Class-9 Bangla Question Answer| Chapter-2| খাই খাই-সুকুমার রায়

Class-9 Bangla Question Answer| Chapter-2| খাই খাই-সুকুমার রায় প্রতিটি অধ্যায়ের উত্তর তালিকায় প্রদান করা হয়েছে যাতে আপনি সহজেই বিভিন্ন অধ্যায় জুড়ে ব্রাউজ করতে পারেন এবং আপনার প্রয়োজন Class-9 Bangla Question Answer| Chapter-2| খাই খাই-সুকুমার রায় এমন একটি নির্বাচন করতে পারেন।

SEBA CLASS 9 QUESTION ANSWER (Ass. MEDIUM)

SUBJECTSLink
EnglishClick Here
অসমীয়াClick Here
বাংলাClick Here
বিজ্ঞানClick Here
সমাজ বিজ্ঞানClick Here
हिंदी ( Elective )Click Here
ভূগোল (Elective)Click Here
বুৰঞ্জী (Elective)Click Here

Class-9 Bangla Question Answer| Chapter-2| খাই খাই-সুকুমার রায়

Also, you can read the SCERT book online in these sections Solutions by Expert Teachers as per SCERT (CBSE) Book guidelines. These solutions are part of SCERT All Subject Solutions From above Links . Here we have given Class-9 Bangla Question Answer| Chapter-2| 2| খাই খাই-সুকুমার রায় Solutions for All Subjects, You can practice these here.

পাঠ ২

ক-বিভাগ পদ্যাংশ

কবির পরিচয় সুকুমার রায়: 

কবি সুকুমার রায়ের পূর্বপূরুষ ছিলেন বর্তমান বাংলাদেশের ময়মন সিংহ জেলার শিশু সাহিত্যিক। সুকুমার রায় ১৮৮৭ সালে কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কলকাতার সিটি স্কুল হইতে প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করিয়া পরে ১৯১১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ হইতে রসায়ন বিষয়ে অনার্সসহ বি.এসসি. পাশ করেন। বি.এস.সি. পাশ করার পরা ফটোগ্রাফী ও প্রিন্টিং টেকনোলজিতে উচ্চ শিক্ষার জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হইতে বৃত্তি লইয়া বিলেতে পাড়ি দেন। 

কবি সুকুমার রায় বাল্য বয়স হইতেই তাঁহার পিতা উপেন্দ্র কিশোরের অনুকরণে মুখে মুখে অনর্গল ছড়া আওড়াইতেন। পিতার মতো তিনি ছিলেন শিশু সাহিত্যিক। তাহার বিখ্যাত শিশু সাহিত্যের মধ্যে আছে— ‘আবোল তাবোল’ (১৯২৩), ‘হয়বরল’ (১৯২৪), ‘পাগলা দাও’ (১৯৪০), ‘খাই খাই’ (১৯৫০)। পশ্চিমবাংলার তথা বিশ্ববিখ্যাত অস্কারপ্রাপ্ত চলচিত্রকার শ্রীসত্যজিত রায় তাঁহার পুত্র ছিলেন। ১৯২৩ সালে এই মহান শিশু সাহিত্যিকের অকাল মৃত্যু ঘটে। 

প্রশ্ন ১। ‘খাই খাই’ কবিতাটির বিষয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করো। 

উত্তর : বিখ্যাত শিশু সাহিত্যিক সুকুমার রায় রচিত ‘খাই খাই’ গ্রন্থের অংশ বিশেষ। পাঠ্যগ্রন্থে ‘খাই খাই’ কবিতাটি এক হাস্য-মধুর কৌতুক প্রদ কবিতা। পাঠ্য কবিতাটি পাঠ করিয়া অল্পব্যাস্ত কিশোর কিশোরীদের মনে এক নির্মল ও হাস্যমধুর পরিবেশের সৃষ্টি করে। শিশু সাহিত্যের সম্রাট কবি সুকুমার রায় কেবলমাত্র ‘খাওয়া’ ক্রিয়াপদ ব্যবহার করিয়া এক আশ্চর্য ও মনোমুগ্ধকর কাব্য সৌন্দর্য সৃষ্টি করিয়া পাঠকদিগের মনোরঞ্জন করিতে সক্ষম হইয়াছেন। জীবনে হাস্যরস বা কৌতুকের যথেষ্ট প্রয়োজন আছে। কৌতুক রসের আনন্দ অনাবিল ও নির্মল। ‘খাই খাই’ কবিতাটিতে কবি পৃথিবীর নানা দেশে নানা প্রকার খাবারের কথা সুন্দরভাবে ব্যক্ত করিয়াছেন। 

খাওয়া ক্রিয়াপদটি ব্যবহার করিয়া কবি অজস্র বিশিষ্টার্থক বাক্য (বিশেষ অর্থবোধক) রচনা করিয়া পাঠকের মনোরঞ্জন করিয়াছেন। কবিতায় নানা শব্দ প্রয়োগের দক্ষতা কবি  সুকুমার রায়ের অসাধারণ জ্ঞানের পরিচয় বহন করে। পাঠকের মনে নির্মল কৌতুকবোধ, প্রাণের নিগ্ধতা, হাস্যমধুর ভাবের সঞ্চার করাই ছিল কবির ‘খাই খাই’ কবিতাটির রচনার প্রধান উদ্দেশ্য। তাহাছাড়া পাঠক নানা দেশ বিদেশের খাদ্যের নামের সহিত পরিচিত হইতে সুযোগ পাইয়াছে। এইসকল দিক দিয়া পাঠটি স্বার্থক হইয়াছে। আনন্দ, 

২। শব্দার্থ লিখ : কণ্ঠ— গলা, পাচক রান্না করে যে, চটা— রাগিয়া যাওয়া, হিমসিম — নাজেহাল, ঘুষ— উৎকোচ্, বকুনি— গালি, ভোজ- আহার, রসনা— জিহ্বা, খাসা— চমৎকার কিনারা ধার, পার, স্বদেশ— জন্মভূমি, আজব অদ্ভুত, চা— চাবাইয়া খাওয়া মিশ— মিশিয়া যাওয়া, সিধে — সহজ, ভড়কে হতভম্ব হওয়া, বোকা— অল্পবুদ্ধি। 

প্রশ্ন ৩। টীকা লেখো : বার্মা, চীন, কাশী। 

উত্তর : বার্মা  : ভারতবর্ষের উত্তরপূর্ব সীমান্তবর্তী রাষ্ট্র বার্মা। ইহার প্রচন নাম ছিল ব্রহ্মদেশ। বর্তমানে ইহার নাম মায়ানমার। তৎকালীন বার্মার গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত করিয়া সামরিক সরকার তাহা নতুন নাম ম্যায়ানমার রাখে গত ২০১০ সালের ২১ অক্টোবর হইতে এই দেশের নতুন সরকারি নাম হ’ল ‘রিপাব্লিক অন্য নি ইউনিয়ন অফ ম্যায়ানমার। তৎসঙ্গে বার্মার রাজধানী রেঙ্গুন-এর নাম রাখা হইল ইয়াঙ্গুন। অনুমানিক খ্রিষ্টীয় প্রথম শতকে (১-১০০খ্রিষ্টাব্দ) পিউ নামের উপজাতিরা ইরাবতী উপত্যকা হইয়া বার্মায় প্রবেশ করিয়াছিল। ত্রয়োদশ শতকে ম্যায়ানমারে কতগুলি ছোট ছোট রাজ্যের সৃষ্টি হয়। ইহাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আভা আরাকান হানাথবথী। ১৮শতকে ব্রিটিশরা বার্মা দখল করে। ১৯৪৮ সালে বার্মা স্বাধীনতা অর্জন করে। ১৯৬২ সাল হইতে বার্মায় সামরিক সরকার শাসন ক্ষমতায় আসে। চীন : চীন দক্ষিণ এশিয়ার প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। ১৩০ কোটির অধিক জনসংখ্যা ও বৃহত্তম ভাষাগোষ্ঠীর দেশ চীন এশিয়ার বৃহত্তম রাষ্ট্র। এবং পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র। চীনারা তাহাদের দেশকে চুংকুও বলিয়া ডাকে। যার অর্থ মধ্যদেশ। চীন নামটি বিদেশীদের দেওয়া। খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকের ‘ছিন’ রাজবংশের নামের বিকৃত রূপ (উচ্চারণ) চীন। পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার পাঁচভাগের এক অংশ চীন দেশে বসবাস করে। কাশী : বর্তমান উত্তর প্রদেশে অবস্থিত ভারতবর্ষের প্রাচীন শহর। গঙ্গার তীরে অবস্থিত হিন্দুদের পবিত্র তীর্থস্থান কাশীর বিশ্বনাথ মন্দিরটি ভারতের শ্রেষ্ঠ মন্দিরগুলোর অন্যতম। আদি শঙ্করাচার্য, রামকৃষ্ণ পরমহংস, বিবেকানন্দ এই মন্দির দর্শন করিয়াছিলেন।

প্রশ্ন ৪। অতি সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও। 

(ক) রুটি লুচি ইত্যাদি খাবার যে প্রস্তুত করে তাকে কি বলে? 

উত্তর : ময়রা 

(খ) টক, ঝাল খাবার তৈরি করে কে? 

উত্তর : পাচক। 

(গ) তরল খাবার কোনগুলো? 

উত্তর : জল, দুধ, মিষ্টি পানীয়। 

(ঘ) ফলাহার কি? 


উত্তর : চিড়া লৈ। 

(ঙ) জলযোগ বলতে কি বোঝো? 

উত্তর : সকালবেলার খাওয়াকে বোঝায়। দিনের প্রথম আহার। 

(চ) ফরাসিরা খায় এমন একটি খাবারের নাম লেখো। 

উত্তর : ব্যাং। 

(ছ) বার্মার খাবার কি? 

উত্তর : ‘ভাপ্পি’। 

(জ) ফড়িঙের ঘণ্ট খায় কারা? 

উত্তর : জাপানীরা। 

(ঝ) চীনাদের প্রিয় খাদ্য কি? 

উত্তর : আরশোলা। 

(ঞ) ভারতের প্রতিবেশী দুটি রাষ্ট্রের নাম বল। 

উত্তর : বার্মা, পাকিস্তান। 

(ট) কবিতায় ব্যবহৃত একটি প্রবাদ উল্লেখ করো। 

উত্তর ঃ নুন খাই গুণ গাই । 

(ঠ) এরকম আরো দুটি প্রবাদ লেখো। 

উত্তর : (ক) আদাজল খেয়ে লাগা, 

(খ) দিন আনে দিন খায়। 

(ড) বোকারা কি খায় ? 

উত্তর : থাবড়াইয়া ঘোল খায়। 

(ঢ) পালোয়ান কতটি ডিগবাজি খায়? 

উত্তর : কুড়িটা।

প্রশ্ন ৫। শূন্যস্থান পূর্ণ করো : 

(ক) সুদ খায় – ঘুষ খায় —। 

উত্তর : মহাজনে, দারোগায়। 

(খ) বাবু যান 

উত্তর : হাওয়া খেতে। 

(গ) এত খেয়ে তবু যদি নাহি ওঠে—। 

উত্তর : মনটা। 

(ঘ) কাশীতে প্রসাদ খেয়ে — হই পাক্কা। 

উত্তর : সাধু। 

প্রশ্ন ৬। ‘ক’ অংশের সহিত ‘খ’ অংশ মেলাও।

১. খোকারা 
২. ঘুড়িটা 
৩. বেহালা
৪. পালোয়ান
৫. দারোগা 
৬. ফরাসিরা
৭. বাঙালি 
৮. চীনারা 
৯. লোকে
ক. ডাল ভাত খায় 
খ. ব্যাং খায় 
গ. ঘুষ খায়
ঘ. দোল খায়
ঙ. গোঁত খায়
চ. মোচড় খায় 
ছ. আরসোলা খায় 
জ. ডিগবাজি খায় 
ঝ. কত কী খায়

উত্তর : ১. খোকারা দোল খায় ২. ঘুড়িটা গোঁত খায় ৩. বেহালা মোচড় খায় ৪. পালোয়ান ডিগবাজি ৫. দারোগা ঘুষ খায় ৬. ফরাসিরা ব্যাং খায় খায় ৭. বাঙালি ডাল ভাত খায় ৮. চীনারা আরসোলা খায় ৯. লোকে কত কি খায় 

প্রশ্ন ৭। ‘খাই খাই’ পদ্যটিতে যত খাবারের কথা কবি বলেছেন তার তালিকা তৈরি করো। 

উত্তর : জল খায়, দুধ খায়, ব্যাং খায়, ফড়িং খায়, বিড়ি খায়, ঝাল খায়, আরসোলা খায়, সুদ খায়, ঘুষ খায়, হাওয়া যায়, চাপ খায়, মিশ খায়, গুলি খায়, পাক খায়, গালি খায়, থতমত খায়, তাড়া খায়, চোট খায়, দিন আনে দিন খায়, চুমু খায়, বকুনি খায়, কিলচড় খায়, লাথি ঘুসি খায়, জুতো খায়, গুঁতো খায়, চাবুক খায়, নুন খায়, আছাড় খায়, মোচড় খায়, কানমলা খায়, টোল খায়, দোল খায়, ঘোল খায়, গোত খায়, ডিগবাজি খায়, ঠেলা খায়, ধাক্কা খায়, প্রসাদ খায় ইত্যাদি। 

অতিরিক্ত প্রশ্নোত্তর 

প্রশ্ন ১। খাই খাই’ কবিতায় কীসব খাবারের কথা আছে? 

উত্তর : আজব খাওয়ার কথা আছে। 

প্রশ্ন ২। ‘খাই-খাই’ কবিতা কোন ভাষায় খাবারের কথা আছে? সেই খাবারগুলিকে কী খাবার বালে? 

উত্তর : বাঙালির ভাষায় এইসব খাবারের কথা থাকে। সেই খাবারগুলিকে আজব খাবার বলে। 

প্রশ্ন ৩। খাবার মূলত কত প্রকার ও কী কী ? 

উত্তর : দুই প্রকার। আমিষ এবং নিরামিষ খাবার। 

প্রশ্ন ৪। ময়রার তৈরি খাবার কোনগুলি? 

উত্তর : রুটি, লুচি, ভাজাভুজি । 

প্রশ্ন ৫। পাচকের তৈরি খাবার কোনগুলি? 

উত্তর : টক, ঝাল, মিষ্টি। 

প্রশ্ন ৬। খাবার পদ্ধতি অনুসারে খাবার কত প্রকার ও কী কী? 

উত্তর : দুই প্রকার। চর্ব্য ও চোষ্য। 

প্রশ্ন ৭। ‘জলযোগ’ মানে কী? 

উত্তর : সামান্য খাবারকে জলযোগ বলে। 

প্রশ্ন ৮। সবচেয়ে বেশি ঝাল খায় কারা? 

উত্তর : মাদ্রাজিরা। 

প্রশ্ন ৯। রসনা মানে কী? 

উত্তর : জিহ্বা যা দিয়ে স্বাদ উপভোগ করা যায়। 

প্রশ্ন ১০। সুদখোর কে ? 

উত্তর : মহাজন।

প্রশ্ন ১১। ঘুষখোর কে? 

উত্তর : দারোগা। 

প্রশ্ন ১২। হাওয়া খান কে? 

উত্তর : বাবুরা। 

প্রশ্ন ১৩। ডিঙি কোথায় পাক খায়? ডিঙি মানে কী? 

উত্তর : ডিঙি স্রোতে পাক খায়। ডিঙি মানে ছোট নৌকা। 

প্রশ্ন ১৪। গুণ গায় কে? 

উত্তর : যে নুন খায় সে গুণ গায়। এইটি প্রচলিত কথা। | পাঠভিত্তিক ব্যাকরণ তেলে আর জলে কখনো মিশ খায় না। 

প্রশ্ন ১। বাক্য রচনা করো : 

উত্তর : মিশ খায় দিন আনে দিন খায় – ভিখারীটি সর্বদাই দিন আনে দিন খায়। – ভৃত্যটি প্রভূর নুন খায় বলিয়াই সে মালিকের গুণ গায় । হাওয়া খায় – জমিদার বাবু জুড়ি গাড়িতে চড়িয়া প্রায়ই হাওয়া খান। নুন খাই আমি বাবুর নুন খাই বলিয়াই তাহার গুণ গাই। বিষম খাওয়া – ভাত খাইতে বসিয়া বেশি কথা বলিলে অনেক মাথা খাও সময় বিষম খাইতে হয়। – বাবা মাকে বলিলেন যে ছেলেকে বেশি আদর দিয়া ওর মাথা খাইও না। 

প্রশ্ন ২। ‘খাই খাই’ পদ্য অবলম্বনে ‘খাওয়া ক্রিয়াপদের ব্যবহার দেখাও। যেমন— পাঠশালার ছেলেরা বেত খেয়ে খাবি খায়। 

উত্তর : (১) আরসোলা মুখে দিয়া চীনারা সুখে খায়। (২) চুর ধরা পড়িয়া পুলিসের জোতা যায়, গুঁতা খায় এবং কত যে লাখি খায় তাহার কোনো ইয়ত্বা নাই। (৩) ভাত খাও তাড়াতাড়ি বিষয় কিন্তু খাইও না।

প্রশ্ন ৩। ‘খাই খাই’ পদ্যে ব্যবহৃত বিশিষ্টার্থক (বিশেষ অর্থবোধক) বাক্যাংশগুলি বাছাই করে বাক্য রচনা করো। যেমন— পাক খাওয়া (দিশেহারা) কি পড়ব দিশে পাচ্ছি না, শুধু বই-খাতার মধ্যে পাক খাচ্ছি। 

উত্তর : (১) বাপ মা (মিল হয়) পরীক্ষার সময় : লম্বা বরের সহিত খাটো কনের একদম খাপ খায় না। 

(২) আদা জল খাওয়া (বিশেষ ভাবে মনোযোগ দেওয়া) : দুই দুইবার ফেইল করিয়া ছেলেটি এইবার আদা জল খাইয়া পুনরায় 

(৩) গোঁত খায় (ঘুড়ে) পড়াশুনা করিতেছে। : ঘুড়িটা প্রবল বাতাসে বার বার গোঁত খাইতেছে। 

(৪) মাথা খায় (নষ্ট করে) – : কখনো কখনো মায়েরা ছেলেকে অত্যাধিক লাই দিয়া মাথা খাইয়া বসে। 

(৫) ভ্যাবাচ্যাকা খাওয়া (হতভম্ব) ও পরীক্ষায় ছাত্রটি মৌখিক প্রশ্নের উত্তর 

(৬) মুখ খাওয়া (গালি) দিতে গিয়া ভ্যাবাচ্যাকা খাইয়া গেল। : পরীক্ষায় ফেল করিয়া ছেলেটিকে বাবার মুখ খাইতে হইয়াছিল। 

(৭) বিষম খাওয়া (খাইতে বাধা পাওয়া) ঃ কথা বলিতে বলিতে খাইতে গিয়া বাবা সেইদিন বিষম খাইয়াছিলেন। 

(৮) মিশ খায় (মিলিয়া যায়) : তেলে আর জলে কখনও মিশ খায় না। 

(৯) গুলি খোর (আফিং সেবী) : গুলিখোর মানুষ কখনও কখনও আবোল তাবোল বলে। 

(১০) টোল খায় (বিকৃত হয়) : কথা বলিতে গেলে অনেক সময় মেয়েটির গালে টোল খায়।

ক্লাস 9 বাংলা প্রশ্নের উত্তর

S.L. No.Group A সূচীপত্র
পাঠ ১গৌরাঙ্গের বাল্যলীলা
পাঠ ২খাই খাই
পাঠ ৩ধূলামন্দির
পাঠ ৪কবর
পাঠ ৫মনসামঙ্গল
পাঠ ৬প্রত্যুপকার
পাঠ ৭ছুটি
পাঠ ৮ডাইনী
পাঠ ৯পিপলান্ত্ৰি গ্ৰাম
পাঠ ১০অ্যান্টিবায়ােটিক ও পেনিসিলিনের কথা
পাঠ ১১লড়াই
পাঠ ১২আমরা
পাঠ ১৩আগামী
পাঠ ১৪আত্মকথা
পাঠ ১৫ভারতবর্ষ
পাঠ ১৬ব্যাকরণ
পাঠ ১৭রচনা
S.L. No.Group B সূচীপত্র
বৈচিত্রপূর্ণ আসাম
পাঠ ১আহােমগণ
পাঠ ২কাছাড়ের জনগােষ্ঠী
পাঠ ৩কারবিগণ
পাঠ ৪কোচ রাজবংশীগণ
পাঠ ৫গড়িয়া, মরিয়া ও দেশীগণ
পাঠ ৬গারােগণ
পাঠ ৭সাঁওতালগণ
পাঠ ৮চা জনগােষ্ঠী
পাঠ ৯চুটিয়াগণ
পাঠ ১০ঠেঙাল কছারিগণ
পাঠ ১১ডিমাসাগণ

Leave a Reply