০০ টাকা।

প্রশ্ন ২৪। ১১১টি গাছের মূল্য কত? 

উত্তর : ১ কোটি ১১ লক্ষ টাকা।

প্রশ্ন ২৫। পিপলাস্ত্রি গ্রামে রাখিবন্ধন উৎসব কিভাবে পালিত হইয়া থাকে?

 উত্তর : রাখিবন্ধন উৎসবের দিন গ্রামের কন্যা এবং মহিলারা গাছে রশি বাঁধিয়া গাছ

ও মানুষের সম্পর্ককে গভীর করিয়া তোলেন। 

প্রশ্ন ২৬। পিপলান্তি গ্রামের জন্য সরকার কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করিয়াছে?

উত্তর : রাজস্থান সরকার গ্রামের রাস্তা পাকা করে দেয়। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রীরা গ্রামটি পরিদর্শন করেন এবং গ্রামে বিদ্যালয় স্থাপনের ব্যবস্থা করিয়া দেন। পঞ্চায়েতের কার্যালয়, অঙ্গনবাড়ি কার্যালয় স্থাপন করিয়াছেন। বিশুদ্ধ পানীয় জলের ব্যবস্থা করিয়া দেওয়া হইয়াছে। এ ছাড়া আরও বহুবিধ জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের রূপায়ণ পিপলাগ্নি গ্রামে সুসম্পন্ন হইয়াছে।

প্রশ্ন ২৭। গ্রামটি কত সালে রাষ্ট্রপতি পুরস্কার লাভ করিয়াছিল?

উত্তর : ২০০৭ সালে।

প্রশ্ন ২৮। ‘স্বচ্ছ ভারত অভিযান কত সালে সূচিত হইয়াছিল?

উত্তর : ২০১৫ সালে। 

প্রশ্ন ২৯। কোন রাষ্ট্রপতি পিপলান্তি গ্রামকে পুরষ্কৃত করিয়াছিলেন?

 উত্তর : রাষ্ট্রপতি এ.পি.জে. আব্দুল কালাম।

প্রশ্ন ৩০। দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী কিভাবে প্রভাবিত হইয়াছিলেন?

উত্তর : দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীষ সিসোদিয়া পিপলাথ্রি গ্রামের দ্বারা অনুপ্ৰাণিত হইয়া সেখানে সাতদিন অবস্থান করেন এবং পরিবেশ ও স্বচ্ছতা সম্পর্কে বিস্তর তথ্য সংগ্রহ করিয়াছেন। দিল্লির মতো একটি প্রদূষিত শহরে পরিবেশ রক্ষার কাজে তাহা ব্যবহার করিবার পরিকল্পনা বলবৎ করিয়াছেন।

প্রশ্ন ৩১। পিপলান্তি গ্রামের প্রগতির কথা কোথায় প্রকাশ পাইয়াছে?

উত্তর : পিপলাথ্রি গ্রামের কথা ইন্টারনেট ইউটিউব, ফেসবুক, টুইটার ইত্যাদিতে প্রকাশিত হইয়াছে এবং দেশের সকল সংবাদপত্র ইত্যাদিতে প্রকাশ পাইয়াছে।

প্রশ্ন ৩২। পিপলাস্ত্রি গ্রামে বর্তমানে কি ব্যবস্থা নেওয়া হইয়াছে ?

উত্তর : বর্তমানে পিপলাথ্রি গ্রামের কোনো লোকের মৃত্যু হইলে তাঁহার স্মৃতিতে ১১টি গাছ রোপণ করা হইয়া থাকে।

প্রশ্ন ৩৩। কোন ব্যাঙ্ক পিপলাগ্নি গ্রামের জন্য কি ব্যবস্থা গ্রহণ করিয়াছে ?

উত্তর : ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অব ইণ্ডিয়া পিপলাথ্রি গ্রামের ছেলে-মেয়েদের পড়াশুনার জন্য ৬০ লক্ষ টাকা প্রদান করিয়াছে। ওই টাকায় গ্রামের ৩০০ ছেলে-মেয়ে পড়াশুনা করিতে পারে।

প্রশ্ন ৩৪। জল না থাকিলে আমাদের কি করা উচিত ?

উত্তর : জল না থাকিলে বর্ষার জল সংরক্ষণ করিয়া তাহাকে পুনরায় ব্যবহার করা যায়। বৃক্ষ রোপণ করিয়া প্রাকৃতিক ভারসাম্য বজায় রাখিলে সময় মতো বৃষ্টিপাত ঘটিবে এবং মাটির উর্বরা শক্তি বৃদ্ধি পাইবে।

প্রশ্ন ৩৫। শ্যামসুন্দর পালিওয়াল ও পিপলাগ্নি গ্রামের মানুষ দেশের মানুষদের প্রতি কিসের আহ্বান জানাইয়াছে?

উত্তর : পিপলাস্ত্রি গ্রামের মানুষ ও শ্যামসুন্দর পালিওয়াল দেশের প্রতিটি নাগরিকের প্রতি আহ্বান জানাইতেছে যে চারাগাছ রোপণ করুন, প্রতিপালন করুন, কাজকর্ম করুন তবেই নিজের বাসস্থানটি স্বর্গতুল্য হইয়া উঠিবে।

ক্লাস 9 বাংলা প্রশ্নের উত্তর

S.L. No.Group A সূচীপত্র
পাঠ ১গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা
পাঠ ২খাই খাই
পাঠ ৩ধূলামন্দির
পাঠ ৪কবর
পাঠ ৫মনসামঙ্গল
পাঠ ৬প্রত্যুপকার
পাঠ ৭ছুটি
পাঠ ৮ডাইনী
পাঠ ৯পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম
পাঠ ১০অ্যান্টিবায়ােটিক ও পেনিসিলিনের কথা
পাঠ ১১লড়াই
পাঠ ১২আমরা
পাঠ ১৩আগামী
পাঠ ১৪আত্মকথা
পাঠ ১৫ভারতবর্ষ
পাঠ ১৬ব্যাকরণ
পাঠ ১৭রচনা
S.L. No.Group B সূচীপত্র
বৈচিত্রপূর্ণ আসাম
পাঠ ১আহােমগণ
পাঠ ২কাছাড়ের জনগােষ্ঠী
পাঠ ৩কারবিগণ
পাঠ ৪কোচ রাজবংশীগণ
পাঠ ৫গড়িয়া, মরিয়া ও দেশীগণ
পাঠ ৬গারােগণ
পাঠ ৭সাঁওতালগণ
পাঠ ৮চা জনগােষ্ঠী
পাঠ ৯চুটিয়াগণ
পাঠ ১০ঠেঙাল কছারিগণ
পাঠ ১১ডিমাসাগণ

Leave a Reply